মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মাগুরায় শ্রীপুর উপজেলায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালি বিজ্ঞানের জয়যাত্রা: মিরপুরে প্যারাডাইজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে বিজ্ঞান মেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত মাগুরায় চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা চুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাগুরার শ্রীপুরে নবাগত ইউএনও’র সাথে প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রধান আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন মাগুরার অ্যাড. কাজী আব্দুর রশিদ Five Historic Challenges Facing Tarique Rahman* *— Professor M. A. Barnik তারেক রহমানের পাঁচটি ঐতিহাসিক চ্যালেঞ্জ* *— অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় শিশু একাডেমির আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন   মাগুরায় আর্দশ শিক্ষক ফেডারেশনের আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত মাগুরায় ৮ হাজার ইয়াবা ও নারীসহ ৩ মাদক কারবারি আচক! টাকা ও বাইক জব্দ!

দেবিদ্বারে সড়ক প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত ও ব‍্যবস্থা নেওয়ার দাবি স্থানীয়দের

সংবাদদাতা / ৩৮৭ বার ভিউ
সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন

দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৪নং সুবিল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এলজিইডির ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে চলমান একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, কাজের শুরু থেকেই অনিয়মের মাধ্যমে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে, যা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির আওতায় সুবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর পূর্ব পাশ থেকে এলজিইডিতে কর্মরত তাসলিমা নামে এক কর্মচারির বাড়ি পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন কাজ চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তা ভরাটের কাজে নির্ধারিত মানের পরিবর্তে নিম্নমানের ইটের সুরকি, রাবিশ ও বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী উত্তম বাবু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিম্নমানের সুরকি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রকৌশলীর ওই নির্দেশ উপেক্ষা করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন পুনরায় একই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা ভরাট কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘মানিক’ নামের এক ঠিকাদার কাজটি পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সরকার জনগণের সুবিধার জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে। কিন্তু কিছু অসাধু ঠিকাদারের কারণে উন্নয়ন কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়ক নির্মাণে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) দেবীদ্বার উপজেলা প্রকৌশলীকে অবগত করা হলে তিনি নিম্নমানের খুয়া তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দিয়েছেন।

দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৪নং সুবিল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এলজিইডির ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে চলমান একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, কাজের শুরু থেকেই অনিয়মের মাধ্যমে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে, যা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির আওতায় সুবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর পূর্ব পাশ থেকে এলজিইডিতে কর্মরত তাসলিমা নামে এক কর্মচারির বাড়ি পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন কাজ চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তা ভরাটের কাজে নির্ধারিত মানের পরিবর্তে নিম্নমানের ইটের সুরকি, রাবিশ ও বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী উত্তম বাবু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিম্নমানের সুরকি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রকৌশলীর ওই নির্দেশ উপেক্ষা করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন পুনরায় একই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা ভরাট কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘মানিক’ নামের এক ঠিকাদার কাজটি পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সরকার জনগণের সুবিধার জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে। কিন্তু কিছু অসাধু ঠিকাদারের কারণে উন্নয়ন কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়ক নির্মাণে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) দেবীদ্বার উপজেলা প্রকৌশলীকে অবগত করা হলে তিনি নিম্নমানের খুয়া তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দিয়েছেন।
দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৪নং সুবিল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এলজিইডির ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে চলমান একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, কাজের শুরু থেকেই অনিয়মের মাধ্যমে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে, যা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির আওতায় সুবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর পূর্ব পাশ থেকে এলজিইডিতে কর্মরত তাসলিমা নামে এক কর্মচারির বাড়ি পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন কাজ চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তা ভরাটের কাজে নির্ধারিত মানের পরিবর্তে নিম্নমানের ইটের সুরকি, রাবিশ ও বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী উত্তম বাবু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিম্নমানের সুরকি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রকৌশলীর ওই নির্দেশ উপেক্ষা করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন পুনরায় একই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা ভরাট কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘মানিক’ নামের এক ঠিকাদার কাজটি পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সরকার জনগণের সুবিধার জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে। কিন্তু কিছু অসাধু ঠিকাদারের কারণে উন্নয়ন কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়ক নির্মাণে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) দেবীদ্বার উপজেলা প্রকৌশলীকে অবগত করা হলে তিনি নিম্নমানের খুয়া তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দিয়েছেন।

দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৪নং সুবিল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এলজিইডির ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে চলমান একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, কাজের শুরু থেকেই অনিয়মের মাধ্যমে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে, যা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির আওতায় সুবিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর পূর্ব পাশ থেকে এলজিইডিতে কর্মরত তাসলিমা নামে এক কর্মচারির বাড়ি পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন কাজ চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তা ভরাটের কাজে নির্ধারিত মানের পরিবর্তে নিম্নমানের ইটের সুরকি, রাবিশ ও বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী উত্তম বাবু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিম্নমানের সুরকি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রকৌশলীর ওই নির্দেশ উপেক্ষা করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন পুনরায় একই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা ভরাট কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘মানিক’ নামের এক ঠিকাদার কাজটি পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সরকার জনগণের সুবিধার জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে। কিন্তু কিছু অসাধু ঠিকাদারের কারণে উন্নয়ন কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সড়ক নির্মাণে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) দেবীদ্বার উপজেলা প্রকৌশলীকে অবগত করা হলে তিনি নিম্নমানের খুয়া তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]