শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫০ অপরাহ্ন

শিরোনাম
মাগুরার শ্রীপুরে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক যুবকের মৃত্যু, আহত আরো -২জন চাটমোহরে তেল-জেলিতে তৈরি হচ্ছিল নকল দুধ, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড ও জরিমানা The Mecca Defence Pact: India’s Concerns, the Positions of Major Powers, and Bangladesh’s Potential Gains and Losses* *–Professor M. A. Barnik মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: ভারতের উদ্বেগ, পরাশক্তিদের অবস্থান এবং বাংলাদেশের সম্ভাব্য লাভ-ক্ষতি* *—অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* কেন্দ্রীয় যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি পলের রোগমুক্তিতে এস. আলম ইসরাৎ এর উদ্যোগে দোয়া আন্দালিব রহমান পার্থকে তথ্যমন্ত্রী করায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দকে মিষ্টিমুখ করালো বিজেপি ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) উদযাপন মাগুরায় ৭ ভুয়া সিআইডি সদস্য আটক, নারী অপহরণের চেষ্টা ব্যর্থ! Bangladesh: Emerging as a Key Strategic Nexus in the Defence Relations of India, China and the Middle East- Professor M. A. Barnik* বাংলাদেশ : ভারত-চীন-মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিরক্ষা সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে পরিণত হচ্ছে* *–অধ্যাপক এম এ বার্ণিক*

ই-সিগারেটের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হবে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত—অধ্যাপক এমন এ বার্ণিক*

সংবাদদাতা / ২৫৫ বার ভিউ
সময়ঃ শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫০ অপরাহ্ন

*১. “নিরাপদ বিকল্প” অথচ নতুন সংকট*:

ই-সিগারেটকে অনেক সময় “কম ক্ষতিকর” বলা হলেও এর ভয়াবহ দিকগুলো উপেক্ষা করা যায় না—
*(১) শ্বাসতন্ত্রের ক্ষতি*:
বাষ্পে থাকা সূক্ষ্ম কণিকা ফুসফুসে জমে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে।
*(২) হৃদরোগের ঝুঁকি*:
নিকোটিন রক্তচাপ বাড়ায়, হার্টের উপর চাপ সৃষ্টি করে।
*(৩) অজ্ঞাত দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি*:
এটি তুলনামূলক নতুন প্রযুক্তি—দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি।
*(৪) তরুণ সমাজে “গেটওয়ে ইফেক্ট”*
অনেক ক্ষেত্রে ই-সিগারেট ব্যবহারকারীরা পরে প্রচলিত সিগারেটেও আসক্ত হয়ে পড়ে।

*২. বাংলাদেশের নীতিগত অবস্থান*:
বাংলাদেশ সরকার জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ই-সিগারেট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
উৎপাদন, আমদানি, বিক্রি ও ব্যবহার—সবই আইনের আওতায় অপরাধ।
এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল যুক্তি—
একটি নতুন প্রজন্মকে নিকোটিন আসক্তি থেকে রক্ষা করা।

*৩. আসন্ন বাজেটে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রচেষ্টা কেন*:
২০২৬ সালের বাজেটকে সামনে রেখে একটি গোষ্ঠী এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য সক্রিয় হয়েছে—এমন আলোচনা রয়েছে। তাদের যুক্তিগুলো সাধারণত এরকম—
(১)“ই-সিগারেট কম ক্ষতিকর, তাই বৈধ করা উচিত”!
(২) “নিয়ন্ত্রণ করে রাজস্ব আয় করা সম্ভব”!
(৩)“কালোবাজার ঠেকাতে বৈধতা দরকার”!
তবে সমালোচকরা বলছেন—
এগুলো মূলত ব্যবসায়িক স্বার্থনির্ভর যুক্তি, যা জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকিকে আড়াল করে।

*৪. জনস্বাস্থ্য বনাম অর্থনীতি*:
এখানেই মূল প্রশ্ন—
রাষ্ট্র কি করবে?
একদিকে:
সম্ভাব্য রাজস্ব
নিয়ন্ত্রিত বাজার
অন্যদিকে:
জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি
তরুণদের আসক্তি
দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ব্যয়
World Health Organization স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছে—
ই-সিগারেটকে তামাক নিয়ন্ত্রণ নীতির বাইরে রাখলে তা ভবিষ্যতে বড় স্বাস্থ্য সংকটে রূপ নিতে পারে।

*৫. কোন পথে বাংলাদেশ*:
বাংলাদেশের সামনে এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত—
নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখে জনস্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া,
নাকি অর্থনৈতিক যুক্তিতে শিথিলতা আনা।
বাস্তবতা হলো—
ই-সিগারেট শুধু একটি পণ্য নয়; এটি একটি জনস্বাস্থ্য, নৈতিকতা ও নীতিনির্ধারণের জটিল প্রশ্ন।
সিদ্ধান্ত যাই হোক, তা হওয়া উচিত—
তথ্যভিত্তিক, জনস্বার্থকেন্দ্রিক এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা নিশ্চিতকারী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]