নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ)
নবীগঞ্জ উপজেলার ৯নং বাউসা ইউনিয়নের রিফাতপুর গ্রামের একজন বাক প্রতিবন্ধী হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করেছে ,নাম হরে কৃষ্ণ বৈদ্য, পিতা মৃত - হরেন্দ্র চন্দ্র বৈদ্য, মাতা- মৃত শান্তি রাণী বৈদ্য, সে তার নিজ হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে স্বেচ্ছায় পবিত্র ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছেন।

ইসলাম ধর্ম গ্রহনের সাথে সাথে তাহার নাম পরিবর্তন করে মুসলিম নাম- মোঃ আব্দুল্লাহ রাখা হয়েছে।জানা যায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জ জেলার মাননীয় নোটারী পাবলিক এর কার্যালয়ে, নিজ ইচ্ছায় এফিডেভিট করেছেন ।

গতকাল ৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার নবীগঞ্জ ৮নং সদর ইউনিয়নের হালিতলা বারইকান্দি জামে মসজিদের ইমাম সাহেব তাকে কালেমা পাঠ করে, হরে কৃষ্ণ বৈদ্য নাম পরিবর্তন করে মোঃ আব্দুল্লাহ রাখা হয়। সরজমিন তথ্য মতে জানা যায়, নবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের হালিতলা গ্রামের অবসর প্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ ফজলুল হক নিজে বাক প্রতিবন্ধী হরে কৃষ্ণ বৈদ্যকে তার বাসায় দীর্ঘ দিন যাবত কাজ করার জন্য রেখে ছিলেন। তিনি স্নেহ মামতা দিয়ে নিজ পরিবারের একজন সদস্য মনে করে আদর করেছেন।

নিজের পরিবারের একজন মনে করে ভরন পোষন করেছেন। সূত্রে প্রকাশ, উল্লেখিত হরে কৃষ্ণ বৈদ্য অসুস্থ ও পঙু হয়ে পড়লে মানুষ গড়ার কারিগর অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক মোঃ ফজলুল হক নিজে তাকে মনে প্রানে বিভিন্ন ডাক্তার দ্ধারা চিকিৎসা করেছেন এবং তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দীর্ঘ ১মাস রেখে চিকিৎসা করেছেন । তার অবস্থার পরিবর্তন হলে তাকে বাড়িতে এনে কিছু দিন নিজের মতো আদর যত্ন করেছেন।পরে ফজলুল হক তাকে তার পরিবার ও আত্মীয় স্বজনের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তার পরিবারের লোকজন তাকে নিলেও সে থাকতে চায়নি, হরে কৃষ্ণ বৈদ্য মুসলমান হওয়ার জন্য ইচ্ছা পোষন করেন। এ ব্যাপারে এলাকার মুরব্বিয়ান সহ ৯ নং বাউসা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ সাদিকুর রহমান শিশুকে অবহিত করেন। ইসলাম ধর্মের আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে বিশ্বাস করে। হরে কৃষ্ণ বৈদ্য নিজ ইচ্ছায় মুসলমান হওয়ার জন্য পূনরায় মাষ্টার ফজলুল হক এর জিম্মায় আসে।মোঃ আব্দুল্লাহকে তিনি তার ভরন পোষনের দায়ভার পরিপূর্ণ ভাবে নিয়েছেন ।
শামীম চৌধুরী
নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ)
তারিখ ০৫/০৯/২০২৫ইং