বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
কক্সবাজার একটি শহর, মৎস্য বন্দর এবং পর্যটন কেন্দ্র। এটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলা সদরে অবস্থিত। কক্সবাজার তার নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের জন্য বিখ্যাত। এখানে রয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক বালুময় সমুদ্র সৈকত, যা ১২০ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত। এখানে রয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম সামুদ্রিক মৎস্য বন্দর। ঐতিহ্য সম্বলিত এই পর্যটন শহর থেকে আমাদের যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি।
আজ ২১ ফেব্রয়ারী ২০২৪ ইং বুধবার শহীদ মিনার পরিচিত কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করতে যাচ্ছি আমরা। যা সারাদেশের শহীদ মিনার গুলোকে একটি তালিকায় এক নজরে আনা আমাদের লক্ষ।
তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের আজকের শহীদ মিনার এবং এই কার্যক্রমের প্রথম শহীদ মিনারটি হলো বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিনের জেলা কক্সবাজারের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার।
শহীদ মিনার টি কক্সবাজারের প্রাণ কেন্দ্র শহীদ স্মরণী রোডে আবস্থিত। এই নির্মান করেন এবং জেলা পরিষদের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়।
ছবি ও তথ্য সংগ্রহেঃ ডাঃ আল হাসান মোবারক
তারিখঃ ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ ইং শুক্রবার,
আমাদের এই অভিযান উদ্দেশ্যঃ
লেখক গবেষক মরহুম এম আর মাহাবুব ভাইয়ের স্মরণে
(সাবেক পরিচালক- ভাষা আন্দোলন জাদুঘর ও গবেষণা কেন্দ্রর ঢাকা)
২০১৬ সালের শেষর দিকে কুমিল্লা সফরে সময় মাহবুব ভাই আমাকে (মোবারক) উপদেশ ও অনুপ্রেরণায় পরামর্শে দিয়ে বলেন তুমি সারা বাংলাদেশের শহীদ মিনারের তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে তা লিপিবদ্ধ করে কর। যাদুঘর থেকে সহযোগিতা কারা হবে।
মৌখিক ভাবে দ্বায়িত্ব দেন এবং বলেন তোমাকে ঢাকায় গিয়ে ভাষা আন্দোলন জাদুঘর থেকে অনুমতিপত্র দেওয়া হবে।

তারপর আমার ব্যস্ততায় ও আলস্য এবং ভাইয়ের ব্যস্ততায় দুই মিলে এই মহত গবেষণা মূলক কাজটি শুরু করতে পারি নাই।
আজ ভাই আমাদের মাঝে নাই কিন্তু রয়ে গেছে ভাইয়ের কাজ, স্মৃতি, সৃষ্টি, কথা আল্লাহ তাকে বেহেস্তের সর্ব উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন
দীর্ঘদিন চিন্তা ভাবনা, ব্যস্ততা ও জরতা থেকে বের হতে না পারাছিলাম না, তখন বড় ভাই (আল মাহাদী) বললেন শুরু কর, আল্লাহ’র নাম নিয়ে, অগোছালো হবে কিন্তু শুরু হবে, আর শুরু করলে তা গুছনো হবে একদিন তা শেষে হবে তুমি না থাকলে কেউ না কেউ এর হল ধরবেই।
সারা বাংলাদেশের তথা বিশ্বের সকল জায়গায় ভাষা সৈনিক ও মুক্তি যোদ্ধাদের স্মৃতিতে স্বগর্বে দাঁড়িয়ে থাকা শহীদ মিনার গুলো কে একটি তালিকা আনার স্বপ্ন দেখে ছিলেন এম আর মহাবুব ভাই।
মহত্ত কাজটি শুরু করতে যাচ্ছি এম আর মাহাবুব ভাই এর নামে উৎসর্গ করে।
এই বৃহৎ কাজটি শুরু করতে ইচ্ছ পোষণ করার পর থেকে আলো প্রত্রিকার আমাকে/আমাদেরকে সার্বিক সহযোগিতার করার আশ্বাস দেন। এবং সহযোগিতা করছেন।
একই সাথে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আমাদের কে সহযোগিতা জন্য আহবান জানাচ্ছি।

আমাদের এই যাত্রা অভিযানে সাধারণ মানুষও এই কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করতে পারেন।এ কাজে অংশ গ্রহনের আপনাদের যা করতে হবে।
প্রথমে নাম ঠিকানা এক কপি ছবি এবং নিজের সদ্য তোলা ছবি। দিয়ে তালিকা ভূক্ত হতে হবে।
শহীদ মিনারের ছবি যা অন্য কোন কোথাও ব্যবহার হয়নি এমন, কপিরাইট চলবে না, তথ্য সংগ্রহকারীর নামঃ ,নির্মান কাল। প্রতিষ্ঠানের নামঃ ইতিহাস সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।পাঠাবেন আমাদের কাছে।
