সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
আবু রায়হান, স্টাফ রিপোর্টার-
বাগেরহাটের রামপালে মোংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ চ্যানেলের তীরবর্তী এলাকায় নদীভাঙন পরিদর্শন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম। এ সময় তিনি দ্রুত ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা জানান।
রোববার বিকেলে রামপালের রমজাইপুর এলাকায় নদীভাঙন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, মোংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ চ্যানেলের রামপাল অংশের রমজাইপুর গ্রামের বড় একটি অংশ ইতোমধ্যে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষের বসতবাড়ি ও নিরাপত্তার স্বার্থে এখনই এ ভাঙন প্রতিরোধ করা প্রয়োজন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভাঙন রোধে ওই এলাকায় পাইলিং বাঁধ নির্মাণের প্রয়োজন রয়েছে। চলমান ড্রেজিংয়ের প্রভাবেও কোথাও কোথাও ভাঙন সৃষ্টি হচ্ছে। পাশাপাশি এটি একটি আন্তর্জাতিক নৌপথ হওয়ায় প্রতিনিয়ত বিভিন্ন নৌযান ও জাহাজ চলাচল করছে। নৌযানের ঢেউ এবং জোয়ার-ভাটার আঘাতেও তীর ভাঙছে।
তিনি বলেন, পাইলিং বাঁধ নির্মাণ করা গেলে ভাঙন অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব হবে। সাধারণ মানুষের বসবাসের নিরাপত্তার জন্য ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে কার্যকর ভূমিকা পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের বিষয়েও কাজ চলছে।
এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জয়ন্ত পাল ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মিরাজ মোল্লা।
বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জয়ন্ত পাল বলেন, মোংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ চ্যানেলের রামপাল অংশে নদীভাঙনের তীব্রতা তুলনামূলক বেশি। তবে মোংলা অংশেও ভাঙন রয়েছে। বর্তমানে চ্যানেলের পাঁচ থেকে ছয়টি পয়েন্টে ভাঙন চলছে।
তিনি জানান, ইতোমধ্যে তিনটি পয়েন্টে ভাঙন রোধে কাজ শুরু করা হয়েছে। বড় ধরনের ভাঙনের স্থানগুলোতে স্থায়ী সমাধানের জন্য নতুন করে টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।