শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৪ অপরাহ্ন
আলো নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা
দীর্ঘ ৮ বছর পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উদ্দ্যোগে দেশের জাতীয় নেতৃবৃন্দের সম্মানে ইফতার মাহফিল আয়োজন করে এতে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের কেন্দীয় বিভিন্ন পর্যয়ের দায়িত্বশীল।
গত ২৮ শে মার্চ ২০২৪ ইং শনিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিপিক সোনারগাওঁ হোটেলের বলরুমে দীর্ঘ ৮ বছর পর দেশের জাতীয় নেতৃবৃন্দের সন্মানে ইফতার মাহফিল আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ।
এর আগে সর্বশেষ ২০১৫ সালে হোটেল সোনারগাঁওয়ে জামায়াতের ইফতারে গিয়ে ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এর পরের বছরে জামায়াতের ইফতার পুলিশি বিধিনিষেধে বাতিল হয়। এরপর বড় আকারে ইফতার অনুষ্ঠান করতে দেখা যায়নি।
শনিবারের ইফতার মাহফিল জামায়াতে আমির ডা. শফিকুর রহমান সভাপত্বিতে ও ও প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয় ।

এদিক সভাপতিত্বের বক্তব্য ডা. শফিকুর রহমান বলেন বিনা সংগ্রামে কোন মুক্তি আসে না, এ জাতিকে মুক্তির জন্য আরেকটিবার বুক সটান করে রুখে দাঁড়াতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এখন যারা ক্ষমতায় আছেন আমরা তাদের শত্রু নই। আমরা দোয়া করি আল্লাহ যেন তাদেরকে হেদায়েত দান করুন । আমাদের ওপর আঘাত এলে তার প্রতিরোধ করার দায়িত্ব, অধিকার আমাদের আছে। কেউ পায়ে পারা দিয়ে বিবাদ করতে এলে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। আর সরকারী দলের লোকেরা যদি রাজনীতি করার অধিকার থাকে তাহলে দেশের সকল নাগরিক সাংবিধানিক ভাবে সে অধিকার রাখে। আল্লাহ যেন আমাদেরকে ইহকাল ও পরকালে মুক্তি দান করুন। আমিন
তিনি আরও বলেন, আজকে বিগত আটটি বছর আমরা সকলে মিলে ইফতার মাহফিলের সুযোগ পাইনি। আমাদেরকে দেওয়া হয় নাই। আজকের ইফতার আয়োজন নিয়েও প্রতিকূলতা ছিল।
তিনি আরো বলেন, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে লড়াই করতে গিয়ে যারা জীবন দিয়েছেন আল্লাহ যেন তাদেরকে শহীদ হিসেবে কবুল করেন। আমাদের অসংখ্য সহকর্মী জেলে জুলুমের শিকার এবং আনেককে শহীদ কারা হয়েছে ।
এই সরকারের থেকে সাত বছরের শিশুও রেহাই পায়নি। আমরা মনে করি সবকিছুর একটা সীমা আছে। কেউ চূড়ান্ত ক্ষমতা দখল রাখতে পারে না।
ইফতারে একই টেবিলের বসে ইফতার করেন জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান, এলডিপি সভাপতি অলি আহমেদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু
ইফতারে অংশ নেওয়া বিএনপির প্রতিনিধি দলের অন্য নেতারা হলেন ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, জয়নাল আবেদিন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, মজিবুর রহমান সারওয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, আইনবিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল, মিডিয়া সেলের জহির উদ্দিন স্বপন ও শায়রুল কবির খান। এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, মো. আবদুস সালাম, অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, আতাউর রহমান ঢালী, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, মজিবুর রহমান সারোয়ার, , অপর্ণা রায়, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, মুক্তিযোদ্ধা দলের ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম।
জামায়াতের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, আনম শামসুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম খান, হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আব্দুল হালিম, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল, শাহজাহান চৌধুরী, নূরুল ইসলাম বুলবুল, মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ, আবদুর রব, মোবারক হোসাইন, আবদুর রহমান মূসা, আবদুস সবুর ফকির, এডভোকেট হেলাল উদ্দিন, ড. রেজাউল করিম, ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, মো. দেলাওয়ার হোসাইন, আব্দুল জব্বার, মাহফুজ, জহির উদ্দিন বাবর, কেরামত আলী, মরহুম দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী ও শামীম সাঈদী, শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম
রাজনৈতিক নেতাদের মধ্য বিকল্প ধারা বাংলাদেশের অধ্যাপক ড. নূরুল আমিন বেপারী ও শাহ আহমেদ বাদল, জাগপার সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, জাতীয় পার্টির (জাফর) আহসান হাবিব লিংকন, বাংলাদেশ ন্যাপের এমএন শাওন সাদেকী, এনপিপির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, গণদলের এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী, বাংলাদেশ জাতীয় দলের এডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা, বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাগপার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির লায়ন ফারুক রহমান, এনডিপির ক্বারী আবু তাহের, গণঅধিকার পরিষদের একাংশের নূরুল হক নূর, অপর অংশের ফারুক হাসান, ইসলামী ঐক্যজোটের অধ্যাপক আবদুল করিম, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের জাকির হোসেন খান, বাংলাদেশ ন্যাপের গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, এবি পার্টির যোবায়ের আহমেদ ভুইয়া, এনডিএম‘র ববি হাজ্জাজ, বাংলাদেশ ন্যাপের এডভোকেট আজহারুল ইসলাম, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান।
ল
বিশিষ্টজনদের মধ্যে অধ্যক্ষ যাইনুল আবেদীন, অধ্যাপক ড. আবদুর রব, ড. আবদুল লতিফ মাসুম, অধ্যাপক আতাউর রহমান বিশ্বাস, অধ্যাপক আমিনুর রহমান মজুমদার, অধ্যাপক শামসুল আলম, সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজী, কামাল উদ্দিন সবুজ, সৈয়দ আবদাল আহমদ, বাছির জামাল, ডিইউজের সভাপতি মোঃ শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলমসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন।