মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম
পল্লবীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, মাসে আড়াই হাজার টাকা দেওয়ার কথা জানালেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক মাগুরায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগে শৃঙ্খলা ফিরেছে শ্রীপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজে! উপস্থিতিও বেড়েছে শিক্ষার্থীদের! ভূমি মন্ত্রণালয়ের পিয়ন হারুনের ‘শতকোটি টাকার সাম্রাজ্য’ নিজস্ব প্রতিবেদন মাগুরায় শ্রীপুর উপজেলায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালি বিজ্ঞানের জয়যাত্রা: মিরপুরে প্যারাডাইজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে বিজ্ঞান মেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত মাগুরায় চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা চুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাগুরার শ্রীপুরে নবাগত ইউএনও’র সাথে প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রধান আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন মাগুরার অ্যাড. কাজী আব্দুর রশিদ Five Historic Challenges Facing Tarique Rahman* *— Professor M. A. Barnik তারেক রহমানের পাঁচটি ঐতিহাসিক চ্যালেঞ্জ* *— অধ্যাপক এম এ বার্ণিক*

ড. ইউনূসের ঘোষণাপত্রে বিতৃষ্ণ নেতাদের নাইটপথ ও প্রতিবাদের মিশ্রণ —-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক

সংবাদদাতা / ৯৫ বার ভিউ
সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন

১. প্রেক্ষাপট: “জুলাই ঘোষণাপত্র” ও নেতাদের হতাশা

২০২৫ সালের ৫ আগস্ট তারিখে, “জুলাই গণ-অভ্যুৎথান ২০২৪”-এর বর্ষপূর্তির দিনে একটি গুরুত্বপূর্ণ “জুলাই ঘোষণাপত্র” পাঠ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস; এতে ফ্যাসিবাদমুক্ত, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার দৃঢ় অঙ্গীকার রয়েছে ।
কিন্তু এনসিপির কিছু নেতা—যেমন, দ.সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ—এই ঘোষণাপত্রকে “অসম্পূর্ণ” ও “নেতৃত্ব, শহীদ ও আহতদের মতামত উপেক্ষা” করা বলে প্রতিক্রিয়া জানান । তাঁরা মনে করেন, ঘোষণাপত্রে মূল আকাঙ্ক্ষা ও সংগ্রামে অবদান রাখা জনগণের মতামতের গুরুত্ব বিবেচনায় আসে নি।

২. শোকজের পরিস্থিতি ও “নীরব প্রতিবাদ”

এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটি ওই নেতাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে, কারণ—৫ আগস্টের ঐতিহাসিক দিনে—তারা বৈঠক বা অনুমতি ছাড়াই কক্সবাজারে ব্যক্তিগত সফরে যান ।
শোকজের জবাবে হাসনাত আবদুল্লাহ নিজের ফেসবুক পোস্টে লেখেন, তাঁর এই সফর তখনকার রাজনৈতিক ও নৈতিক দায়বোধ থেকে গৃহীত “নীরব প্রতিবাদ” ছিল ।

৩. আন্দোলনের বর্তমান ধারার প্রতিফলন: নীরবতা ও দূরত্ব

“নীরব প্রতিবাদ” কেবল শব্দ নয়, বরং এটি কাদা মাড়ানো অচল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রতিবাদের এক সূক্ষ্ম—but শক্তিশালী—ধরে পরিণত হয়েছে। এনসিপির এই নেতা “ঘোষণাপত্রে নেতৃত্বগণ, শহীদ ও আহতদের অন্তর্ভুক্তির অভাব” ও “সংবিধান সংশোধনের ওপর ভবিষ্যত সরকারের উপর নির্ভর”–এর মতো বিষয়ের মাধ্যমে প্রতিবাদের পথ বেছে নিয়েছেন.

তাঁদের এই অবস্থা তুলে ধরে দেখাচ্ছে যে—

আন্দোলনের চেতনায় প্রাথমিক শুদ্ধি চাওয়া যায়, তথা গণ-অভ্যুত্থানের গভীর উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের প্রতি চোখ রাখা;

আবার, দলের শৃঙ্খলার ভাঙন—কক্সবাজার সফরে গিয়ে প্রচ্ছন্ন ভাবে প্রতিবাদ—ও এরই অংশ।

৪. পর্যালোচনা ও দিকনির্দেশনা

এ ঘটনার মাধ্যমে দুই আসনের প্রতিক্রিয়ার ফোকাস হয়—

একদিকে, সংস্কারের অঙ্গীকারে ব্যর্থতা তথা ঘোষণা গ্রহণে নেতাদের সরাসরি সংশয়,

অন্যদিকে, দলীয় শৃঙ্খলার উপর গুরুত্ব।

মূল প্রশ্নঃ এই তফাৎ পূরণে ঐতিহাসিক সংগ্রাম ও দলীয় নেতৃত্ব—কীভাবে সেতুবন্ধন করবে? কীভাবে আন্দোলন ও ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব?

—

উপসংহার

নিরাপদ পথ নয়, এই “নীরব প্রতিবাদ”—এতে অভিযোগ ও প্রত্যাশা উভয়েরই একটি সংকেত রয়েছে। এনসিপি’র অভ্যন্তরে যখন “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান”-এর চেতনাকে পূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠার পথে বাধা তৈরির অনুভব হয়, তখনই মূল প্রতিরোধ কাঠামো—সমতা, ন্যায় ও গণতান্ত্রিক সংস্কারের ওপর ভিত্তি করে পুরনো দলীয় বন্ধন আরেকভাবে নির্মিত হওয়া জরুরি।

এই প্রতিবাদের সহনীয় ব্যাখ্যা, দলীয় কাঠামোর পুনর্গঠন, এবং প্রতিশ্রুতি — এ তিনের বাস্ভিক সমন্বয়ই গণতান্ত্রিক ইতিহাসের গৌরব পুনঃঅর্জন করতে শক্তি যোগাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]