
স্টাফ রিপোর্টার:
রাজধানীর ধানমন্ডিতে শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল ১০টায় নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন <বাংলাদেশ সুশীল ফোরামের নেতৃবৃন্দ।
সাক্ষাৎকালে মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও উন্নত রাষ্ট্র গঠনে সচেতন, দায়িত্বশীল এবং সক্রিয় সুশীল সমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সুশীল সমাজ তাদের সৃজনশীলতা, শিল্প-সংস্কৃতি, গবেষণা, বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা এবং সমাজসেবামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকার ও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সুচিন্তিত পরিকল্পনা, নীতিগত পরামর্শ ও গঠনমূলক সহযোগিতা দিতে পারে।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় ঐক্য, সামাজিক সম্প্রীতি, মানবিক মূল্যবোধ এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ সুশীল ফোরাম একটি কার্যকর জাতীয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনে এ ধরনের সংগঠনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হওয়া প্রয়োজন।
এ সময় বাংলাদেশ সুশীল ফোরামের পক্ষ থেকে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের হাতে সম্মাননা স্মারক (ক্রেস্ট) তুলে দেওয়া হয়।।
সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুশীল ফোরামের সভাপতি মো. জাহিদ (বিশিষ্ট লেখক, কলামিস্ট ও গবেষক), সিনিয়র সহ-সভাপতি এস. এম. শহীদুল্লাহ , সহ-সভাপতি ফজলুর করিম শামীম, সহ-সভাপতি ডা. আবুল হাসনাত মো. আমিন, সাধারণ সম্পাদক ডা. আল হাসান মোবারক (সম্পাদক, দৈনিক আলো), মো. আব্দুল কুদ্দুস৷ সহ ফোরামের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের রাজনৈতিক পরিচিতি
মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট এলাকায় দলীয় সংগঠনকে সুসংগঠিত করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১,৪৭,৮০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।
উল্লেখ দীর্ঘদিন ধরে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদেরের (সাধারণ সম্পাদক আওয়ামী লীগ) রাজনৈতিক ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত নোয়াখালী-৫ আসনে তাঁর বিজয়কে বিএনপির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।