শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম
ক্রীড়াঙ্গনে কাজের প্রস্তাব ফেনীর সেই শিক্ষিকাকে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে খোঁজ নিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী: ঈদের জামাতে হাজারো মুসল্লির সঙ্গে নামাজ আদায় করলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বাউনিয়াবাদে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা, পুনর্বাসনের আশ্বাস দিলেন আমিনুল হক মাগুরায় নতুন কুড়ি স্বর্ণপদক জয়ী অ্যাথলেট ইয়াসমিনকে শ্রীপুরে জমকালো সংবর্ধনা ধর্ষক জনতার হাতে আটক ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল নবীগঞ্জে ৩য় শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষিত মাগুরায় ট্রাক ড্রাইভারের হত্যার ঘটনায় পুলিশ সুপারের সংবাদ সম্মেলন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সেই সংগীতশিল্পী পরিবারকে অর্থ সহায়তা দিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। মাগুরায় অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত মাগুরায় ব্যাংক লুটেরা এস আলমের প্রত্যাবর্তনের চক্রান্তের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশঅনুষ্ঠিত

সন্তানকে ইতিহাস জানাতে শহীদ মিনারে মা ও শিশু

সংবাদদাতা / ২৬৭ বার ভিউ
সময়ঃ শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন

খুবি প্রতিনিধি : তানিম মল্লিক- খুলনার শহীদ মিনারের পথে ছোট্ট এক শিশু। মায়ের হাত ধরে সে ধীর পায়ে এগিয়ে চলেছে, হাতে একগুচ্ছ তাজা ফুল। চোখেমুখে যেন এক গভীর অনুভূতি একটি অজানা বোধ, যা সে পুরোপুরি হয়তো বুঝতে পারে না, তবে অনুভব করতে পারছে। শহীদ মিনারের বেদীতে ফুল দিয়ে শিশুটি অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে, যেন ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী।

২১শে ফেব্রুয়ারির সকালে এমন দৃশ্য খুবই সাধারণ, কিন্তু একইসঙ্গে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। শিশুটির মা বলেন, “আমি চাই আমার সন্তান ছোটবেলা থেকেই আমাদের ভাষার ইতিহাস জানুক, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের কথা মনে রাখুক। এই দিনটি আমাদের জন্য অনেক গর্বের, অনেক বেদনার। আমি চাই আমার সন্তানও এই গর্ব ও বেদনা অনুভব করুক।”

ভাষা শহীদদের স্মরণে শুধু শহীদ মিনারেই নয়, নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে একুশে ফেব্রুয়ারি পালিত হয় সারাদেশে। কিন্তু এই দিনটির মূল বার্তা কতটুকু আমরা ধারণ করি? ভাষা আন্দোলনের চেতনা কেবল আনুষ্ঠানিকতা বা কিছু কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে কীভাবে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রতিফলিত করা যায় সেই প্রশ্ন আজও প্রাসঙ্গিক।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ডিসিপ্লিনের ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থী তানবিরা তাবাসসুম এই প্রসঙ্গে বলেন, “২১শে ফেব্রুয়ারি শুধুমাত্র একটি ঐতিহাসিক দিন নয়, এটি আমাদের ভাষার জন্য আত্মত্যাগের প্রেরণা। এটি শুধু বাংলা বলার অধিকার নয়, বরং আমাদের ভাষাকে সঠিকভাবে সম্মান ও সংরক্ষণের কথা মনে করিয়ে দেয়। দুর্ভাগ্যবশত, আমরা এখনো মাতৃভাষাকে উপেক্ষা করি এবং ইংরেজি ভাষাকে বেশি গুরুত্ব দিই। আমাদের উচিত বাংলার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করা।”

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থী মালিহা জান্নাত মিশা বলেন, “২১শে ফেব্রুয়ারি আমরা ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি, কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ নানা জায়গায় বাংলা ভাষার বিকৃতি ও ভুল ব্যবহারের প্রকট সমস্যা রয়েছে। এটি শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, আমাদের প্রতিদিনের জীবনে বাংলা ভাষার সঠিক ব্যবহার ও এর প্রতি গর্ববোধের বিষয় হয়ে উঠতে হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]