মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মাগুরায় শ্রীপুর উপজেলায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালি বিজ্ঞানের জয়যাত্রা: মিরপুরে প্যারাডাইজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে বিজ্ঞান মেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত মাগুরায় চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা চুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাগুরার শ্রীপুরে নবাগত ইউএনও’র সাথে প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রধান আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন মাগুরার অ্যাড. কাজী আব্দুর রশিদ Five Historic Challenges Facing Tarique Rahman* *— Professor M. A. Barnik তারেক রহমানের পাঁচটি ঐতিহাসিক চ্যালেঞ্জ* *— অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় শিশু একাডেমির আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন   মাগুরায় আর্দশ শিক্ষক ফেডারেশনের আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত মাগুরায় ৮ হাজার ইয়াবা ও নারীসহ ৩ মাদক কারবারি আচক! টাকা ও বাইক জব্দ!

ভাষাশহিদ অহিউল্লাহ’কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিন—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক

সংবাদদাতা / ১৯২ বার ভিউ
সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন

ঢাকা, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ঐতিহাসিক রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের গবেষক ও জ্ঞানভিত্তিক সামাজিক আন্দোলনের সভাপতি অধ্যাপক এম এ বার্ণিক এক বিবৃতিতে শিশু ভাষাশহিদ অহিউল্লাহ’কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দানের দাবি জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন যে, ভাষা-আন্দোলনের ৭৩ বছর পরও ৬ জন জ্ঞাত ভাষাশহিদের মধ্যে একজন শিশু ভাষাশহিদ অহি উল্লাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দান না-করার অর্থ হলো, জাতীয় এই বীরের প্রতি চরম অবজ্ঞা প্রদর্শন। তাই তিনি শহিদ অহি উল্লাহকে ২০২৫ সালের একুশে পদকে ভূষিত করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, জ্ঞাত ভাষাশহিদ ৬ জনের মধ্যে অহি উল্লাহ ব্যতীত বাকি ৫ জনকে অর্থাৎ রফিক, বরকত, সালাম, সফিউর ও জাব্বারকে ইতোমধ্যে একুশে পদকে অলংকৃত করা হয়েছে।

অধ্যাপক বার্ণিক এপ্রসঙ্গে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারিতে পুলিশের গুলি ও হতাহতের ঘটনার প্রতিবাদে ২২ ফেব্রুয়ারিতে ছাত্রজনতার শোকমিছিল ঢাকার নবাবপুর রোড অতিক্রম করার সময় পুলিশ গুলি চালায়। এসময় শফিউর রহমান ও শিশু অহি উল্লাহ গুলিবিদ্ধ হন। অহি উল্লাহ ঘটনাস্থলেই মারা যান। এই দুজন শহিদের মধ্যেও শফিউরকে স্বীকৃতি দেয়া হলো, অহি উল্লাহকে অবজ্ঞা করা হলো।
অহি উল্লাহ’র পিতা হাবিব উল্লাহ একজন রাজমিস্ত্রী ছিলেন। ১৫২ নং সুরিটোলাস্থ বাড়িতে তারা বসবাস করতেন।
বাংলা অ্যাকাডেমি চত্বরে “মোদের গরব” শিরোনামে ভাষাশহিদদের যে মুরাল স্থাপন করা হয়েছে, সেখানেও অহি উল্লাহ’কে স্থান দেয়ার দাবি জানিয়ে ভাষা-আন্দোলন মিউজিয়ামের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম এ বার্ণিক বলেন, তাঁরই (এমএ বার্ণিকের) উদ্যোগে ভাষা-আন্দোলন মিউজিয়ামে ২০০৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আর্টিস্ট শ্যামল বিশ্বাসকে দিয়ে বর্ণনাভিত্তিক তথ্যের আলোকে ভাষাশহিদ অহিউল্লাহ’র ছবি আঁকা হয়, যা বর্তমানে প্রচলিত রয়েছে এবং ইন্টারনেটেও পাওয়া যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]