বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫২ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক :-
এক সময়ের ভূমিদস্যু ও প্রতারক ১ নং গোদাগাড়ী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন সেন্টু মাস্টার এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। পতিত সরকারের আমলে ভূমি দখল, চাকরী দেওয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার মত অপরাধ করেও আইনের আওতায় আসেননি তিনি। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী বলছেন, সেন্টু মাস্টার আওয়ামী লীগের আমলে ক্ষমতার অপব্যবহার করেও কিভাবে প্রকাশ্যে চলাফেরা করে? সে তার পদের ক্ষমতায় বিগত সরকারের নির্বাচনে ভিন্ন মতের ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে দেয়নি। তারা নিজের ইচ্ছামত নির্বাচন করেছেন। নিজেদের প্রার্থীকে ভোট ছাড়ায় বিজয়ী ঘোষণা করেছেন।
গোদাগাড়ী ১ নং ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন সেন্টু মাস্টার আইহাই বালিকাপাড়ার মুনসুর আলীর ছেলে। তিনি কাকনহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা বিভাগের শিক্ষক। বিগত সরকারের আমলে তিনি স্কুলে ক্লাশ না করিয়েও বেতন ভাতা তুলেছেন মর্মেও অভিযোগ রয়েছে।
এত অভিযোগের পরও কিভাবে বহাল তবিয়তে থাকেন এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী। প্রশাসনের ভুমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। এলাকাবাসী আরও বলেন, সেন্টু মাস্টার আইনি জটিলতা থেকে বাঁচতে সরকার পতনের পর চলাফেরায় পরিবর্তন এনেছেন। আগের মত ভয়ংকর রুপে না থেকে জনগণের সাথে মেশার চেষ্টা করছেন। মামলা থেকে বাঁচতেই রুপ পরিবর্তন করেছেন বলে জানিয়েছেন অনেকেই।
সভাপতি সেন্টু মাস্টার বলেন, আমি এখন আওয়ামী লীগের সাথে নাই। আমি পদত্যাগ করেছি গত ৬ ই জুলাই। আমি আর আওয়ামী লীগে থাকবো না।আমার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পুর্ন মিথ্যা।