রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক: গত ৮ সেপ্টেম্বর দৈনিক ‘যায়যায়দিন’ (অনঃ)-এ প্রকাশিত “হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান পদ নিয়ে তুঘলকিকাণ্ড” শীর্ষক সংবাদে ডা. মো. শাহজালাল আহমেদের নাম উল্লেখ করে প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্য ও বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন হোমিওপ্যাথিক জাতীয় ঐক্যজোটের মহাসচিব ডা. আল হাসান মোবারক ।
এক প্রতিবাদে তিনি বলেন, ডা. মো. শাহজালাল আহমেদ দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে জাতীয়তাবাদী আদর্শের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ও সৈনিক হিসেবে রাজনৈতিক ও পেশাজীবী অঙ্গনে সক্রিয় রয়েছেন। তিনি সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের সাবেক ছাত্রদল সভাপতি, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাবেক সদস্য এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।
প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ডা. শাহজালাল আহমেদ স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির (সোহেল–সপু) সাবেক সদস্য, কেন্দ্রীয় কমিটির (বাবু–জুয়েল) সাবেক দুর্যোগ ও প্রচার সম্পাদক এবং বর্তমান স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির (জিলানী–রাজীব) সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পেশাজীবী অঙ্গনেও তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে উল্লেখ করে ডা. আল হাসান মোবারক বলেন, ডা. শাহজালাল আহমেদ ‘হোমিও জাতীয় ঐক্য’ জোটের সভাপতি এবং এইচড্যাব সেন্ট্রালের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, ডা. শাহজালাল আহমেদের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও পেশাগত পথচলা, ত্যাগ ও অবদানকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন না করে একটি মহল নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে। এর মাধ্যমে তাঁর সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।
প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, রাজনৈতিক প্রতিকূলতার সময়ে ডা. শাহজালাল আহমেদ মামলা-মোকদ্দমা, কারাবরণসহ বিভিন্ন শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক প্রতিকূলতার মধ্যেও তাঁর আদর্শ ও রাজনৈতিক অবস্থানে অবিচল ছিলেন। তাঁর সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগ, সংগ্রাম ও বঞ্চনার কারণে তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক অঙ্গনে একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
ডা. আল হাসান মোবারক বলেন, “কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্য যাচাই, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতি অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। একতরফা বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে কারও সামাজিক ও পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা কাম্য নয়।”
তিনি প্রকাশিত সংবাদের বিভ্রান্তিকর ও আপত্তিকর তথ্যের যথাযথ সংশোধন এবং প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা প্রকাশের দাবি জানান।
একই সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের প্রতি তথ্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান।
ডা. আল হাসান মোবারক বলেন, “আমরা সত্য, ন্যায় ও তথ্যভিত্তিক মূল্যায়নের পক্ষে। অপপ্রচার ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।”