বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম
মাগুরায় লক্ষাধিক শিশুকে হাম রুবেলার টিকা দেয়া হবে ইরানে ট্রাম্পের নৌ-অবরোধের ব্যর্থতা ও ইসলামাবাদে নতুন কূটনৈতিক অধ্যায়* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন মাগুরার শ্রীপুরে জামায়াতে ইসলামীর দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত যুবদল নেতা ফয়েজ মোল্লার, ঢামেকে খোঁজ নিলেন ব্যারিস্টার মাহাবুব উদ্দিন খোকন এমপি বাংলাদেশের জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল একুশে টিভি’র ২৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সুশীল ফোরামের শুভেচ্ছা In Reverence and Remembrance ‘Abdul Hye—Professor M A Barnik সুপ্রিয় আবদুল হাইকে হারালাম—অধ্যাপক এম এ বার্ণিক নোয়াখালী-১ আসনে ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের বিজয়ে সুশীল ফোরামের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রাজউক কর্মকর্তা গ্রেফতার: নারী সাংবাদিক হেনস্তা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা

বুয়েট সনি হত্যার মামলার আসামি মুশফিক উদ্দীন টগর, ১টি রিভলবার, ১৫৬ রাউন্ড গুলি সহ, গ্রেফতার করেছে র‍্যব

সংবাদদাতা / ১২৫ বার ভিউ
সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন

আলো নিউজ ডেক্সঃ

মুশফিক উদ্দীন টগর (৫০) কে র‌্যাব গ্রেফতার করেছে র‍্যব। সে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী সাবেকুন নাহার সনি হত্যার মামলার আসামি। দীর্ঘ কারাভোগ পর মুক্তি পাওয়া

গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবা ঢাকার আজিমপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
এসময় টগরের কাছ থেকে ১টি রিভলবার ও ১৫৬ রাউন্ড গুলি সহ আটক করে র‌্যাব। এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ হলের এক সময়ের ছাত্রদল নেতা টগরকে গ্রেফতারের বিষয়টি র‌্যাব গণমাধ্যম কর্মীদের হোয়াটসআপ গ্রুপে তথ্য জানানো হয়।
২০০২ সালের ৮ জুন বুয়েট ছাত্রদলের তৎকালীন সভাপতি মোকাম্মেল হায়াত খান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হলের তৎকালীন ছাত্রদল নেতা মুশফিক উদ্দিন টগর গ্রুপের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে নিহত হন সনি।

বিষয়টি টেন্ডার নিয়ে ওই সংঘর্ষ ঘটে, বুয়েটের কেমিপ্রকৌশল বিভাগের ১৯৯৯ ব্যাচের ছাত্রী সাবেকুন নাহার সনি সেদিন ক্লাস শেষে বুয়েটের হলে ফিরারর সময়, গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এই ঘটনার হওয়ার পর সারা দেশে গণ আন্দোলন ঘটে ।
এই ঘটনায় আদালত সনি হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করে ২৯ জুন ২০০৩ সালে। রায়ে ছাত্রদলের নেতা মুশফিক উদ্দিন টগর, মোকাম্মেল হায়াত খান ওরফে মুকিত ও নুরুল ইসলাম ওরফে সাগরকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করে আদালত । এ ছাড়া আরও পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করে আদালত ।
পরবর্তীতে ১০ মার্চ, ২০০৬ সালের মৃত্যুদ-প্রাপ্ত তিনজনের আসামির সাজা কমিয়ে তাঁদেরও যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাদান করে উচ্চ আদালত। পাশাপাশি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া ৫ আসামির মধ্যে দুই জনকে খালাস দেন আদালত । ওই হত্যা ঘটনায় ৬ আসামির মধ্যে চারজন এখনো কারাগারে আছেন। এখনো মোকাম্মেল ও নুরুল পলাতক রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]