সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে রাঙামাটিতে প্রতিনিধি দল: ঋতুপর্ণার বাড়ি নির্মাণে জট খোলার তোড়জোড় দেবিদ্বারে সড়ক প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত ও ব‍্যবস্থা নেওয়ার দাবি স্থানীয়দের ঐতিহ্যবাহী লাঙ্গলবাঁধ বাজারে স্বর্ণ ব্যবসার আড়ালে চলছে জমজমাট সুদের কারবার! মাগুরায় দুটি বিরিয়ানির দোকানে ২০ হাজার টাকা জরিমানা কুমিল্লার মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে ব্র্যাক ফিশারিজের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত  নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মোবাইল ফোন চার্জ দিতে গিয়ে কিশোরীর মৃত্যু জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা মহানগর কোর কমিটিতে তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক – সাব্বির আহম্মেদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা সীমান্তে বিএসএফ’র গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় বাংলাদেশ সুশীল ফোরামের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ তুরস্ক সফরে ঢাকা ত্যাগ করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী; অংশ নেবেন গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মাগুরার শ্রীপুরে বিয়ের গাড়ি বহরে থাকা মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্কুল ছাত্রের মৃত্যু

দেবিদ্বারে সড়ক প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত ও ব‍্যবস্থা নেওয়ার দাবি স্থানীয়দের

সংবাদদাতা / ৬৮ বার ভিউ
সময়ঃ সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন

দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৪নং সুবিল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এলজিইডির ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে চলমান একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, কাজের শুরু থেকেই অনিয়মের মাধ্যমে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে, যা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির আওতায় সুবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর পূর্ব পাশ থেকে এলজিইডিতে কর্মরত তাসলিমা নামে এক কর্মচারির বাড়ি পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন কাজ চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তা ভরাটের কাজে নির্ধারিত মানের পরিবর্তে নিম্নমানের ইটের সুরকি, রাবিশ ও বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী উত্তম বাবু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিম্নমানের সুরকি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রকৌশলীর ওই নির্দেশ উপেক্ষা করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন পুনরায় একই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা ভরাট কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘মানিক’ নামের এক ঠিকাদার কাজটি পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সরকার জনগণের সুবিধার জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে। কিন্তু কিছু অসাধু ঠিকাদারের কারণে উন্নয়ন কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়ক নির্মাণে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) দেবীদ্বার উপজেলা প্রকৌশলীকে অবগত করা হলে তিনি নিম্নমানের খুয়া তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দিয়েছেন।

দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৪নং সুবিল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এলজিইডির ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে চলমান একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, কাজের শুরু থেকেই অনিয়মের মাধ্যমে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে, যা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির আওতায় সুবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর পূর্ব পাশ থেকে এলজিইডিতে কর্মরত তাসলিমা নামে এক কর্মচারির বাড়ি পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন কাজ চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তা ভরাটের কাজে নির্ধারিত মানের পরিবর্তে নিম্নমানের ইটের সুরকি, রাবিশ ও বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী উত্তম বাবু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিম্নমানের সুরকি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রকৌশলীর ওই নির্দেশ উপেক্ষা করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন পুনরায় একই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা ভরাট কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘মানিক’ নামের এক ঠিকাদার কাজটি পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সরকার জনগণের সুবিধার জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে। কিন্তু কিছু অসাধু ঠিকাদারের কারণে উন্নয়ন কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়ক নির্মাণে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) দেবীদ্বার উপজেলা প্রকৌশলীকে অবগত করা হলে তিনি নিম্নমানের খুয়া তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দিয়েছেন।
দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৪নং সুবিল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এলজিইডির ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে চলমান একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, কাজের শুরু থেকেই অনিয়মের মাধ্যমে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে, যা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির আওতায় সুবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর পূর্ব পাশ থেকে এলজিইডিতে কর্মরত তাসলিমা নামে এক কর্মচারির বাড়ি পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন কাজ চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তা ভরাটের কাজে নির্ধারিত মানের পরিবর্তে নিম্নমানের ইটের সুরকি, রাবিশ ও বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী উত্তম বাবু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিম্নমানের সুরকি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রকৌশলীর ওই নির্দেশ উপেক্ষা করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন পুনরায় একই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা ভরাট কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘মানিক’ নামের এক ঠিকাদার কাজটি পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সরকার জনগণের সুবিধার জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে। কিন্তু কিছু অসাধু ঠিকাদারের কারণে উন্নয়ন কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়ক নির্মাণে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) দেবীদ্বার উপজেলা প্রকৌশলীকে অবগত করা হলে তিনি নিম্নমানের খুয়া তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দিয়েছেন।

দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৪নং সুবিল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এলজিইডির ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে চলমান একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, কাজের শুরু থেকেই অনিয়মের মাধ্যমে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে, যা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির আওতায় সুবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর পূর্ব পাশ থেকে এলজিইডিতে কর্মরত তাসলিমা নামে এক কর্মচারির বাড়ি পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন কাজ চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তা ভরাটের কাজে নির্ধারিত মানের পরিবর্তে নিম্নমানের ইটের সুরকি, রাবিশ ও বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী উত্তম বাবু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিম্নমানের সুরকি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রকৌশলীর ওই নির্দেশ উপেক্ষা করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন পুনরায় একই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা ভরাট কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘মানিক’ নামের এক ঠিকাদার কাজটি পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সরকার জনগণের সুবিধার জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে। কিন্তু কিছু অসাধু ঠিকাদারের কারণে উন্নয়ন কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়ক নির্মাণে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) দেবীদ্বার উপজেলা প্রকৌশলীকে অবগত করা হলে তিনি নিম্নমানের খুয়া তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]