
এ এইচ মোবারক
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
দেশের তরুণ প্রজন্ম রুপান্তিত বাংলাদেশ চায়। আমরা গত ১৬ বছর এই ফ্যাসিস্টের হতে গুম, খুন নির্যাযিত হয়েছে, আমরা এক সাথে যুগপৎ আন্দোলন সংগ্রাম করেছি এক ও অভিন্ন থেকে ফ্যাসিবাদের আর কোনদিন যেন উত্থান না হয়, সে লক্ষ্যে কাজ করি। রাজধানীর এ অনুষ্ঠানে এ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স কাউন্সিল (বিসিআরসি'র) উদ্যোগে "অপরাধ-দুর্নীতি নির্মূলে জন সচেতনতা তৈরীতে গণমাধ্যমের ভূমিকা " শীর্ষক আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান এবং সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী ভাইস চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি'র)। অনুষ্ঠানে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি (বিসিআরসি)
জনাব আলী আশরাফ আকন্দ এর সভাপতিত্বে করেন,
গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং, মঙ্গলবার, সন্ধ্যায় ৬.৩০ মিঃ রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদু ঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স কাউন্সিল (বিসিআরসি'র) উদ্যোগে "অপরাধ-দুর্নীতি নির্মূলে জনসচেতনতা তৈরীতে গণমাধ্যমের ভূমিকা " শীর্ষক আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান এবং সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান।
অনুষ্ঠান উদ্বোধক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি মোঃ আব্দুস সালাম মামুন সদস্য, বিএনপি'র জাতীয় নির্বাহী কমিটি।
প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জনাব ওবায়দুর রহমান শাহীন সভাপতি, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজ)
এসময় প্রধান অতিথি'র বক্তব্যে এ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, গণমাধ্যম ইচ্ছে করলেই স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে না, যদি না তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করার মানসিকতা তৈরী না থাকে।
একজন মধ্যম শ্রেনীর মানুষ এসে দেশের শ্রমিক, কৃষক, মেহনতী মানুষ এবং দূঃখি মানুষের জন্য কাজ করতে চায় তাকে প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
আমরা যে সীমাবদ্ধতা আছে সেই সীমাবদ্ধতা তা ভেঙ্গে, চিন্তা করতে হবে শ্রমিকের দৃষ্টিকোন আর আমার দৃষ্টি কোন।
ব্যাপক শ্রমিক এবং জনতার সাথে যদি আমি একাত্ম হতে পারি তা হলে বুঝা যাবে আমি একজন বুদ্ধিজীবি বা একজন বিপ্লবী বুদ্ধিজীবি। এবং সেটার জন্য নিজের শ্রেনী অবস্থান কে ত্যাগ করতে হবে।
এসময় তিনি আরও বলেন গত ১৬ বছরে গণমাধ্যমের ভূমিকা কেন এমন ছিল, কারণ ১৬ বছর অধিকাংশ গণমাধ্যমের মালিক ছিলেন এক একজন মাফিয়া, ব্যাংক ডাকাত, মাদক ব্যবসায়ী এবং সমাজের দুর্বৃত্ত শ্রেণীর লোক।
একটা দেশের লুটেরা শ্রেনী ব্যাবসায়ী হয় তাহলে ব্যাবসায়ীদের চরিত্র কি দাড়ায়?
আমাদের কৃষি নির্ভর অর্থনীতি কৃষির উদ্বৃত্ত অথর্ই দিয়েই জাতীয় অথর্নীতি।
যাদের কাছে দেশে জাতীয় পুঁজি থাকে ঐ ব্যাসায়ীদের ধারা শিল্প কারখানা গড়ে উঠে এবং একটা শিল্প থেকে আরেকটা শিল্প গড়ে উঠে। বিদেশি পুঁজির সাথে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকতে হয়। তার জন্য ব্যাবসায়ী গণ দেশপ্রেমিক হয়ে গড়ে উঠে। এজন্য জাতীয় শিল্প এবং পুঁজির মালিক যারা তার সাধারণত স্বাধীনতা প্রিয় হয় এবং দেশ প্রেমিক হয়।
তিনি আরও বলেন, ব্যাসায়ীরা যদি স্মাগলার হয় স্মাগলিং করে লাভ করে, নারী পাচার করে, শিশু পাচার করে পুঁজি লাভ করে চাউলে কাকর মিশিয়ে লাভ করে ।
তারই দেশের পুঁজি ধংস করে বিদেশি পুঁজির বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে বিদেশি পণ্যের বাজার তৈরী করে দালালী করে এবং লুটেরা তৈরী হয় যেমন হাসিনার আমলে গত ১৬ বছর হয়েছে।
দেশে থেকে লুটপাট ৩০ লক্ষ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। এজন্য আমি বলে ছিলাম চোর আর লুটেরা বাদ দিলে আওয়ামী লীগের আর কেউ থাকে না।
সেই সময় হাসিনা নিজে বলেন, পুলিশ বলেন, বিচার ব্যাবস্থা বলেন, তারা বিচার ব্যাবস্থা সম্পূর্ণ ধংস করে দিয়ে লুটেরাদের দেশ পরিনতি করেছে।
পাশাপাশি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সহ দেশের সকল প্রশাসন নির্লজ্জা ভাবে ধংস করে দিয়ে গেছে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা। বল প্রয়োগের রাষ্ট্র গড়ে তুলে।
হাসিনা রাষ্ট যান্ত্রের, পুলিশ প্রশাসন, সিভিল প্রশাসন, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, রাষ্ট্রিয় প্রতিষ্ঠান, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, পাবলিক সার্ভিস কমিশন, ইউভার্সিটি গ্রান্ট কমিশন, দূূর্নীতি দমন কমিশন সহ সব ধংস করে দিয়ে একটি বল প্রয়োগের শাসন ব্যাবস্থা কায়েম করে।
তিনি আরও বলেন ফ্যাসিস্টদের বৈশিষ্ট্য হলো, যারা বিরোধী প্রতিবাদ করতে চায়, তাদের কে ধংস কর, হত্যা কর, নির্যাতন কর, নির্মূল কর, যেমন করেছে হিটলার করেছে, মুসেলিনি করেছে, হালাকু খান করেছে, ফেরাউন করেছে, নমরুদ করেছে, চেঙ্গিস খান করেছে, শেখ মজিব করেছে।
শেখ মুজিব ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল দেশের সকল গণমাধ্যম কে বন্ধ করে মাত্র দুটি অজ্ঞাবহ পত্রিকা রেখে সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা কেরে নেয় এবং রক্ষীবাহিনী দিয়ে দেশে ৩০ হাজার লোককে হত্যা করে যে ফ্যাসিযমের বীজ বুনেছিল আর হাসিনা তার নগ্ন ফ্যাসিযম কায়েম করে।
তিনি আরও বলেন, গত ১৬ বছর হাজার হাজার গুম, খুন নির্যাতন করে ক্ষান্ত হয়নি ২৪ শে গণ-অভ্যুত্থানের আমাদের প্রায় ২ হাজার কমলমতী শিক্ষার্থীদের গুলি করে হত্যা করে।
এসময় অনুষ্ঠানের সহ-যাত্রী, অগ্রনী বার্তা, জয়যাত্রা, বিজোস ডাইজেস্ট, দৈনিক আলো, দৈনিক আজকালের সংবাদ,
our tv. e-kroy.