মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
35 Thermonuclear Bombs in Iran’s Possession: Russia’s Claim Sends Shockwaves Through Global Politics— Professor M. A. Barnik ব্যাংক ম্যানেজারের উপর হামলা ও হত্যার প্রতিবাদে নবীনগরে মানববন্ধন  মাগুরার শ্রীপুরে রাস্তার বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে! ইরানের হাতে ৩৫টি থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা: রাশিয়ার দাবিতে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন ভূমিকম্প—অধ্যাপক এম এ বার্ণিক মাগুরায় অনলাইন জুয়া চক্রের মাস্টার মাইন্ড আমিনুল গ্রেফতার! মাগুরায় কৃষি কর্মকর্তাকে ঝুলিয়ে পেটানোর হুমকি! যুবদল নেতা বহিস্কার! বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে বাংলাদেশ সুশীল ফোরামের শোক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই-(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।) সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের ইন্তেকাল( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)” বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাইবার ইউজার দল (বিএনসিইউপি) শোক মাগুরায় জামায়াত মনোনীত উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো: আজমত হোসাইনের নির্বাচনী বিলবোর্ড চুরির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

ড. মুহম্মদ ইউনূস কোন কাজটি আগে করবেন? — অধ্যাপক এম এ বার্ণিক

সংবাদদাতা / ২২৭ বার ভিউ
সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন

১. ভূমিকা:

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অচলাবস্থার দিকে এগোচ্ছে। বিপ্লব-পরবর্তী সরকারে নেতৃত্ব গ্রহণ করেছেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহম্মদ ইউনূস। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ, বিশেষত ২৮ আগস্ট ভিপি নূরের উপর সেনাবাহিনীর অতর্কিত হামলার ঘটনা, প্রমাণ করে যে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তাঁর হাতে নেই।

২. সেনাবাহিনী ও রাষ্ট্রপতির ভূমিকা :

ঘটনার পর সরকারি প্রেসবিজ্ঞপ্তি ও আইএসপিআর-এর ভাষ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়—

সেনাবাহিনী বর্তমানে সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।

সেনাবাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর অধীনে, অথচ তিনি পতিত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার এক ‘পুতুল রাষ্ট্রপতি’।

একই চিত্র প্রশাসন ও বিচার বিভাগেও—যা শেখ হাসিনার দীর্ঘমেয়াদি ফ্যাসিবাদী সেট-আপের আওতাধীন।

ফলে রাষ্ট্রের কোনো কেন্দ্রীয় অঙ্গনেই ড. ইউনূসের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

৩. নিয়ন্ত্রণ না থাকার মূল কারণ: বৈধতার সংকট :

ড. ইউনূসের এই নিয়ন্ত্রণ-শূন্যতার মূল কারণ হলো তাঁর বৈধতার অভাব। বৈধতা ছাড়া তিনি রাষ্ট্রযন্ত্রে পূর্ণ কর্তৃত্ব আরোপ করতে পারছেন না। এই বৈধতা নিশ্চিত না হলে আসন্ন নির্বাচনও হয়ে উঠবে “হযবরল নির্বাচন”—যেখানে সরকারের সিদ্ধান্ত কার্যকর করার সক্ষমতা থাকবে না।

৪. অগ্রাধিকার প্রশ্ন: নির্বাচন না রাষ্ট্রকাঠামো পরিবর্তন:

এখন মৌলিক প্রশ্ন দাঁড়ায়:
ড. মুহম্মদ ইউনূস কি আগে নির্বাচন করবেন, না রাষ্ট্রকাঠামো পুনর্গঠন করবেন?

যদি তিনি সরাসরি নির্বাচন আয়োজন করেন, তবে সেই নির্বাচন বৈধতা সংকটের কারণে অকার্যকর হবে।

নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তরের আগে তাঁকে বিপ্লবোত্তর সরকারের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে হবে।

বৈধ রাষ্ট্র কাঠামো নির্মাণের জন্য “জুলাই সনদ”, গণপরিষদের নির্বাচন এবং নতুন সংবিধান রচনা অপরিহার্য।

৫. সমাধান ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশ:

ড. মুহম্মদ ইউনূসের সামনে দুটি পথ খোলা:

(১). নির্বাচন দিয়ে সরে যাওয়া:
এতে তিনি রাষ্ট্রযন্ত্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই তড়িঘড়ি নির্বাচন করবেন, কিন্তু ফলাফল হবে বিভ্রান্তি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা।

(২). রাষ্ট্রকাঠামো পুনর্গঠন করে বৈধতা অর্জন:

জুলাই সনদের স্বীকৃতি,

গণপরিষদ নির্বাচন,

নতুন সংবিধান প্রণয়ন।

এই ধাপগুলো সম্পন্ন হলে তাঁর নেতৃত্বের শক্তিশালী অবস্থান তৈরি হবে। তখন তাঁর কমান্ড রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতিটি অংশে কার্যকর হবে, সেনাবাহিনীসহ সকলেই তা মানতে বাধ্য হবে।

৬. উপসংহার :

অতএব, ড. মুহম্মদ ইউনূসের আগে রাষ্ট্রকাঠামো পুনর্গঠনকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
কারণ নির্বাচনের বৈধতা নির্ভর করছে তাঁর নেতৃত্বের বৈধতার উপর। বৈধতা ছাড়া নির্বাচন মানে অরাজকতা; বৈধতা নিশ্চিত করলে নির্বাচন হবে স্থিতিশীল ও কার্যকর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]