মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম
মাগুরায় শ্রীপুর উপজেলায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালি বিজ্ঞানের জয়যাত্রা: মিরপুরে প্যারাডাইজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে বিজ্ঞান মেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত মাগুরায় চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা চুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাগুরার শ্রীপুরে নবাগত ইউএনও’র সাথে প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রধান আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন মাগুরার অ্যাড. কাজী আব্দুর রশিদ Five Historic Challenges Facing Tarique Rahman* *— Professor M. A. Barnik তারেক রহমানের পাঁচটি ঐতিহাসিক চ্যালেঞ্জ* *— অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় শিশু একাডেমির আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন   মাগুরায় আর্দশ শিক্ষক ফেডারেশনের আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত মাগুরায় ৮ হাজার ইয়াবা ও নারীসহ ৩ মাদক কারবারি আচক! টাকা ও বাইক জব্দ!

নিউইয়র্কের আকাশে তিনটি তারা* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক*

সংবাদদাতা / ৩৮৮ বার ভিউ
সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন

*নিউইয়র্কের আকাশে তিনটি তারা*
*—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক*

নিউইয়র্কের ব্যস্ত নগরজীবন—কংক্রিট, কোলাহল আর অদৃশ্য প্রতিযোগিতার এক অনন্ত স্রোত। সেই স্রোতের মাঝেই সাকি যেন এক দৃঢ়চেতা নাবিক, যিনি ২০০৯ সালের ডিভি জয়ের স্বপ্নপাখা মেলে পাড়ি জমান United States-এ। শুরুটা ছিল অনিশ্চয়তায় ভরা, কিন্তু অধ্যবসায় আর বিশ্বাসের শক্তিতে তিনি গড়ে তুলেছেন একটি উষ্ণ, স্নেহময় পরিবার—যেখানে ভালোবাসা ও আদর্শ পাশাপাশি হাঁটে।
জয়নব, তার জীবনের সবচেয়ে কোমল অধ্যায়। তিনি শুধু একজন স্ত্রী নন, বরং পরিবারের নৈতিক দিকনির্দেশনা। তার আচরণে যেমন মমতা, তেমনি শালীনতার দৃঢ়তা। আধুনিকতার ঢেউয়ের মাঝেও তিনি সন্তানদের শেখান—নিজেকে হারিয়ে নয়, নিজেকে ধরে রেখেই এগোতে হয়।
তাদের তিন কন্যা—শিফা, সাফা ও সারা—এই পরিবারের তিনটি আলোকবর্তিকা। শিফা, বড় মেয়ে, যেন চিন্তার গভীরতায় ডুবে থাকা এক ছোট্ট দার্শনিক; বইয়ের পাতায় সে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে। সাফা, প্রাণচঞ্চল—তার হাসি যেন ঘরের প্রতিটি কোণকে আলোকিত করে তোলে। আর সারা, সবচেয়ে ছোট—নির্মলতার প্রতীক, যার নীরব উপস্থিতিও যেন এক অদ্ভুত শান্তি এনে দেয়।
একদিন বিকেলে পার্কে হাঁটতে গিয়ে সাকি হেসে বললেন, “আমার সংসারটা আসলে একটা ছোট সংসদ—তিনজন মন্ত্রী, আর আমি শুধু প্রশ্নের উত্তর দিই!” জয়নব মুচকি হেসে উত্তর দিলেন, “মন্ত্রী না, ওরা তোমার ভবিষ্যৎ শিক্ষক।”
হঠাৎ এক সন্ধ্যায়, জানালার পাশে বসে শিফা আকাশের দিকে তাকিয়ে বলে, “আব্বু, আমরা কি কখনো হারিয়ে যাব?” সাকি মৃদু হাসলেন, আর জয়নব তার মাথায় হাত রেখে বললেন, “না মা, যারা নিজের পথ চেনে, তারা কখনো হারায় না।” সেই মুহূর্তে যেন সময় থমকে দাঁড়ায়, আর ভালোবাসা নিঃশব্দে ঘর ভরে দেয়।

*এক ছাদের নিচে সাকি-জয়নবের প্রাণ,*
*শিফা, সাফা, সারা—তিনটি স্বপ্নের গান,*
*পাঁচটি হৃদয় বোনা ভালোবাসার আলো,*
*একই আকাশে জ্বলে তাদের স্বপ্ন সুখের ভালো।*

রাত গভীর হলে, শহরের আলো যখন ধীরে ধীরে নিভে আসে, তখন এই ছোট্ট পরিবারটি আরও কাছাকাছি সরে আসে—যেন পাঁচটি তারা একই নক্ষত্রপুঞ্জে বাঁধা। তাদের হাসি, তাদের দুঃখ, তাদের স্বপ্ন—সব মিলিয়ে তারা একে অপরের আশ্রয় হয়ে ওঠে।
দিন যায়, সময় বদলায়, শহরের রঙ পাল্টায়—কিন্তু এই পরিবারের বন্ধন ঠিক তেমনই অটুট থাকে, যেমন ঝড়ের মাঝেও শেকড়ে আঁকড়ে থাকা এক পুরনো বটগাছ। তাদের ভালোবাসা যেন নিভু নিভু প্রদীপ নয়, বরং বাতাসের সঙ্গে লড়াই করে জ্বলে থাকা দীপশিখা; আর তাদের আদর্শ—অন্ধকার আকাশে পথ দেখানো ধ্রুবতারা, যা হারিয়ে যেতে দেয় না কোনো পথিককে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]