শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মাগুরায় জেলা পর্যায়ে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন মাগুরার খামারপাড়া এস এ আই সিনিয়র মাদ্রাসায় বিদায় সংর্বধণা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মাগুরায় সুমন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন! বিস্তারিত জানালেন পুলিশ সুপার মাগুরায় লক্ষাধিক শিশুকে হাম রুবেলার টিকা দেয়া হবে ইরানে ট্রাম্পের নৌ-অবরোধের ব্যর্থতা ও ইসলামাবাদে নতুন কূটনৈতিক অধ্যায়* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন মাগুরার শ্রীপুরে জামায়াতে ইসলামীর দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত যুবদল নেতা ফয়েজ মোল্লার, ঢামেকে খোঁজ নিলেন ব্যারিস্টার মাহাবুব উদ্দিন খোকন এমপি বাংলাদেশের জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল একুশে টিভি’র ২৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সুশীল ফোরামের শুভেচ্ছা In Reverence and Remembrance ‘Abdul Hye—Professor M A Barnik

জুলাইযোদ্ধাদের রক্তে ঝরিয়ে সনদ স্বাক্ষরের নামে কলঙ্কজনক অধ্যায়ের জন্ম —-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক

সংবাদদাতা / ৮৮ বার ভিউ
সময়ঃ শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন

২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর, জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত “জুলাই সনদ স্বাক্ষর” অনুষ্ঠানটি একটি বহুল আলোচিত আয়োজন হয়ে উঠেছে। কিন্তু এই অনুষ্ঠানের পেছনের করুণ ও লজ্জাজনক বাস্তবতা অনেককেই নাড়া দিয়েছে।

যেখানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ঘটা করে দাওয়াত দেয়া হয়, সেখানে এই দেশের জন্য রক্ত ঝরানো, অঙ্গহানির শিকার হওয়া ‘জুলাইযোদ্ধা’দের একজনকেও দাওয়াত জানানো হয়নি। যারা ২০৪১ সালের জাতির উত্তরণের পথে, অতীতে এক দুঃসাহসী ভূমিকা পালন করেছিলেন — তারাই আজ অবহেলিত, লাঞ্ছিত।

দাওয়াত না পেয়েও তারা কিছুজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত হন অনুষ্ঠানে, দেশের প্রতি তাদের দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে। কিন্তু উপস্থিত হয়েই দেখতে পান, রাষ্ট্র তাদের জন্য নয়, রাষ্ট্র এখন নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগীর। শান্তিপূর্ণভাবে উপস্থিত হওয়া ওই গুটিকয়েক জুলাইযোদ্ধাকে পুলিশ দিয়ে পেটানো হয়। আহত হন কেউ হাতহারা, কেউ পা-হারা, কেউবা চোখহারা যোদ্ধারা — যারা এক সময় জাতির জন্য নিজেদের শরীর উৎসর্গ করেছিলেন।

এই পৈশাচিক ঘটনার মাধ্যমে ১৭ অক্টোবর হয়ে উঠেছে জাতীয় জীবনের এক কলঙ্কময় অধ্যায়। ‘জুলাই সনদ’, যেটি ইতিহাসের মোড় ঘোরানোর একটি সম্ভাব্য দলিল হয়ে উঠতে পারত, সেটিই এখন রক্তমাখা একটি প্রতীক — অবিচার ও অবহেলার প্রতীক।

ড. মুহম্মদ ইউনুস, যিনি ছিলেন এই সনদের অন্যতম নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তি, তাকেও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। জুলাইযোদ্ধাদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে এই সনদে স্বাক্ষর করে তিনি নিজেকে এক কলঙ্কের অংশীদার করেছেন — এমনটাই বলছেন অনেক বিশ্লেষক।

সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে নাগরিক সমাজের অনেকে বলছেন — যে সনদ যোদ্ধাদের উপেক্ষা করে, তাদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত মূল্যবোধকে পিষে দেয়, তা টয়লেট পেপার ছাড়া আর কিছু নয়।

শেষ কথা:
১৭ অক্টোবর ২০২৫ — এই তারিখটি এখন আর কোনো আশার প্রতীক নয়। এটি এখন এক নির্মম সত্যের দিন, যেখানে জাতির যোদ্ধারা নিগৃহীত, আর তাদের বুকে লাথি মেরে উৎসব করে একদল সুবিধাভোগী। ইতিহাস এ ঘটনাকে ক্ষমা করবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]