সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন
দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৪নং সুবিল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এলজিইডির ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে চলমান একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, কাজের শুরু থেকেই অনিয়মের মাধ্যমে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে, যা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির আওতায় সুবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর পূর্ব পাশ থেকে এলজিইডিতে কর্মরত তাসলিমা নামে এক কর্মচারির বাড়ি পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন কাজ চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তা ভরাটের কাজে নির্ধারিত মানের পরিবর্তে নিম্নমানের ইটের সুরকি, রাবিশ ও বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী উত্তম বাবু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিম্নমানের সুরকি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রকৌশলীর ওই নির্দেশ উপেক্ষা করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন পুনরায় একই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা ভরাট কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘মানিক’ নামের এক ঠিকাদার কাজটি পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সরকার জনগণের সুবিধার জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে। কিন্তু কিছু অসাধু ঠিকাদারের কারণে উন্নয়ন কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়ক নির্মাণে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) দেবীদ্বার উপজেলা প্রকৌশলীকে অবগত করা হলে তিনি নিম্নমানের খুয়া তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দিয়েছেন।
দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৪নং সুবিল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এলজিইডির ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে চলমান একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, কাজের শুরু থেকেই অনিয়মের মাধ্যমে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে, যা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির আওতায় সুবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর পূর্ব পাশ থেকে এলজিইডিতে কর্মরত তাসলিমা নামে এক কর্মচারির বাড়ি পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন কাজ চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তা ভরাটের কাজে নির্ধারিত মানের পরিবর্তে নিম্নমানের ইটের সুরকি, রাবিশ ও বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী উত্তম বাবু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিম্নমানের সুরকি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রকৌশলীর ওই নির্দেশ উপেক্ষা করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন পুনরায় একই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা ভরাট কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘মানিক’ নামের এক ঠিকাদার কাজটি পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সরকার জনগণের সুবিধার জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে। কিন্তু কিছু অসাধু ঠিকাদারের কারণে উন্নয়ন কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়ক নির্মাণে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) দেবীদ্বার উপজেলা প্রকৌশলীকে অবগত করা হলে তিনি নিম্নমানের খুয়া তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দিয়েছেন।
দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৪নং সুবিল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এলজিইডির ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে চলমান একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, কাজের শুরু থেকেই অনিয়মের মাধ্যমে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে, যা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির আওতায় সুবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর পূর্ব পাশ থেকে এলজিইডিতে কর্মরত তাসলিমা নামে এক কর্মচারির বাড়ি পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন কাজ চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তা ভরাটের কাজে নির্ধারিত মানের পরিবর্তে নিম্নমানের ইটের সুরকি, রাবিশ ও বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী উত্তম বাবু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিম্নমানের সুরকি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রকৌশলীর ওই নির্দেশ উপেক্ষা করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন পুনরায় একই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা ভরাট কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘মানিক’ নামের এক ঠিকাদার কাজটি পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সরকার জনগণের সুবিধার জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে। কিন্তু কিছু অসাধু ঠিকাদারের কারণে উন্নয়ন কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়ক নির্মাণে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) দেবীদ্বার উপজেলা প্রকৌশলীকে অবগত করা হলে তিনি নিম্নমানের খুয়া তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দিয়েছেন।
দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৪নং সুবিল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এলজিইডির ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে চলমান একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, কাজের শুরু থেকেই অনিয়মের মাধ্যমে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে, যা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির আওতায় সুবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর পূর্ব পাশ থেকে এলজিইডিতে কর্মরত তাসলিমা নামে এক কর্মচারির বাড়ি পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন কাজ চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তা ভরাটের কাজে নির্ধারিত মানের পরিবর্তে নিম্নমানের ইটের সুরকি, রাবিশ ও বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী উত্তম বাবু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিম্নমানের সুরকি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রকৌশলীর ওই নির্দেশ উপেক্ষা করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন পুনরায় একই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা ভরাট কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘মানিক’ নামের এক ঠিকাদার কাজটি পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সরকার জনগণের সুবিধার জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে। কিন্তু কিছু অসাধু ঠিকাদারের কারণে উন্নয়ন কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়ক নির্মাণে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) দেবীদ্বার উপজেলা প্রকৌশলীকে অবগত করা হলে তিনি নিম্নমানের খুয়া তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দিয়েছেন।