রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৬ অপরাহ্ন
সি: স্টাফ রিপোর্টার :
র্যাব-৪ সিপিসি-২ ও সিপিএসসি এর অভিযানে অবৈধ বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ তিনজন কুখ্যাত সন্ত্রাসী গ্রেফতার।
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে জনগণের সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
র্যাব সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূলের পাশাপাশি আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রনে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও শীর্ষ সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য সদা সচেষ্ট। এরই ধারাবাহিকতায়, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ বিকালে র্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগরীর কাফরুল থানাধীন আগারগাঁও মেট্রোস্টেশনের নিচে একটি হাইচ গাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে ০৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো ১। মোঃ সাদ্দাম হোসেন@ শুটার সাদ্দাম(৩২), ২।মোঃ সেলিম(২৮) ওরফে শুটার সেলি ৩। মোঃ আলভি (৩০)। উক্ত আসামীদের গ্রেফতারকালীন সময়ে আসামী সাদ্দাম হোসেন এর হেফাজত হতে ১টি বিদেশী পিস্তল ও হাইচ গাড়ি উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, রাজধানীর কাফরুল থানাধীন আগারগাঁ এলাকায় কতিপয় অস্ত্রধারী দুস্কৃতিকারী সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের জন্য অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে তৎক্ষণাৎ র্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল উক্ত এলেকায় অভিযান পরিচালনাকালে ১। মোঃ সাদ্দাম হোসেন@ শুটার সাদ্দাম(৩২), ২।মোঃ সেলিম(২৮)ওরফে শুটার সেলিম ৩। মোঃ আলভি (৩০) দের গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সাদ্দাম হোসেন জানায় তার কাছে অবৈধ অস্ত্র রয়েছে। এর প্রেক্ষিতে আসামির দেয়া তথ্যমতে একটি সাদা হাইচ গাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।গ্রেফতারকৃত আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, উদ্ধারকৃত অবৈধ অস্ত্র দিয়ে সাভার, আশুলিয়া সহ রাজধানীর মিরপুর, কাফরুল এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করতো। পাশাপাশি, উক্ত অস্ত্র বিভিন্ন পেশাদার অপরাধীদের ভাড়ায় সরবরাহ করতো যা দিয়ে তারা খুন, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ব্যবহৃত করতো।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যায়। এছাড়াও গ্রেফতারকৃত আসামী সাদ্দাম হোসেন এর বিরুদ্ধে প্রথামিক তদন্তে বিভিন্ন থানায় ১৫টির অধিক মামলা ও সেলিম এর বিরুদ্ধে ০৭টির অধিক মামলার তথ্য প্রমান পাওয়া যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে আশুলিয়া থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।