বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন
মাগুরা
মোঃ সাইফুল্লাহ //
মাগুরা সদর উপজেলার চাউলিয়া ইউনিয়নের ঘোড়ানাছ ক্কারীপাড়া গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের মেয়ে প্রতিবন্ধী ও স্বামী হারা সাহিদা বেগম ক্যান্সারে আক্রান্ত! অর্থাভাবে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর প্রহর গুনছে। একই গ্রামের নানার ভিটেতে এখন দুই এতিম ছেলেকে নিয়ে বাস করেন ৪০ বছর বয়সী সাহিদা । জীবন তাকে কোনো দিন সুখ দেয়নি। ৬ বছর আগে স্বামী আলতাফ হোসেন মারা গেছেন। এরপর থেকেই জীবনের সঙ্গে একাই লড়ছেন তিনি। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, ৪ মাস আগে তার শরীরে বাসা বেঁধেছে স্তন ক্যান্সার (ব্রেস্ট ক্যান্সার)। এরই মধ্যে ৩ টি ক্যামো নিয়েছেন। ডাক্তার বলেছেন দ্রুত অপারেশন না করালে তাকে বাঁচানো সম্ভব হবে না।
সাহিদা বেগম শারীরিক দিক থেকেও একজন প্রতিবন্ধী। স্বামীর মৃত্যুর পর দুই সন্তানকে মানুষ করার ভার একা তার কাঁধে ছিল। অন্যের বাড়িতে কাজ আর মানুষের সাহায্যে কোনোমতে চলত তাদের সংসার। কিন্তু ক্যান্সার ধরা পড়ার পর তার জীবনে নেমে এসেছে ঘোর অন্ধকার। ডাক্তার বলেছেন, তার দ্রুত উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। কিন্তু অর্থাভাবে ঠিকমতো ওষুধ কেনার টাকাই নেই।
চিকিৎসার সামর্থ্য না থাকায় সাহিদা বেগম এখন বিছানায় শুয়ে ধুকে ধুকে মরছেন। প্রতিদিনের প্রতিটি মুহূর্ত তার কাটে তীব্র শারীরিক কষ্ট আর না খাওয়ার যন্ত্রণা নিয়ে। দুই কিশোর ছেলে মায়ের এই অবস্থা দেখে শুধু কান্না করে। কি করবে তারা? কিশোর বয়সে মায়ের চিকিৎসার খরচ জোগাড় করা তাদের পক্ষে অসম্ভব।
প্রতিবন্ধী সাহিদা বেগমের জীবন বাঁচাতে এখন সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের সাহায্য খুব দরকার। একটু সহানুভূতি ও আর্থিক সহায়তা পারে একজন অসহায় মাকে নতুন জীবন দিতে। সাহিদা বেগমের চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে পারেন সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তিরা।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি অথবা সাহিদা বেগমের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে অথবা নগদ ০১৭৬৬৯৮৪৯৬০ নাম্বারে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে তার পাশে দাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। আপনার সামান্য সহযোগিতায় বেঁচে যেতে পারে একটি অসহায় প্রাণ।
মোঃ সাইফুল্লাহ, মাগুরা।
তাং ৩০/৯/২০২৬ইং