শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০০ অপরাহ্ন

শিরোনাম
মাগুরার শ্রীপুরে পাম্পে ড্রামে তেল দেওয়ার ভিডিও ধারণ,সাংবাদিককে মারধর করলো পুলিশ! উক্ত পুলিশ ক্লোজ! *ফিল্ড মার্শালের ইটে-ইটে গড়া শান্তির দেয়াল* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় জেলা পর্যায়ে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন মাগুরার খামারপাড়া এস এ আই সিনিয়র মাদ্রাসায় বিদায় সংর্বধণা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মাগুরায় সুমন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন! বিস্তারিত জানালেন পুলিশ সুপার মাগুরায় লক্ষাধিক শিশুকে হাম রুবেলার টিকা দেয়া হবে ইরানে ট্রাম্পের নৌ-অবরোধের ব্যর্থতা ও ইসলামাবাদে নতুন কূটনৈতিক অধ্যায়* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন মাগুরার শ্রীপুরে জামায়াতে ইসলামীর দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

টাকায় সব মেলে গোদাগাড়ী সমবায় অফিসে :-

সংবাদদাতা / ৪০৫ বার ভিউ
সময়ঃ শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০০ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক :-

টাকা দিলেই অনিয়মকে নিয়মে পরিনত করেন গোদাগাড়ী সমবায় অধিদপ্তরের অফিস সহকারী মোস্তাফিজুর রহমান। আর টাকা না দিলেই ফাইল আটকে রাখেন বছরের পর বছর। কথিত মৎস্য চাষী, মৎস্যজীবিদের পুজি করেই চলে তার ঘুষ বানিজ্য। প্রকৃত জেলে, মাছ চাষী ছাড়াও যে কেউ টাকা দিলেই প্রত্যায়ন দেন মোস্তাফিজুর।উপ- আইন বহি বাইরে কপি দেওয়ার বিষয়ে অফিসের নিষেধ থাকলেও টাকার বিনিময়ে কপি বিলি করেন তিনি।

মোস্তাফিজুর নাচোল উপজেলায় চাকুরীতে থাকাকালীন বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন।ডিসিআর জালিয়াতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়।এসময় আটক হয়ে ২ দিন জেল খাটে মোস্তাফিজুর। ৭ মাস সাসপেন্সনে ছিলেন ২০২৪ সালে অভিযুক্ত ঐ মামলায়।অভিযোগের ফলে তার বদলি হয় সিরাজগঞ্জ এলাকায়।সেখান থেকে ততকালীন আওয়ামী লীগের এমপি ওদুদ দারাকে দিয়ে তদবির করিয়ে বদলি নেন গোদাগাড়ী উপজেলায়।

গোদাগাড়ীতপ এসেও তার ঘুষ বানিজ্য থামেনি।এই অফিসটিও তার নিজের কব্জায় নিয়েছেন তিনি।মোস্তাফিজুর এককভাবে শুক্রবারেও অফিস করে থাকেন। তার নিজস্ব লোকজনের কাজ করে দেওয়ার জন্যই তিনি শুক্রবারেও অফিস করেন।

মোস্তাফিজ পুকুর দেওয়ার কথা বলে পুকুর প্রতি নেন ৩ হাজার টাকা। সমিতি রেজিষ্ট্রেশন করে দিয়ে সমিতি প্রতি ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা। প্রত্যায়ন নিতে ৮০০ থেকে ১ হাজার, উপ- আইন কপি নিতে ৪ শ থেকে ৫ শ টাকা নিয়ে থাকেন তিনি।
কেশবপুর এলাকার আলমগীরকে মৎস্য সমিতি করে দেওয়ার কথা বলে ৩৫ হাজার টাকা নেন কয়েক দফায়।
রাজাবাড়ী এলাকার হাজিকুকে প্রত্যায়ন দেওয়ার কথা বলে ২ টি প্রত্যায়নে মোট ১৪ শ টাকা নিয়েছেন। উপ আইনের কপি দিতে নিয়েছেন ৪ শ টাকা।
অভিযোগ কারী মাধবপুর এলাকার মৎস্যচাষী শহিদুল ইসলাম মেম্বার বলেন,মোস্তাফিজ আমার কাছে ১৪ শ টাকা নিয়েছেন দুটি প্রত্যায়নে। হাটপাড়ার মৎস্যচাষী রাসেল আলীও দিয়েছেন ১ হাজার টাকা।
কুঠিপাড়া এলাকার মৎস্যচাষী সুমন আলী বলেন, গত ২৩ এপ্রিল প্রত্যায়ন দেওয়ার কথা বলে ৩ হাজার টাকা নেয় আমার কাছে।পরে প্রত্যায়ন দিতে দেরি করায় আমি টাকা ফেরত নিয়েছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অফিস সহকারী মোস্তাফিজুর রহমান সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]