বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশের জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল একুশে টিভি’র ২৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সুশীল ফোরামের শুভেচ্ছা In Reverence and Remembrance ‘Abdul Hye—Professor M A Barnik সুপ্রিয় আবদুল হাইকে হারালাম—অধ্যাপক এম এ বার্ণিক নোয়াখালী-১ আসনে ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের বিজয়ে সুশীল ফোরামের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রাজউক কর্মকর্তা গ্রেফতার: নারী সাংবাদিক হেনস্তা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা মাগুরায় সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের স্টেক হোল্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত মাগুরায় সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের স্টেক হোল্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত মাগুরায় জামায়াতের উদ্যোগে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠিত Without Classrooms, Education Remains Incomplete* *—-Professor M A Barnik

দেশে তামাক জনিত বিভিন্ন অসুখে প্রতি বছর প্রায় এক লক্ষ ৬১ হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।

সংবাদদাতা / ১৭৫ বার ভিউ
সময়ঃ বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন

২০৪০ সালের মধ্যে তামাক মুক্ত বাংলাদেশ বাস্তবায়নে
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ঘোষণা ৮ম বছর উদযাপন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন ৩১ জানুয়ারি (বুধবার), সময় বেলা ১১:০০টা  জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট, এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে। ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলদেশ জানায়।

সংবাদ সম্মেলনে  উল্লেখ করে বলেন  দেশে তিন কোটি ৭৮ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করেন বলে জানিয়েছে।
কর্মক্ষেত্রসহ পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন তিন কোটি ৮৪ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ।
আর তামাক করণে  বিভিন্ন অসুখে  প্রতিবছর প্রায় এক লাখ ৬১ হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। যার কারণে এই মৃত্যুর মিছিল কমাতে, এখনি দ্রুত বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করা জরুরী ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তাগন বলেন  বিদ্যমান আইনে কিছু জায়গায় দুর্বলতা রয়ে গেছে। বক্তাগণ  আরও বলেন এ সময় বিভিন্ন তামাক বিরোধী সংগঠন এবং ১৫ হাজারের বেশি ব্যক্তি ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ -২০১৩ সালে সংশোধিত যুগোপযোগী করে বৈশ্বিক মানদণ্ডে উন্নীত করতে ছয়টি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, আমাদের দেশে তিন কোটি ৭৮ লক্ষ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করেন।
কর্মক্ষেত্রসহ পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন তিন কোটি ৮৪ লক্ষ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ। আর তামাকজনিত বিভিন্ন রোগে প্রতিবছর প্রায় এক লক্ষ ৬১ হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।

এ সময় বিভিন্ন তামাক বিরোধী সংগঠন এবং ১৫ হাজারের বেশি ব্যক্তি ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার।  (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (২০১৩ সালে সংশোধিত) যুগোপযোগী করে বৈশ্বিক মানদণ্ডে উন্নীত করতে ছয়টি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ জানায়। সেগুলো হলো-

১. আইনের ধারা ৪ ও ৭ বিলুপ্ত করা। অর্থাৎ সকল পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান নিষিদ্ধ করা।
২. তামাকজাত দ্রব্যের বিক্রয়স্থলে তামাকজাত পণ্য প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা।
৩. তামাক কোম্পানির যে কোনো ধরনের সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কর্মসূচি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা।
৪. তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেট বা কৌটায় সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তার আকার ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯০ শতাংশ করা।
৫. বিড়ি-সিগারেটের খুচরা শলাকা, মোড়কবিহীন এবং খোলা ধোঁয়াবিহীন তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ করা।
৬. ই-সিগারেটসহ সব ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডক্টিস্ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]