বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
মোঃ জুবায়ের আহমেদ (আলো প্রতিনিধি)
ইজতেমার ২- ৩- ৪ ই ফেব্রুয়ারি ২০২৪ শুক্র শনি ও রবিবার, এবং ৪ই ফেব্রুয়ারী রবিবার আখেরি মোনাজাত মধ্যে দিয়ে প্রথম পর্বের বিশ্ব ইজতেমা হবে। বিশ্ব ইজতেমায় আকাবেরীন ওলামায়ে কেরাম এর নেগরানিতে আলমী শুরার মাতাহাতে শীর্ষ মুরুব্বি হযরত গণ জামাআত ইজতেমায় শরিক থাকবেন।
এরই মধ্য ৬৪ জেলার তাবলীগী সাথী গণ বিশ্ব- ইজতেমা টঙ্গী মাঠে উপস্থিত এবং এক সাথে এক পর্বেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

দেশ বিদেশ থেকে আসা তাবলীগ এর সাথীদের পদচরণে টঙ্গীর ইজতেমা মাঠ আকাবেরীন ওলামায়ে কেরাম এর নেগরানিতে আলমী শুরার মাতাহাতে টঙ্গী ইজতেমা ২০২৪ শুরু হয়েছে।
এবারো বিশ্ব ইজতেমায় আগতদের উদ্দেশে মূল বয়ান করা হবে উর্দুতে। এরপর তা বাংলা, আরবিসহ বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করা হবে।
অন্যান্য ভাষাভাষীদের জন্য বয়ানের অনুবাদ করা হবে তাদের জন্য নির্ধারিত ছাউনিতে। প্রত্যেক ছাউনিতে মূল বয়ান অনুবাদ করার জন্য একজন করে দোভাষীর ব্যবস্থা রাখা হয় ইজতেমায়।
১৯৪৬ সালে প্রথমবারের মতো কাকরাইল মসজিদে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়েছিল । এরপর ১৯৪৮ সালে চট্টগ্রামে হাজী ক্যাম্প এবং ১৯৫৮ সালে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে তাবলিগ জামাতের ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। দিন দিন লোকসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ১৯৬৬ সালে টঙ্গীর পাগাড় গ্রামের কাছে, টঙ্গীর মনসুর জুট মিলের কাছে একটি মাঠে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
এই সময় থেকে ইজতেমায় বিদেশি কয়েকটি জামাতও অংশ নেয় ইতিহাসেএর পর থেক বিশ্ব ইজতেমা পায়।
১৯৬৭ সালে টঙ্গীর তুরাগ নদী পাড়ে প্রথম বার বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সরকার তুরাগ পাড়ের ১৬০ একর জমি তাবলিগ জামাতের জন্য বরাদ্দ দেয়।
২০১১ সালের আগে একপর্বে তিন দিনব্যাপী বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়।

স্থান সংকট এবং জনদুর্ভোগ বিবেচনা ও মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি, আইন-শৃ্ঙ্খলা উন্নতি ও নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে তাবলিগের শুরা সদস্যদের পরামর্শের ভিত্তিতে তিন দিন করে ২ ধাপে ইজতেমা আয়োজনের কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
২ ধাপে ইজতেমা আয়োজনের পরও মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি হওয়ায় ২০১৬ সাল থেকে প্রতি বছর ৩২ জেলার অংশগ্রহণে ২ ধাপে বিশ্ব ইজতেমার আয়োজন করা হয়। বিশ্ব মহামারী করোনায় ইজতেমা বন্ধ ছিল। বাতর্মনে তাবলীগ জামাতের দুই গ্রুপ একটি সাদ সাহেব আন্যটি আলেম ওলামা নামে পরিচিত। প্রথম পর্বটি আলেম ওলামা দ্বিতীয় পর্ব সাদ সাহেব আয়োজন কারবে।
আজ মিম্বারে আমালের ফায়সালা সমূহ ১ই ফেব্রুয়ারী ২৪ বৃহস্পতিবার বাদ ফজর মাওলানা আহমদ লাট সাহেব হাফি হিন্দুস্তান, বাদ জোহর মাওলানা রবিউল হক সাহেব হাফিঃবাংলাদেশ, বাদ আছর মাওলানা ফারুক সাহেব হাফিঃ বাংলাদেশ বাদ মাগরিবঃ*মাওলানা ইব্রাহিম দেওলা সাহেব হাফিঃ হিন্দুস্তান
আগামী ২ ই ফেব্রুয়ারী ২৪ শুক্রবার বয়ান করবেন বাদ ফজর
মাওলানা আহমদ বাটলা সাহেব হাফিঃ
পাকিস্তান সকাল ১০ টায় তালিম, মাওলানা জিয়াউল হক সাহেব হাফি পাকিস্তান, বাদ জুম্মা মাওলানা ওমর খতিব সাহেব হাফিঃ জর্ডান, বাদ আছর
হাফেজ মাওলানা জুবায়ের সাহেব, বাংলাদেশ, বাদ মাগরিবঃ মাওলানা আহমদ লাট সাহেব হাফিঃ।
হিন্দুস্তান।

