মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মাগুরায় শ্রীপুর উপজেলায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালি বিজ্ঞানের জয়যাত্রা: মিরপুরে প্যারাডাইজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে বিজ্ঞান মেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত মাগুরায় চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা চুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাগুরার শ্রীপুরে নবাগত ইউএনও’র সাথে প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রধান আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন মাগুরার অ্যাড. কাজী আব্দুর রশিদ Five Historic Challenges Facing Tarique Rahman* *— Professor M. A. Barnik তারেক রহমানের পাঁচটি ঐতিহাসিক চ্যালেঞ্জ* *— অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় শিশু একাডেমির আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন   মাগুরায় আর্দশ শিক্ষক ফেডারেশনের আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত মাগুরায় ৮ হাজার ইয়াবা ও নারীসহ ৩ মাদক কারবারি আচক! টাকা ও বাইক জব্দ!

প্রাইমারি হেলথকেয়ার রূপান্তরের অগ্রণী কণ্ঠস্বর: জাতিসংঘে তাসনিম জারা” —অধ্যাপক এম এ বার্ণিক

সংবাদদাতা / ১৯১ বার ভিউ
সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন

জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের চলতি সেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে যে নতুন প্রজন্মের নারীনেতৃত্ব এক উজ্জ্বল আলো ছড়িয়েছে, তার অন্যতম নাম ডা. তাসনিম জারা। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আয়োজিত “Transforming Primary Healthcare — Bangladesh’s design” কর্মসেশনে তাঁর বক্তব্য শুধু বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার দুর্বলতাই তুলে ধরেনি, বরং ভবিষ্যৎ পথরেখা নির্মাণের শক্তিশালী দিকনির্দেশনা দিয়েছে।

তাসনিম জারা তাঁর বক্তব্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার (Primary Healthcare) সঙ্গে সরাসরি মানুষের জীবন, নারী ও শিশুর নিরাপত্তা, এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDG)-এর গভীর যোগসূত্র স্পষ্ট করে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, স্বাস্থ্যসেবা কেবল চিকিৎসা নয়—এটি সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদার প্রশ্ন। তাঁর কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হয়েছে গ্রামের সাধারণ মানুষের দীর্ঘশ্বাস, শহরের দরিদ্র মানুষের আক্ষেপ, এবং একই সঙ্গে এক নতুন বাংলাদেশের অঙ্গীকার।

প্রসঙ্গত, তাসনিম জারা তাঁর বক্তব্যে স্থানীয় উদ্ভাবন, আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব এবং প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন—“বাংলাদেশের জনগণকে কেন্দ্র করে একটি অংশগ্রহণমূলক স্বাস্থ্যসেবা মডেল গড়ে তুলতে হবে, যেখানে সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক অংশীদার সবাই মিলে কাজ করবে।” এই বক্তব্য প্রমাণ করে তিনি কেবল রাজনৈতিকভাবে নয়, পেশাগত এবং নৈতিক দিক থেকেও একজন দূরদর্শী নেত্রী।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তিনি তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করে জানান—এটি ছিল তাঁর ব্যক্তিগত ও পেশাগত অংশগ্রহণ, কোনো সরকারি নির্দেশিত সফর নয়। এই স্বচ্ছতা তাঁর নেতৃত্বগুণকে আরও দৃঢ় করে তোলে।

জাতিসংঘের মতো বৈশ্বিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের একজন নারী রাজনৈতিক নেত্রীর এমন বলিষ্ঠ উচ্চারণ নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণাদায়ক। বিশেষত যখন তিনি নারীর প্রতি শত্রুতা ও রাজনৈতিক হয়রানির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিলেন, তখন মনে হয়েছে—বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ক্রমেই ন্যায়, সাহস এবং দায়িত্বশীলতার পথে এগোচ্ছে।

ডা. তাসনিম জারা কেবল একজন রাজনৈতিক নেত্রী নন, তিনি এক প্রতীক—বাংলাদেশের নারী, নতুন প্রজন্ম এবং উদীয়মান নেতৃত্বের প্রতীক। জাতিসংঘে তাঁর কণ্ঠস্বর বাংলাদেশের স্বপ্নকে বিশ্বদরবারে নতুন মর্যাদা দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]