শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ০৮:৫০ অপরাহ্ন

শিরোনাম
ক্রীড়াঙ্গনে কাজের প্রস্তাব ফেনীর সেই শিক্ষিকাকে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে খোঁজ নিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী: ঈদের জামাতে হাজারো মুসল্লির সঙ্গে নামাজ আদায় করলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বাউনিয়াবাদে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা, পুনর্বাসনের আশ্বাস দিলেন আমিনুল হক মাগুরায় নতুন কুড়ি স্বর্ণপদক জয়ী অ্যাথলেট ইয়াসমিনকে শ্রীপুরে জমকালো সংবর্ধনা ধর্ষক জনতার হাতে আটক ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল নবীগঞ্জে ৩য় শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষিত মাগুরায় ট্রাক ড্রাইভারের হত্যার ঘটনায় পুলিশ সুপারের সংবাদ সম্মেলন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সেই সংগীতশিল্পী পরিবারকে অর্থ সহায়তা দিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। মাগুরায় অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত মাগুরায় ব্যাংক লুটেরা এস আলমের প্রত্যাবর্তনের চক্রান্তের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশঅনুষ্ঠিত

ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলের মৃত্যুদণ্ড আইন: তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে সুশীল ফোরাম

সংবাদদাতা / ১৯৩ বার ভিউ
সময়ঃ শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ০৮:৫০ অপরাহ্ন

ঢাকা, ১ এপ্রিল ২০২৬:

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট কনেসেট কর্তৃক ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে একতরফাভাবে একটি বিতর্কিত মৃত্যুদণ্ড বিল পাসের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সুশীল ফোরাম।
সুশীল ফোরামের সভাপতি মোঃ জাহিদ (বিশিষ্ট লেখক, কলামিস্ট ও গবেষক) এবং সাধারণ সম্পাদক ডাঃ আল হাসান মোবারক এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, এই আইন মানবাধিকার, ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। তারা উল্লেখ করেন, একই অপরাধে ভিন্ন জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে ভিন্ন শাস্তির বিধান শুধু বৈষম্যমূলকই নয়, বরং এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক অন্যায়ের দৃষ্টান্ত, যা সভ্য বিশ্বের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এর নেতৃত্বাধীন সরকার এই আইন পাসের মাধ্যমে ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর দমন-পীড়নকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিচ্ছে। বিশেষ করে অধিকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের জন্য সামরিক আদালতের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিধান আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, এই আইনে ক্ষমা, আপিল বা দণ্ড লঘু করার কোনো কার্যকর সুযোগ না রাখা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এই আইন কার্যকর হলে বিচারহীনতা, নির্যাতন ও জোরপূর্বক স্বীকারোক্তির মাধ্যমে সাজা প্রদানের ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পাবে।
সুশীল ফোরাম মনে করে, এই আইন মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও সংঘাতকে আরও ঘনীভূত করবে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। গাজা ও পশ্চিম তীরে চলমান সহিংসতার প্রেক্ষাপটে এই ধরনের আইন পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলবে।
বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও বিশ্ব সম্প্রদায়ের উদ্বেগের কথাও উল্লেখ করা হয়। তারা বলেন, বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ইতোমধ্যেই এই আইনকে বৈষম্যমূলক ও আন্তর্জাতিক আইন পরিপন্থী হিসেবে আখ্যায়িত করেছে, যা বিশ্বব্যাপী ন্যায়বিচারের প্রশ্নকে সামনে নিয়ে এসেছে।
সুশীল ফোরামের নেতৃবৃন্দ জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান, যেন দ্রুত এই আইনের বিরুদ্ধে কার্যকর কূটনৈতিক ও মানবিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় এবং ফিলিস্তিনি জনগণের মৌলিক অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হয়।
শেষে তারা বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তুলতে হলে এ ধরনের বৈষম্যমূলক আইন পরিহার করা জরুরি এবং সকল মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
আপনি চাইলে এটাকে নিউজ রিপোর্ট, টিভি স্ক্রিপ্ট বা বক্তৃতা হিসেবেও রূপান্তর করে দিতে পারি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]