শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম
মাগুরার শ্রীপুরে পাম্পে ড্রামে তেল দেওয়ার ভিডিও ধারণ,সাংবাদিককে মারধর করলো পুলিশ! উক্ত পুলিশ ক্লোজ! *ফিল্ড মার্শালের ইটে-ইটে গড়া শান্তির দেয়াল* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় জেলা পর্যায়ে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন মাগুরার খামারপাড়া এস এ আই সিনিয়র মাদ্রাসায় বিদায় সংর্বধণা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মাগুরায় সুমন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন! বিস্তারিত জানালেন পুলিশ সুপার মাগুরায় লক্ষাধিক শিশুকে হাম রুবেলার টিকা দেয়া হবে ইরানে ট্রাম্পের নৌ-অবরোধের ব্যর্থতা ও ইসলামাবাদে নতুন কূটনৈতিক অধ্যায়* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন মাগুরার শ্রীপুরে জামায়াতে ইসলামীর দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সংবাদ প্রকাশের জেরে মিথ্যা মামলা, প্রতিবাদে মানববন্ধন, দূর্নীতিবাজদের প্রত্যাহারের দাবি

সংবাদদাতা / ৫৯ বার ভিউ
সময়ঃ শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন

‎গোদাগাড়ী প্রতিনিধি :-

অসামাজিক কাজে লিপ্ত ও দূর্নীতি’র অভিযোগে অভিযুক্ত গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা’র বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ এবং সেই ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হলে সাংবাদিকসহ স্থানীয়দের বিরুদ্ধে মিথ্যা, হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হয়। মিথ্যা মামলা ও হয়রানি বন্ধসহ দূর্নীতিবাজদের প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসনিক ভবন গেট সংলগ্ন এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
আওয়ামী লীগের দোসর গোদাগাড়ী উপজেলার বর্তমান ইউএনও ফয়সাল আহমেদের প্রত্যক্ষ মদদে তাঁর ও পূর্বের ইউএনও’ রাইট হ্যান্ড খ্যাত উপ- প্রশাসনিক কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান ও কাজের মেয়ে রুবিনার যোগসাজশে স্থানীয় সাংবাদিক ও জনতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়। মামলার পর থেকে স্থানীয়দের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছিলো। আ’লীগের দোসর উপ প্রশাসনিক কর্মকর্তা হাফিজুর অসামাজিক কাজে লিপ্ত হওয়ার পরেও এখনো বহাল তবিয়তে থাকায় স্থানীয় সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষ এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন।
কাজের মেয়ের সাথে রুপালী ভবনে অসামাজিক কাজে লিপ্ত অবস্থায় স্থানীয় জনগণ তাদের আটক করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন দৈনিক জনকণ্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি অলিউল্লাহসহ অনেকেই। এরপর ওই ঘটনায় সংবাদ প্রকাশ হয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গোদাগাড়ী থানার আরেক দূর্নীতিবাজ আ’লীগের দোসর ওসি রুহুল আমিনের সহযোগিতায় মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে অবশ্য ওই মামলায় সকলে জামিন নেন। শুধু মিথ্যা মামলা দিয়ে ক্ষান্ত নয় ওই উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা হাফিজুর। পরে ওই নারীর স্বামীকে বাদ দিয়ে বিয়ে করার বিষয়ে আলোচনা হয়। বিয়ের পরে ওই নারীকে দিয়ে একেরপর এক হয়রানির উদ্দেশ্যে সাংবাদিকসহ স্থানীদের হুমকি ধামকি প্রদানও করছেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করাসহ সমাজের অনিয়ম তুলে ধরায় হামলা মামলার শিকার হয়। তেমনি একটি ঘটনায় গত ১ মার্চ গোদাগাড়ী মডেল থানায় ও ৬ এপ্রিল রাজশাহীর আদালতে পৃথক ২ টি মামলা করে উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান ও কাজের মেয়ে রুবিনা। গত ২৭ ফেব্রুয়ারী হাফিজুর রহমান কাজের মেয়ে রুবিনার অসামাজিক কাজে লিপ্ত অবস্থায় জনতার হাতে আটক হয়। এ বিষয়ে সাংবাদিক অলিউল্লাহ সহ রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা নিউজ প্রকাশ করেন। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আটকের ঘটনার ভিডিও ভাইরাল করেন সাধারণ জনগণ। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে গোদাগাড়ী উপজেলার প্রশাসনের পরামর্শে মামলা করেন তারা। মানববন্ধন থেকে ওই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, ইউএনও ফয়সাল আহমেদ ও চরিত্রহীন কর্মকর্তা হাফিজুরের অপসারণের দাবী জানানো হয়। অবিলম্বে ওই সমস্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানানো হয় মানববন্ধনে।
মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান ও ইউএনওসহ উপজেলা প্রশাসনের কতিপয় আ’লীগের দোসরদের দ্রুত অপসারণ করা না হলে আরো কঠোর কর্মসূচিসহ উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এছাড়াও এ ঘটনায় স্থানীয়রাসহ সাংবাদিকরা জেলা প্রশাসক বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করবেন। প্রধান উপদেষ্টা বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিলও করবেন তাঁরা।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, আমার দেশ পত্রিকার গোদাগাড়ী প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম, কালবেলার সাংবাদিক জামিল, সংগ্রাম পত্রিকার সাংবাদিক আব্দুল খালেক, উপচার পত্রিকার সাংবাদিক সারোয়ার সবুজ, সময়ের আলো পত্রিকার সাংবাদিক আবু তাহের, মানবকণ্ঠের সাংবাদিক মানিক হোসেন, নববাণীর সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম, জনকণ্ঠ পত্রিকার সাংবাদিক অলিউল্লাহ সহ স্থানীয় জনসাধারণ।
উল্লেখ্য, গোদাগাড়ী উপজেলার উপ- প্রশাসনিক কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান ও কাজের মেয়ে রুবিনা গত ২৭ ফেব্রুয়ারী আনুমানিক বিকেল ৫:৩০ মিনিটে উপজেলার রুপালী ভবনের ২য় তলায় জনতার হাতে আটক হন। এ বিষয়ে নিউজের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয় তাদের ভিডিও। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে ১ মার্চ একটি মিথ্যা মামলা করেন হাফিজুর। প্রথম অভিযোগে বলা হয় বর্তমান ও সাবেক ইউএনও’র পরামর্শে অভিযোগ করেন তিনি।পরবর্তী অভিযোগে বলা হয় পরিবারের পরামর্শে।
এছাড়াও হাফিজুরের বিরুদ্ধে ১৮ আগস্ট ২০২৪ সালে ১৭৫৬ নং ডকেটে ঘুষ,দূর্নীতি ও বাঘা -চারঘাটে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ দেওয়া হয় রাজশাহী জেলা প্রশাসক বরাবর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]