
নিজস্ব প্রতিবেদক :-
গোদাগাড়ীতে শিক্ষার্থী ভর্তিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই মর্মে চম্পকনগর মডেল কেজি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মাহফুজা বাদি হয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
৬ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০ টায় নিজ স্কুল কক্ষে হামলার স্বীকার হন মাহফুজা
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চম্পক নগর মডেল কেজি স্কুল ও নুরানী কিন্ডারগার্টেন স্কুল দুটি পাশাপাশি। নুরানী কিন্ডারগার্টেনের ছাত্রছাত্রীরা অভিভাবকদের সম্মতিতে চম্পক নগর মডেল কেজি স্কুলে ভর্তি হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয় নুরানী কিন্ডারগার্টেনের প্রধান শিক্ষক মোঃ নাজিবুর রহমান (৩৮)। এতে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন চম্পক নগর মডেল কেজি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মাহফুজাকে।এক পর্যায়ে মারধরও শুরু করেন নাজিবুর। চিৎকার চেচামেচিতে মাহফুজার স্বামী জিয়াউর রহমান এগিয়ে এলে নাজিবুরের সাথে থাকা বাদশা (৪৫) সহ ৭ থেকে ৮ জন ব্যক্তি লাঠিসোঁটা নিয়ে জিয়াউরকে বেধরক মারধর করে আহত করেন এবং মাহফুজাকেও বিবস্ত্র করে মারধর করেন।
জিয়াউরের অবস্থা বেগতিক হওয়ায় এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে গোদাগাড়ী ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এতে চম্পক নগর মডেল কেজি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মাহফুজা বাদি হয়ে, উপজেলার দাঁত ঝিকড়া ( হাবাস পুর) এলাকার মৃত নুহের ছেলে বাদশা (৪৫), বাদশার স্ত্রী মোসাঃ নাসিমা (৩৫), মাটিকাটা এলাকার নুরানী কিন্ডারগার্টেন স্কুলের পরিচালক নাজিবুর (৩৮), মৃত আব্দুল হান্নান হাজির ছেলে আব্দুস সাত্তার (৫২) সহ ৪/৫ জনকে বিবাদী করে গোদাগাড়ী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
ঘটনার সত্যতা জানতে নুরানী কিন্ডারগার্টেন স্কুলের পরিচালক নাজিবুরকে ফোন করলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।