শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন
ফুটপাত দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ হাজার হাজার দোকান। মিরপুর ১০ নাম্বার থেকে এক নম্বর পর্যন্ত ফুটপাতে হাঁটার কোন ব্যবস্থা নেই, মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ দেখিও না দেখার ভান করছেন উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ঠিক চতুর্পাশে গড়ে উঠেছে অবৈধভাবে অর্ধশতাধিক দোকান, অন্যদিকে মিরপুর ১০/১১ মেট্রো স্টেশনে উঠা-নামা করা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। ফুটপাতের দোকানের কর্মচারীরা মহিলা যাত্রীদেরকে বিভিন্ন রকম যৌন হয়রানি ও অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি মূলক কথাবার্তা বলে, শিশ বাজায় , এতে করে মহিলা যাত্রীরা বিব্রত বোধ করেন।

এই সমস্ত দোকানের খোজ খবর নিয়ে জানা যায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ফুটপাত ব্যবসায়ী বলেন স্থানীয় নেতা ও পুলিশের সহায়তাই চলছে এই ব্যবসা । সেইজন্য পুলিশ ও স্থানীয় নেতারকে প্রতিদিন চাঁদা দিতে হয়, যাত্রীদের মধ্যে অনেক পর্যটক ও আছে যারা দিয়াবাড়ি উত্তরা মিরপুর, ফার্মগেট ও মতিঝিল আসা যাওয়া করেন এই সমস্ত হকারদের কারণে বিদেশিদের কাছে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে মাঝেমধ্যে অনেক পর্যটকদের এই সমস্ত হকার্স মার্কেটের ফটো তুলে নিতেও দেখা যাচ্ছে ফুটপাত দিয়ে হাঁটার কোন ব্যবস্থা নাই। এ ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কোন মাথা ব্যথা নেই। ফুটপাতে বসা হকারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছে সুশীল সমাজ। বেহাল দশা ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের ডানদিকে তেজগাঁও কলেজের দিকে চলাচলে রাস্তায় অংশে জনসাধারণ নির্বিঘ্নে পেশাব পায়খানা করছে। পাগল ও নেশাগ্রস্থদের অভয় আশ্রমে পরিণত হয়েছে দিন দুপুরেই তারা জনসম্মুখে মাদক সেবন করছে। বিশাল এলাকা জুড়ে হয়েছে ময়লা আবর্জনার স্তপ, মেট্রোরেল আমাদের জাতীয় সম্পদ।এই সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। আসুন আমরা সকলে সমবেত হয়ে দেশের সম্পদকে রক্ষা করি, এবং সমাজকে সুসজ্জিত করি, রাষ্ট্রীয় সম্পদকে কেউ অন্যায় ভাবে গ্রাস করতে চাইলে আমরা সকলে মিলে প্রতিহত করি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। দখলমুক্ত ফুটপাত চাই এ দাবি সুশীল সমাজের।
নিজস্ব প্রতিনিধি
লায়ন মুহাম্মদ বিল্লাল হোসেন পাটওযরী (বাহার)
©