মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম
ভূমি মন্ত্রণালয়ের পিয়ন হারুনের ‘শতকোটি টাকার সাম্রাজ্য’ নিজস্ব প্রতিবেদন মাগুরায় শ্রীপুর উপজেলায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালি বিজ্ঞানের জয়যাত্রা: মিরপুরে প্যারাডাইজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে বিজ্ঞান মেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত মাগুরায় চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা চুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাগুরার শ্রীপুরে নবাগত ইউএনও’র সাথে প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রধান আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন মাগুরার অ্যাড. কাজী আব্দুর রশিদ Five Historic Challenges Facing Tarique Rahman* *— Professor M. A. Barnik তারেক রহমানের পাঁচটি ঐতিহাসিক চ্যালেঞ্জ* *— অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় শিশু একাডেমির আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন   মাগুরায় আর্দশ শিক্ষক ফেডারেশনের আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

বুয়েট সনি হত্যার মামলার আসামি মুশফিক উদ্দীন টগর, ১টি রিভলবার, ১৫৬ রাউন্ড গুলি সহ, গ্রেফতার করেছে র‍্যব

সংবাদদাতা / ২২০ বার ভিউ
সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৮ অপরাহ্ন

আলো নিউজ ডেক্সঃ

মুশফিক উদ্দীন টগর (৫০) কে র‌্যাব গ্রেফতার করেছে র‍্যব। সে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী সাবেকুন নাহার সনি হত্যার মামলার আসামি। দীর্ঘ কারাভোগ পর মুক্তি পাওয়া

গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবা ঢাকার আজিমপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
এসময় টগরের কাছ থেকে ১টি রিভলবার ও ১৫৬ রাউন্ড গুলি সহ আটক করে র‌্যাব। এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ হলের এক সময়ের ছাত্রদল নেতা টগরকে গ্রেফতারের বিষয়টি র‌্যাব গণমাধ্যম কর্মীদের হোয়াটসআপ গ্রুপে তথ্য জানানো হয়।
২০০২ সালের ৮ জুন বুয়েট ছাত্রদলের তৎকালীন সভাপতি মোকাম্মেল হায়াত খান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হলের তৎকালীন ছাত্রদল নেতা মুশফিক উদ্দিন টগর গ্রুপের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে নিহত হন সনি।

বিষয়টি টেন্ডার নিয়ে ওই সংঘর্ষ ঘটে, বুয়েটের কেমিপ্রকৌশল বিভাগের ১৯৯৯ ব্যাচের ছাত্রী সাবেকুন নাহার সনি সেদিন ক্লাস শেষে বুয়েটের হলে ফিরারর সময়, গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এই ঘটনার হওয়ার পর সারা দেশে গণ আন্দোলন ঘটে ।
এই ঘটনায় আদালত সনি হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করে ২৯ জুন ২০০৩ সালে। রায়ে ছাত্রদলের নেতা মুশফিক উদ্দিন টগর, মোকাম্মেল হায়াত খান ওরফে মুকিত ও নুরুল ইসলাম ওরফে সাগরকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করে আদালত । এ ছাড়া আরও পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করে আদালত ।
পরবর্তীতে ১০ মার্চ, ২০০৬ সালের মৃত্যুদ-প্রাপ্ত তিনজনের আসামির সাজা কমিয়ে তাঁদেরও যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাদান করে উচ্চ আদালত। পাশাপাশি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া ৫ আসামির মধ্যে দুই জনকে খালাস দেন আদালত । ওই হত্যা ঘটনায় ৬ আসামির মধ্যে চারজন এখনো কারাগারে আছেন। এখনো মোকাম্মেল ও নুরুল পলাতক রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]