আগামী শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া আলমী শূরার ইজতেমায় সারাদেশ থেকে আগত মুসল্লিদের সুবিধার্থে টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে জেলাভিত্তিক খিত্তা নম্বর ও ম্যাপ নির্ধারণ করা হয়েছে।

আলমী শূরার ইজতেমায় অংশ নেওয়া তাবলিগের সাথীরা যে সমস্ত খিত্তায় অবস্থান করবেন তা হলো- গাজীপুর (খিত্তা-১), টঙ্গী (খিত্তা-২, ৩ ও ৪), মিরপুর (খিত্তা-৫-৬), সাভার (খিত্তা-৭-৮), মোহাম্মদপুর (খিত্তা-৯), কেরানীগঞ্জ (খিত্তা-১০-১১), কাকরাইল (খিত্তা-১২,১৩,১৪,১৫, ১৮,২০, ২১), যাত্রাবাড়ী (খিত্তা-১৬,২৬,২৮), ডেমরা (খিত্তা-১৭) ধামরাই (খিত্তা-২৭), দোহার (খিত্তা-৩০)।
রাজশাহী (খিত্তা-১৯), চাঁপাইনবাবগঞ্জ (খিত্তা-২২), নাটোর (খিত্তা-২৪), নওগাঁ (খিত্তা-২৩), নড়াইল (খিত্তা-৪০), সিরাজগঞ্জ (খিত্তা-২৯), টাঙ্গাইল (খিত্তা-২৫)।
রংপুর (খিত্তা-৩১), গাইবান্ধা (খিত্তা-৩৪), লালমনিরহাট (খিত্তা-৩৬), মুন্সীগঞ্জ (খিত্তা-৪১), যশোর (খিত্তা-৪৬), নীলফামারী (খিত্তা-৩২), বগুড়া (খিত্তা-৩৫), জয়পুরহাট (খিত্তা-৩৩), নারায়ণগঞ্জ (খিত্তা-৩৮-৩৯),
ফরিদপুর (খিত্তা-৬২), ভোলা (খিত্তা-৪৪), নরসিংদী (খিত্তা-৪৫), সাতক্ষীরা (খিত্তা-৪৭), বাগেরহাট (খিত্তা-৪৮), কুষ্টিয়া (খিত্তা-৫৪), মেহেরপুর (খিত্তা-৪৭), চুয়াডাঙ্গা (খিত্তা-৪৯), ময়মনসিংহ (খিত্তা-৫৫,৫৩), শেরপুর (খিত্তা-৫৬), জামালপুর (খিত্তা-৫১,৫২), গোপালগঞ্জ (খিত্তা-৫৯), কিশোরগঞ্জ (খিত্তা-৫৮), নেত্রকোনা (খিত্তা-৫৭), ঝালকাঠি (খিত্তা-৪৩), বান্দরবান (খিত্তা-৫৭), বরিশাল (খিত্তা-৪২)।
পিরোজপুর (খিত্তা-৬৫), হবিগঞ্জ (খিত্তা-৬৬), কক্সবাজার (খিত্তা-৬৪), সিলেট (খিত্তা-৬৭), সুনামগঞ্জ (খিত্তা-৬৮), ফেনী (খিত্তা-৬৯), নোয়াখালী (খিত্তা-৭০), লক্ষ্মীপুর (খিত্তা-৭১), চাঁদপুর (খিত্তা-৭২), ব্রাহ্মণবাড়িয়া (খিত্তা-৭৩)।ি
খুলনা (খিত্তা-৭৪), পটুয়াখালী (খিত্তা-৭৫), বরগুনা (খিত্তা-৭৬), চট্টগ্রাম (খিত্তা-৭৭-৭৮), কুমিল্লা (খিত্তা-৭৯), মৌলভীবাজার (খিত্তা-৭৬), রাজবাড়ী (খিত্তা-৯০), মাদারীপুর (খিত্তা-৮৮), শরীয়তপুর (খিত্তা-৮৯), মানিকগঞ্জ (খিত্তা-৮৫), রাঙ্গামাটি (খিত্তা-৮১), দিনাজপুর (খিত্তা-৩৭), পাবনা (খিত্তা-৮৪), পঞ্চগড় (খিত্তা-৮৭)
