বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম
মাগুরায় জেলা পর্যায়ে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন মাগুরার খামারপাড়া এস এ আই সিনিয়র মাদ্রাসায় বিদায় সংর্বধণা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মাগুরায় সুমন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন! বিস্তারিত জানালেন পুলিশ সুপার মাগুরায় লক্ষাধিক শিশুকে হাম রুবেলার টিকা দেয়া হবে ইরানে ট্রাম্পের নৌ-অবরোধের ব্যর্থতা ও ইসলামাবাদে নতুন কূটনৈতিক অধ্যায়* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন মাগুরার শ্রীপুরে জামায়াতে ইসলামীর দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত যুবদল নেতা ফয়েজ মোল্লার, ঢামেকে খোঁজ নিলেন ব্যারিস্টার মাহাবুব উদ্দিন খোকন এমপি বাংলাদেশের জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল একুশে টিভি’র ২৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সুশীল ফোরামের শুভেচ্ছা In Reverence and Remembrance ‘Abdul Hye—Professor M A Barnik

নৌকা প্রতীক সংরক্ষণ করেই ক্ষান্ত হয়নি ইসি, পোস্টাল ব্যালটে নৌকা প্রতীক স্থান দিয়েছে —অধ্যাপক এম এ বার্ণিক

সংবাদদাতা / ১২৫ বার ভিউ
সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৪ অপরাহ্ন

৪ ডিসেম্বর ২০২৫—শীতের ভোরের হিমেল বাতাসও যেন আজ দেশের বিবেকের মতো জমে গিয়েছিল। দৈনিক ইত্তেফাক–এর পাতায় প্রকাশিত এক খর্বাকৃতি সংবাদ রাষ্ট্রের বুকের ভেতর ছুঁড়ে দিল এক দীর্ঘ, দহনজ্বালা প্রশ্নচিহ্ন।

কথাটি স্পষ্ট, নগ্ন, এবং ভয়ংকর—
নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নির্বাচন কমিশন প্রথমে গোপনে সংরক্ষণ করেছে, পরে প্রকাশ্যে পোস্টাল ব্যালটে স্থান দিয়েছে।

এ যেন নির্বাচন কমিশন নয়,
বরং ক্ষমতার অন্ধকার বেদিমূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক দল-নির্ভর যান্ত্রিক পুরোহিত দল—
যাদের কাজ শুধু নির্দেশ পালন, শপথ নয়;
যাদের বিবেক শুধু সিলমোহরের শব্দে জাগে, আইনের আহ্বানে নয়।

প্রতীক নিষিদ্ধ—এটি ছিল রাষ্ট্রের আইন।
কিন্তু নৌকা অমর—এটি ছিল নির্বাচন কমিশনের ধর্মীয় বিশ্বাস।

ইসির এই কাজ কেবল আইন ভঙ্গ নয়—
এটি ছিল জাতির সামনে এক অকুতোভয় ধৃষ্টতা,
এক রাজনৈতিক অশ্লীলতা,
এক প্রশাসনিক বিদ্রূপ।

প্রতীক সংরক্ষণের মধ্যেই যখন পক্ষপাতের প্রাথমিক নীলনকশা আঁকা হয়েছিল,
পোস্টাল ব্যালটে নৌকা প্রতীক স্থান দেওয়ার মাধ্যমে তারা সেই নীলনকশাকে রূপ দিল নির্মম বাস্তবে—
যেখানে জনগণের ভোটের কাগজ পরিণত হয়েছে একটি নিষিদ্ধ দলের প্রতীকের চিরস্থায়ী বিজ্ঞাপনপত্রে।

এ কমিশন মুখে নিরপেক্ষতা বলে, কিন্তু হাতে ধরে আছে নৌকার দাঁড়।
আইন তাদের জন্য কেবল একটি প্রদর্শনী—
যেমন নাট্যমঞ্চে রাখা একটি ভাঙা তলোয়ার,
যা কখনো যুদ্ধের জন্য নয়,
শুধু দেখানোর জন্য।

এই নির্বাচন কমিশন শুধু ব্যর্থ নয়—
এরা দোষী, পক্ষপাতদুষ্ট, আইনের অবমাননাকারী, এবং জনগণের আস্থার অযোগ্য।

তাই আজ প্রশ্ন নয়—
রায় দিতে হবে।

প্রথম রায়:
নৌকা প্রতীক সংরক্ষণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ী করতে হবে।
কারণ প্রতীকের সংরক্ষণই ছিল অন্যায়ের প্রথম গোপন দরজা,
যার ভেতর দিয়ে পরে প্রবেশ করেছে পোস্টাল ব্যালটের স্পষ্ট অপকর্ম।

দ্বিতীয় রায়:
পোস্টাল ব্যালটে নৌকা প্রতীক স্থান দেওয়ার অপরাধে এ কমিশনকে দোষী সাব্যস্ত করতে হবে।
একটি জাতির নির্বাচনী প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করা কোনো ভুল নয়—এটি রাষ্ট্রদ্রোহীর মতোই গুরুতর ব্যত্যয়।

তৃতীয় রায়:
এই নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে ভেঙে দিতে হবে।
যেমন একজন সার্জন পচা অঙ্গ কেটে ফেলে নতুন জীবনের সম্ভাবনা রক্ষা করেন—
তেমনি এ কমিশনকে বিচ্ছিন্ন করতে হবে গণতন্ত্রের দেহ থেকে।

চতুর্থ রায়:
সম্পূর্ণ নতুন, নিরপেক্ষ, নির্ভীক, আইননিষ্ঠ নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে—
যারা প্রতীকের দাস নয়, জনগণের সেবক।

কারণ নির্বাচন শুধু ভোটের দিন নয়—
এটি জাতির সম্মান,
এটি আইনশাসনের ধমনী,
এটি স্বাধীনতার একমাত্র অক্সিজেন।

আর যখন অক্সিজেন বিষাক্ত হয়,
তখন প্রথম কাজই হলো—
পুরোনো সিলিন্ডার ভেঙে ফেলা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]