মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মাগুরায় শ্রীপুর উপজেলায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালি বিজ্ঞানের জয়যাত্রা: মিরপুরে প্যারাডাইজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে বিজ্ঞান মেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত মাগুরায় চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা চুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাগুরার শ্রীপুরে নবাগত ইউএনও’র সাথে প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রধান আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন মাগুরার অ্যাড. কাজী আব্দুর রশিদ Five Historic Challenges Facing Tarique Rahman* *— Professor M. A. Barnik তারেক রহমানের পাঁচটি ঐতিহাসিক চ্যালেঞ্জ* *— অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় শিশু একাডেমির আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন   মাগুরায় আর্দশ শিক্ষক ফেডারেশনের আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত মাগুরায় ৮ হাজার ইয়াবা ও নারীসহ ৩ মাদক কারবারি আচক! টাকা ও বাইক জব্দ!

জুলাইযোদ্ধাদের রক্তে ঝরিয়ে সনদ স্বাক্ষরের নামে কলঙ্কজনক অধ্যায়ের জন্ম —-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক

সংবাদদাতা / ১৮৮ বার ভিউ
সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ন

২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর, জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত “জুলাই সনদ স্বাক্ষর” অনুষ্ঠানটি একটি বহুল আলোচিত আয়োজন হয়ে উঠেছে। কিন্তু এই অনুষ্ঠানের পেছনের করুণ ও লজ্জাজনক বাস্তবতা অনেককেই নাড়া দিয়েছে।

যেখানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ঘটা করে দাওয়াত দেয়া হয়, সেখানে এই দেশের জন্য রক্ত ঝরানো, অঙ্গহানির শিকার হওয়া ‘জুলাইযোদ্ধা’দের একজনকেও দাওয়াত জানানো হয়নি। যারা ২০৪১ সালের জাতির উত্তরণের পথে, অতীতে এক দুঃসাহসী ভূমিকা পালন করেছিলেন — তারাই আজ অবহেলিত, লাঞ্ছিত।

দাওয়াত না পেয়েও তারা কিছুজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত হন অনুষ্ঠানে, দেশের প্রতি তাদের দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে। কিন্তু উপস্থিত হয়েই দেখতে পান, রাষ্ট্র তাদের জন্য নয়, রাষ্ট্র এখন নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগীর। শান্তিপূর্ণভাবে উপস্থিত হওয়া ওই গুটিকয়েক জুলাইযোদ্ধাকে পুলিশ দিয়ে পেটানো হয়। আহত হন কেউ হাতহারা, কেউ পা-হারা, কেউবা চোখহারা যোদ্ধারা — যারা এক সময় জাতির জন্য নিজেদের শরীর উৎসর্গ করেছিলেন।

এই পৈশাচিক ঘটনার মাধ্যমে ১৭ অক্টোবর হয়ে উঠেছে জাতীয় জীবনের এক কলঙ্কময় অধ্যায়। ‘জুলাই সনদ’, যেটি ইতিহাসের মোড় ঘোরানোর একটি সম্ভাব্য দলিল হয়ে উঠতে পারত, সেটিই এখন রক্তমাখা একটি প্রতীক — অবিচার ও অবহেলার প্রতীক।

ড. মুহম্মদ ইউনুস, যিনি ছিলেন এই সনদের অন্যতম নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তি, তাকেও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। জুলাইযোদ্ধাদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে এই সনদে স্বাক্ষর করে তিনি নিজেকে এক কলঙ্কের অংশীদার করেছেন — এমনটাই বলছেন অনেক বিশ্লেষক।

সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে নাগরিক সমাজের অনেকে বলছেন — যে সনদ যোদ্ধাদের উপেক্ষা করে, তাদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত মূল্যবোধকে পিষে দেয়, তা টয়লেট পেপার ছাড়া আর কিছু নয়।

শেষ কথা:
১৭ অক্টোবর ২০২৫ — এই তারিখটি এখন আর কোনো আশার প্রতীক নয়। এটি এখন এক নির্মম সত্যের দিন, যেখানে জাতির যোদ্ধারা নিগৃহীত, আর তাদের বুকে লাথি মেরে উৎসব করে একদল সুবিধাভোগী। ইতিহাস এ ঘটনাকে ক্ষমা করবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]