মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন
মোঃ সালাউদ্দীন শিপু মোল্লা
আলো (বিশেষ প্রতিনিধি ইজতেমা মাঠ)।
টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে আখেরি মোনাজাতেরে মধ্য দিয়ে শেষ হল বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। এতে অংশ নিয়েছেন লাখ লাখ তাবলীগ জামাতের জোবায়ের পন্থী অনুসারী ও সাধারণ মানুষ।
৪ ফেব্রুয়ারী রোববার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়। আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন কাকরাইল মারকাজের তাবলিগ জামাতের আমিরও বিশ্ব তাবলীগ জামাতের শুরা সদস্য মাওলানা মো. জোবায়ের হাসান।
আরবি, উর্দু ও বাংলা মিলিয়ে তিনি ২২ মিনিটে মোনাজাত শেষ করেন।

এর আগে গত শুক্রবার বাদ ফজর আমবরানের মাধ্যমে শুরু হয় বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব।
তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের কারণে গত ৬ মত এবারও বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে আলাদাভাবে।
প্রথম পর্বের নেতৃত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশের মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা। এবং দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা হবে ৯ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি। এ পর্বের নেতৃত্ব দেবেন ভারতের মাওলানা সাদ তাবলীগ জামাতের অনুসারীরা।
ইজতেমা ময়দানের বিদেশি মেহমানের তাবুর পূর্বপাশে বিশেষভাবে স্থাপিত মোনাজাত মঞ্চ থেকে এ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

রোববার ফজরের নামাজের পর থেকেই শুরু হয় হেদায়েতি বয়ান। হেদায়েতি বয়ান করেন পাকিস্তানের মাওলানা জিয়াউল হক। এরপর কিছু সময় নসিহতমূলক কথা বলেন ভারতের মাওলানা ইব্রাহিম দেওলা।
আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে রোববার ভোর থেকেই মুসল্লিদের ঢল ছুটেছে টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে।
সবাই দুই হাত তুলে আখেরি মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন ।ময়দানের ভেতরে জায়গা না পেয়ে রাস্তায় পলিথিন ও কাগজ বিছিয়ে অবস্থান নিয়েছেন পুরুষ ও নারী মুসল্লিদেরও অবস্থান নিতে দেখা গেছে।

বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাতকে কেন্দ্র করে পুলিশ বিশেষ ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মাহবুব আলম গণমাধ্যমকে জানান, আখেরি মোনাজাতের পর মুসল্লিদের বাড়ি ফেরা পর্যন্ত ইজতেমা ময়দানসহ আশপাশের এলাকায় প্রায় সাত হাজার পুলিশ নিয়োজিত থাকবে।

এবং সাদা পোশাকে মুসল্লিদের বেশে জেলা ওয়ারি তাবুতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। মুসল্লিরা যাতে খুব দ্রুত এবং নিরাপদে মাঠ ত্যাগ করতে পারেন কারনে বাস, ট্রেনসহ সব ধরনের যানবাহনের ব্যবস্থা রয়েছে।
বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে তাবলীগ জামাতের ১৪ জন মুসল্লির মৃত্যু ইন্তেকাল করেন।