শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন

শিরোনাম
মাগুরার শ্রীপুরে পাম্পে ড্রামে তেল দেওয়ার ভিডিও ধারণ,সাংবাদিককে মারধর করলো পুলিশ! উক্ত পুলিশ ক্লোজ! *ফিল্ড মার্শালের ইটে-ইটে গড়া শান্তির দেয়াল* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় জেলা পর্যায়ে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন মাগুরার খামারপাড়া এস এ আই সিনিয়র মাদ্রাসায় বিদায় সংর্বধণা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মাগুরায় সুমন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন! বিস্তারিত জানালেন পুলিশ সুপার মাগুরায় লক্ষাধিক শিশুকে হাম রুবেলার টিকা দেয়া হবে ইরানে ট্রাম্পের নৌ-অবরোধের ব্যর্থতা ও ইসলামাবাদে নতুন কূটনৈতিক অধ্যায়* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন মাগুরার শ্রীপুরে জামায়াতে ইসলামীর দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আইসিইউ-তে মুমূর্ষু খালেদা জিয়ার আর্তনাদের ভূমিকম্প — পাশে নেই তারেক রহমান —–অধ্যাপক এম এ বার্ণিক

সংবাদদাতা / ১৬২ বার ভিউ
সময়ঃ শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন

১. ডা. জাহিদ হোসেনের নিষ্ঠুরতার শিকার বেগম খালেদা জিয়া :

বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে আজ এক অবর্ণনীয় বিষাদের স্রোত বইছে।
যে নারী গণতন্ত্রের রণাঙ্গনে জীবনের প্রতিটি দিন সংগ্রাম করেছেন, যে নারী দেশমাতৃকা হয়ে কোটি মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন—আজ তিনি মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে।
বেগম খালেদা জিয়া, নিথর, অসহায়, ভগ্ন শরীর নিয়ে শুয়ে আছেন এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিইউ-তে।
তার প্রতিটি নিঃশ্বাস যেন আর্তনাদ—
“আর পারছি না…”

কিন্তু এই ভয়াবহ অবস্থার পেছনে শুধু রোগ নয়, রয়েছে এক দীর্ঘ রাজনৈতিক নিষ্ঠুরতার ইতিহাস।
আর সেই ইতিহাসে সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে উঠে আসছে—
ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনের ভূমিকা। এই লোকটির নিষ্ঠুরতার শিকার হলেন মুমূর্ষু বেগম খালেদা জিয়া!

২. শুরু থেকেই পরিকল্পিত এক রাজনৈতিক খেলা:

বহু বছর ধরেই অভিযোগ উঠেছে—
বেগম জিয়ার চিকিৎসা, অসুস্থতা, তাঁর দুর্বলতা—সবই বারবার ব্যবহার হয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে।
আর এই রাজনৈতিক ব্যবহারের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ডা. জাহিদ হোসেন।

মানুষের প্রশ্ন—

কেন একজন মৃত্যুপথযাত্রী রোগীকে বারবার “সুস্থ” ঘোষণা করা হলো?

কেন তাঁর দুর্বল শরীরকে টেনে নিয়ে গিয়ে রাজনীতির মাঠে হাজির করা হলো?

কেন তিনটি আসনে মনোনয়ন দেওয়া হলো এমন একজন মানুষকে, যিনি বিছানা ছাড়া হাঁটতেই পারেন না?

কেন ২১ নভেম্বর তাঁকে কাতর অবস্থায় সেনাকুঞ্জে নিয়ে যাওয়া হলো?

এসব কি চিকিৎসকের সিদ্ধান্ত?
না কি এগুলো ছিল নির্লজ্জ রাজনৈতিক প্রদর্শনী—এক অসুস্থ নারীর দেহকে ঢাল বানানোর চরম উদাহরণ?

আজ যখন বেগম জিয়া আইসিইউ-তে শুয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন—তখন কোটি মানুষের মুখে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে একটাই অভিযোগ:

“তাঁর এই করুণ অবস্থার দায় সম্পূর্ণভাবে ডা. জাহিদের।”

৩. যে মা মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়ে—তার পাশে নেই নিজের flesh-and-blood :

সবচেয়ে হৃদয়বিদারক প্রশ্ন এখানেই এসে থামে—
এই মায়ের পাশে তাঁর একমাত্র ছেলে কোথায়?

তারেক রহমান—যে নামটি কখনো বিএনপির ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রতীক ছিল—
আজ সে দূর লণ্ডনে, ঝলমলে আলোয় মোড়া জীবনে ব্যস্ত।

তার মা মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে,
তার কণ্ঠে ব্যথার চাপা শব্দ,
তার বুক ওঠানামা করছে যন্ত্রনায়,
কিন্তু ছেলেটি নেই!
একবারও মায়ের হাত ধরে বলতে আসেননি—
“অবস্থির হও না, আমি আছি।”

মায়ের মৃত্যুভয়ে উদ্বিগ্ন জনতার প্রশ্ন—
এ কেমন সন্তান?
মায়ের শেষ যাত্রাপথে পাশে এক মুহূর্তও দাঁড়ানোর প্রয়োজন অনুভব করেন না?

