বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশের জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল একুশে টিভি’র ২৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সুশীল ফোরামের শুভেচ্ছা In Reverence and Remembrance ‘Abdul Hye—Professor M A Barnik সুপ্রিয় আবদুল হাইকে হারালাম—অধ্যাপক এম এ বার্ণিক নোয়াখালী-১ আসনে ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের বিজয়ে সুশীল ফোরামের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রাজউক কর্মকর্তা গ্রেফতার: নারী সাংবাদিক হেনস্তা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা মাগুরায় সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের স্টেক হোল্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত মাগুরায় সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের স্টেক হোল্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত মাগুরায় জামায়াতের উদ্যোগে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠিত Without Classrooms, Education Remains Incomplete* *—-Professor M A Barnik

ভাষাশহিদ অহিউল্লাহ’কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিন—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক

সংবাদদাতা / ৯১ বার ভিউ
সময়ঃ বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন

ঢাকা, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ঐতিহাসিক রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের গবেষক ও জ্ঞানভিত্তিক সামাজিক আন্দোলনের সভাপতি অধ্যাপক এম এ বার্ণিক এক বিবৃতিতে শিশু ভাষাশহিদ অহিউল্লাহ’কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দানের দাবি জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন যে, ভাষা-আন্দোলনের ৭৩ বছর পরও ৬ জন জ্ঞাত ভাষাশহিদের মধ্যে একজন শিশু ভাষাশহিদ অহি উল্লাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দান না-করার অর্থ হলো, জাতীয় এই বীরের প্রতি চরম অবজ্ঞা প্রদর্শন। তাই তিনি শহিদ অহি উল্লাহকে ২০২৫ সালের একুশে পদকে ভূষিত করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, জ্ঞাত ভাষাশহিদ ৬ জনের মধ্যে অহি উল্লাহ ব্যতীত বাকি ৫ জনকে অর্থাৎ রফিক, বরকত, সালাম, সফিউর ও জাব্বারকে ইতোমধ্যে একুশে পদকে অলংকৃত করা হয়েছে।

অধ্যাপক বার্ণিক এপ্রসঙ্গে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারিতে পুলিশের গুলি ও হতাহতের ঘটনার প্রতিবাদে ২২ ফেব্রুয়ারিতে ছাত্রজনতার শোকমিছিল ঢাকার নবাবপুর রোড অতিক্রম করার সময় পুলিশ গুলি চালায়। এসময় শফিউর রহমান ও শিশু অহি উল্লাহ গুলিবিদ্ধ হন। অহি উল্লাহ ঘটনাস্থলেই মারা যান। এই দুজন শহিদের মধ্যেও শফিউরকে স্বীকৃতি দেয়া হলো, অহি উল্লাহকে অবজ্ঞা করা হলো।
অহি উল্লাহ’র পিতা হাবিব উল্লাহ একজন রাজমিস্ত্রী ছিলেন। ১৫২ নং সুরিটোলাস্থ বাড়িতে তারা বসবাস করতেন।
বাংলা অ্যাকাডেমি চত্বরে “মোদের গরব” শিরোনামে ভাষাশহিদদের যে মুরাল স্থাপন করা হয়েছে, সেখানেও অহি উল্লাহ’কে স্থান দেয়ার দাবি জানিয়ে ভাষা-আন্দোলন মিউজিয়ামের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম এ বার্ণিক বলেন, তাঁরই (এমএ বার্ণিকের) উদ্যোগে ভাষা-আন্দোলন মিউজিয়ামে ২০০৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আর্টিস্ট শ্যামল বিশ্বাসকে দিয়ে বর্ণনাভিত্তিক তথ্যের আলোকে ভাষাশহিদ অহিউল্লাহ’র ছবি আঁকা হয়, যা বর্তমানে প্রচলিত রয়েছে এবং ইন্টারনেটেও পাওয়া যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]