শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম
*মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি : ভারতের স্ট্র্যাটেজিক হিসাব-নিকাশে বড় ধরনের ধাক্কা— অধ্যাপক এম এ বার্ণিক মাগুরার শ্রীপুরে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক যুবকের মৃত্যু, আহত আরো -২জন চাটমোহরে তেল-জেলিতে তৈরি হচ্ছিল নকল দুধ, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড ও জরিমানা The Mecca Defence Pact: India’s Concerns, the Positions of Major Powers, and Bangladesh’s Potential Gains and Losses* *–Professor M. A. Barnik মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: ভারতের উদ্বেগ, পরাশক্তিদের অবস্থান এবং বাংলাদেশের সম্ভাব্য লাভ-ক্ষতি* *—অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* কেন্দ্রীয় যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি পলের রোগমুক্তিতে এস. আলম ইসরাৎ এর উদ্যোগে দোয়া আন্দালিব রহমান পার্থকে তথ্যমন্ত্রী করায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দকে মিষ্টিমুখ করালো বিজেপি ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) উদযাপন মাগুরায় ৭ ভুয়া সিআইডি সদস্য আটক, নারী অপহরণের চেষ্টা ব্যর্থ! Bangladesh: Emerging as a Key Strategic Nexus in the Defence Relations of India, China and the Middle East- Professor M. A. Barnik*

*গুজরাটের আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের এক প্রদীপ্ত নাম ”* *—অধ্যাপক এম এ বার্ণিক*

সংবাদদাতা / ১৩৭ বার ভিউ
সময়ঃ শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৫ অপরাহ্ন

গুজরাটের আকাশে সেদিন যেন আলো ঝলমলে এক নতুন তারার জন্ম হলো। ভারতের Parul University-এ আয়োজিত বার্ষিক সাংস্কৃতিক উৎসব “Dhoom: Pre-Loaded 2026”—শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, যেন রঙ, স্বপ্ন আর প্রতিভার এক জীবন্ত মহাকাব্য। সেই মহাকাব্যের এক উজ্জ্বল পঙক্তিতে জায়গা করে নিলেন বাংলাদেশের কন্যা—ফারিয়া হাসিন।

Vadodara-র প্রাণচঞ্চল প্রাঙ্গণে, যখন আলোর রেখাগুলো মঞ্চজুড়ে নৃত্য করছিল, আর দর্শকদের হৃদস্পন্দন প্রতিযোগিতার ছন্দে দুলছিল—ঠিক তখনই আত্মবিশ্বাসের দীপ্তি আর সৌন্দর্যের শৈল্পিক ভাষায় নিজেকে তুলে ধরলেন ফারিয়া। আন্তঃইনস্টিটিউট মডেলিং প্রতিযোগিতার প্রতিটি পদক্ষেপ যেন ছিল একেকটি কবিতার পঙক্তি, যেখানে ভঙ্গিমা ছিল ছন্দ, আর চোখের ভাষা ছিল অর্থবহ অলংকার। অবশেষে, প্রতিদ্বন্দ্বিতার তুমুল তরঙ্গ পেরিয়ে তিনি অর্জন করলেন রানারআপ হওয়ার গৌরব—যেন বিজয়ের মুকুটে এক দীপ্ত রত্ন।
বর্তমানে Parul University-এ মাস্টার্সে অধ্যয়নরত ফারিয়া, শুধুই একজন শিক্ষার্থী নন—তিনি যেন এক বহুমাত্রিক প্রতিভার প্রতিচ্ছবি। পড়াশোনার গম্ভীর অধ্যায়ের পাশাপাশি, তার সৃজনশীলতা, মঞ্চে আত্মপ্রকাশের শিল্প, এবং অটল আত্মবিশ্বাস একত্রিত হয়ে তাকে গড়ে তুলেছে এক অনন্য ব্যক্তিত্বে। বিচারকদের চোখে তিনি শুধু একজন প্রতিযোগী ছিলেন না; ছিলেন এক শিল্পী, যিনি নিজেকে রূপ দিয়েছেন জীবন্ত ক্যানভাসে।
এই অর্জন কেবল ফারিয়ার ব্যক্তিগত বিজয় নয়—এ যেন বাংলাদেশের পতাকাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরেকবার গর্বভরে উড়িয়ে দেওয়ার গল্প। তার প্রতিটি পদচারণায় যেন প্রতিধ্বনিত হয়েছে এক জাতির সম্ভাবনা, প্রতিটি হাসিতে ফুটে উঠেছে তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের সাফল্য শুধু প্রশংসার নয়, প্রেরণারও উৎস। বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে, শিক্ষা ও সংস্কৃতির সমন্বয়ে যে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে—ফারিয়া হাসিন তারই জীবন্ত উপাখ্যান। তিনি যেন প্রমাণ করে দিলেন, প্রতিভার কোনো ভৌগোলিক সীমানা নেই; স্বপ্নের কোনো পাসপোর্ট লাগে না।
শেষাবধি, “ধুম ২০২৬” আর কেবল একটি উৎসবের নাম হয়ে থাকেনি—এটি হয়ে উঠেছে প্রতিভার এক বিশ্বমঞ্চ, যেখানে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে ফারিয়া হাসিন এঁকেছেন গৌরবের এক উজ্জ্বল আলেখ্য। তার এই সাফল্য যেন ভবিষ্যতের পথিকদের জন্য এক দীপশিখা—যেখানে সাহস, সাধনা আর স্বপ্ন একসাথে জ্বলে ওঠে বিজয়ের আলোর


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]