শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম
মাগুরার শ্রীপুরে পাম্পে ড্রামে তেল দেওয়ার ভিডিও ধারণ,সাংবাদিককে মারধর করলো পুলিশ! উক্ত পুলিশ ক্লোজ! *ফিল্ড মার্শালের ইটে-ইটে গড়া শান্তির দেয়াল* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় জেলা পর্যায়ে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন মাগুরার খামারপাড়া এস এ আই সিনিয়র মাদ্রাসায় বিদায় সংর্বধণা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মাগুরায় সুমন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন! বিস্তারিত জানালেন পুলিশ সুপার মাগুরায় লক্ষাধিক শিশুকে হাম রুবেলার টিকা দেয়া হবে ইরানে ট্রাম্পের নৌ-অবরোধের ব্যর্থতা ও ইসলামাবাদে নতুন কূটনৈতিক অধ্যায়* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন মাগুরার শ্রীপুরে জামায়াতে ইসলামীর দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ভূঞাপুরে অস্বাভাবিক লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ, হিট স্ট্রোকে নারীর মৃত্যু

সংবাদদাতা / ৭৫ বার ভিউ
সময়ঃ শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ন

আতিকুর রহমান,

স্টাফ রিপোর্টার : টাংগাইলের

ভূঞাপুরে বিদ্যুতের ঘণ্টায় ঘণ্টায় অস্বাভাবিক লোডশেডিং ও তীব্র দাবদাহে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। দিন ও রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় নাভিশ্বাস অবস্থা। শুক্রবার রাতে হিট স্ট্রোকে সালমা নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।

একদিকে যেমন বিদ্যুতের অভাবে ধান খেতে পানি দিতে না পারায় জমি ফেটে যাচ্ছে, অপরদিকে তীব্র রোদে ধান অপরিপক্ব হয়ে পেকে হয়ে যাচ্ছে। এতে ধানে চিটা ধরার আশঙ্কা করছে কৃষকরা। এছাড়া পোলট্রি খামারের মুরগিগুলো মারা যাচ্ছে তীব্র গরমে। এতে নিঃস্ব হচ্ছে খামারিরা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এতে চিকিৎসাসেবা দিকে হিমশিম খাচ্ছে চিকিৎসকরা। এছাড়া বৃষ্টি না হওয়ায় গাছের গুটি আম ঝরে যাচ্ছে। শুক্রবার রাতে পৌরসভার ফকিরপাড়ার চরপাড়ার অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট সানাউল্ল্যার স্ত্রী সালমা বেগম হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। উপজেলায় গড়ে দিনরাত ৭-৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। ভূঞাপুর পূর্বপাড়ার উজ্জল জানান, শুক্রবার খুবই লোডশেডিং দেওয়া হয়েছে। রাত ১২টার পর বিদ্যুৎ যাওয়ার পর রাত ৪টায় এসেছে। দুই ঘণ্টা থাকার পর ভোর ৬টায় আবার চলে গেছে। সারা দিনে তেমন বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না।

পোলট্রি খামারিরা বলেন, খবরে দেখলাম দেশে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনে রেকর্ড হয়েছে। কিন্তু সেই বিদ্যুৎ কই। তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে গরমে স্ট্রোকে খামারের মুরগি মারা যাচ্ছে। সারা দিনে ৩-৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া গেলেও সেটি মিসড কলের মতো। এছাড়া বিদ্যুতের ভোল্টেজ নেই।

ভূঞাপুর বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কম পাওয়ায় লোডশেডিং দিতে বাধ্য হচ্ছি। যেটুকু বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে সেইটুকুই ভাগ-বণ্টন করে সরবরাহ করা হচ্ছে। ভূঞাপুর সাবস্টেশনের অধীনে বিদ্যুতের প্রয়োজন ২৪ মেগাওয়াট। সেখানে ১৩-১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। এতে শহরে এক ঘণ্টা পর পর লোডশেডিং ও গ্রাম পর্যায়ে আরও বেশি সময় লোডশেডিং যেন স্থায়ীত্ব পায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]