তারেক রহমানের নীরবতা আজ বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষতবিক্ষত একটি প্রশ্নবোধক চিহ্ন।

৪. পুত্রবধু একজন ডা.—তবুও শাশুড়ির বিছানার পাশে নেই:

তারেক রহমানের স্ত্রী, ব্যারিস্টার জুবাইদা রহমান—
পেশায় একজন চিকিৎসক।
একজন চিকিৎসকের হৃদয় তো রোগীর ব্যথায় কাঁদার কথা।
অথচ তার নিজের শাশুড়ি, এমন এক মানুষ যিনি একসময় তাকে আদরের মেয়ের মতো বুকে আগলে রেখেছেন—
আজ মৃত্যুর কোলে যখন নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছেন,
তখন তিনি লণ্ডনে নির্বিকার!

মানুষের প্রশ্ন আরও তীব্র—

একজন ডাক্তারের শাশুড়ি আইসিইউ-তে কাতরাচ্ছেন, তবুও তিনি কেন আসলেন না?

তার চিকিৎসা-জ্ঞান, তার উপস্থিতি—সবই কি রাজনীতির বোঝায় চাপা পড়েছে?

না কি দূরে থেকে থাকা এখন তাদের স্বাভাবিক অভ্যাস?

এ যেন কেবল এক রাজনৈতিক ট্র্যাজেডি নয়—
এ যেন এক বেদনাময় পারিবারিক ভাঙনের নির্মম গল্প।

৫. এভারকেয়ার আইসিইউ—এক জাতির কান্নার কেন্দ্রবিন্দু :

হাসপাতালের ভেতরে বেগম খালেদা জিয়ার মুখে কাতর আর্তনাদ।
তার গলা ভাঙা, শ্বাস কষ্টে ভরা।
যদি কেউ একটু কাছে দাঁড়ায়, শুনতে পাবে—

“আমাকে আর টানবেন না…”

এই একটি বাক্যই বলে দেয় কতটা নির্মমভাবে তাকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে ক্লান্তির গভীরে।

একজন নার্স ফিসফিস করে বললেন—
“ম্যাডাম চোখ খুলেই বলেন—আমার ছেলেটা কোথায়?”

শুনে নার্সের নিজের চোখ ভিজে যায়।
কিন্তু উত্তর থাকে শূন্য—
মায়ের সেই ছেলে হাজার মাইল দূরে।

৬. জাতির অসহায় প্রশ্ন—এই নির্দয়তার শেষ কোথায় :

আজ জনতা রাস্তায়, ঘরে, সোশ্যাল মিডিয়ায়—সবখানে একটাই আর্তনাদ:

“এ কোন নির্মমতার শিকার হলেন আমাদের নেত্রী?”

ডা. জাহিদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উথলে উঠেছে।
মানুষ বলছে—

“যে মানুষটি মুমূর্ষু অবস্থায়ও ব্যবহৃত হয়েছেন রাজনৈতিক লাভের জন্য—তার মৃত্যুঘন পরিস্থিতির জন্য দায়ী ডা. জাহিদ।”

“তারেক রহমানের দূরে থাকা অমানবিক।”

“একটি অসুস্থ মা তার সন্তানের সান্নিধ্যও পায় না—এ যেন যুগের নিষ্ঠুরতম ঘটনা।”

মানুষ কাঁদছে, চিৎকার করছে—
কিন্তু মায়ের পাশে নিঃসঙ্গতা ছাড়া আর কিছু নেই।

 

৭. এক মায়ের অসহনীয় করুণ নিঃসঙ্গ মৃত্যু-যাত্রা:

এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিইউর সামনে দাঁড়ালে মনে হয়—
সময়ের নিষ্ঠুরতা যেন জমাট হয়ে আছে।
ভেতরে একজন মা মৃত্যুর কাছে হার মানছেন,
আর বাইরে একটি জাতি তাকিয়ে আছে চোখ ভেজা,
অসহায়, ক্ষুব্ধ, তবু অপরিমেয় ভালোবাসায় পূর্ণ।

এ যেন শুধু একজন নেত্রীর চিকিৎসা-বঞ্চিত হওয়ার ইতিহাস নয়—
এ যেন এক মায়ের হৃদয় ছিঁড়ে যাওয়ার গল্প,
এক ছেলের অনুপস্থিতির নির্মমতা,
এবং রাজনৈতিক প্রহসনের কালো ছায়ায় ঢাকা এক মানবিক বিপর্যয়।

বাংলাদেশ আজ কাঁদছে—
একজন মায়ের জন্য, একজন নেত্রীর জন্য,
এবং মানবতার লজ্জার জন্য। দেশবাসী দু:খে ক্ষোভে কাঁদছে, আর ছেলে তারেক রহমান লণ্ডনে বসে হাসছে! এই নিষ্ঠুরতম কাহিনী বাংলাদেশের রাজনীতি ও জমিনকে ভূমিকম্প হয়ে কাঁপাচ্ছে, আর কাঁপাচ্ছে!


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]