মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মাগুরায় শ্রীপুর উপজেলায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালি বিজ্ঞানের জয়যাত্রা: মিরপুরে প্যারাডাইজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে বিজ্ঞান মেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত মাগুরায় চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা চুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাগুরার শ্রীপুরে নবাগত ইউএনও’র সাথে প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রধান আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন মাগুরার অ্যাড. কাজী আব্দুর রশিদ Five Historic Challenges Facing Tarique Rahman* *— Professor M. A. Barnik তারেক রহমানের পাঁচটি ঐতিহাসিক চ্যালেঞ্জ* *— অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় শিশু একাডেমির আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন   মাগুরায় আর্দশ শিক্ষক ফেডারেশনের আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত মাগুরায় ৮ হাজার ইয়াবা ও নারীসহ ৩ মাদক কারবারি আচক! টাকা ও বাইক জব্দ!

বৈধতার অগ্নিপরীক্ষায় ইউনূস সরকারের সবাই” —অধ্যাপক এম এ বার্ণিক ১. ড. ইউনূস সরকারকে নিয়ে যে-প্রত্যাশা জেগেছিলো

সংবাদদাতা / ২০৮ বার ভিউ
সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন

১. ড. ইউনূস সরকারকে নিয়ে যে-প্রত্যাশা জেগেছিলো :

দেশ তখন যেন দীর্ঘ অন্ধকারের গুহায় বন্দি। মানুষ বাতাসে আলো খুঁজছিল, নীরব কণ্ঠে পরিবর্তনের গান গাইছিল।
ঠিক তখনই মঞ্চে উঠলেন ড. মুহম্মদ ইউনূস। তাঁর হাতে থাকবে জুলাই সনদ—যেন পথহারা নাবিকের কাছে পাওয়া দিকনির্দেশক নক্ষত্র। মানুষ ভেবেছিল, এবার হয়তো গণপরিষদের নির্বাচন হবে, জন্ম নেবে নতুন সংবিধান, আর সেই সংবিধানের আলোয় জেগে উঠবে নতুন রাষ্ট্র, যেখানে উদিত হবে এক সকালের সূর্য! সেরকম
আশার ঢেউ ছড়িয়ে পড়লো চারদিকে। দেশবাসী উদ্বেলিত হলো!
২. পথপ্রদর্শকেরই পথভ্রষ্টতা :

কিন্তু সময়ের কাঁটা ঘুরতেই স্বপ্নের নক্ষত্র মেঘে ঢেকে গেল।
ইউনূস সাহেব বিপ্লবের বজ্রপাতকে আকাশে জ্বালাতে পারতেন, কিন্তু তিনি বেছে নিলেন নিস্তব্ধতার মেঘ। জুলাই সনদের খসড়া তৈরির নামে বছর কেটে যায়! মনে হয়েছে, তাঁর টেবিলে—অচল ঘড়ির মতো সেটা আর যা সময় দেখায় না!
বৈপ্লবিক পরিবর্তনের বদলে এলো দ্বিধা, এলো আপস, এলো অনিশ্চয়তা।
মানুষ বুঝল, আশার প্রদীপ নিবু নিবু করছে! নিবু নিবু প্রদীপ বাতাসে সহজেই নিবে যায়; কিন্তু প্রজ্জ্বলিত দাবানল বাতাসে আরো জ্বলে ওঠে। ড. সাহেব দাবানল দেখাতে পারেননি।

৩. সাংবাদিক মাসুদ কামালের সতর্কবার্তা:

নিবু নিবু বাতি যখন আলো দিতে ব্যর্থ হয়! সেই অন্ধকার সময়ে গর্জে উঠলেন সাংবাদিক মাসুদ কামাল। তাঁর কণ্ঠ যেন বজ্রের মতো ছড়িয়ে পড়ল এক সতর্কবার্তা—
“অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সবাইকে দায়িত্ব ছাড়ার আগেই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তাদের পাসপোর্ট জব্দ করতে হবে। প্রতিটি অভিযোগ তদন্ত করতে হবে।”
কথাগুলো আর শুধু সংবাদ নয়, যেন ইতিহাসের দেওয়ালে খোদাই করা অক্ষর।
ইতোপূর্বে অনেকই সতর্ক করেছেন—ইউনূস সাহেব যদি সত্যিই বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে না পারেন, তবে আইনের হাত তাঁকে ছেড়ে দেবে না!

৪. নীরবে চলে যাওয়ার সুযোগ নেই :
বদ্ধ প্রাসাদে চোখবন্ধ সময় কাটিয়ে, প্রাসাদের দরজা খুলতে চাইছেন ইউনূস। তিনি সরে যেতে চান নীরবে, যেন কিছুই ঘটেনি।
কিন্তু তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে আছে আইনের অদৃশ্য সৈন্যবাহিনী—যারা রাত্রির প্রহরীর মতো সর্বদা সতর্ক।
সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী আবু হেনা রাজ্জাকীর উচ্চারণ আবারও আকাশে ভেসে এল,
“আইনের দৃষ্টিতে তিনি বৈধ নন। তাই যেভাবেই তিনি ক্ষমতা ছাড়তে চান না কেন, রক্ষা নেই।” শেষ পর্যন্ত অবস্থা এমন হতে পারে যে,
প্রাসাদের দেয়ালে ফাটল ধরল, অলঙ্কার ঝরে পড়ল, সিংহাসন কাঁপতে শুরু করলো।
৫. ইতিহাসের আদালতের রায়ের জন্য অপেক্ষা :

শেষমেশ ইতিহাসের আদালতে রায় ঘোষণা হতে যাচ্ছে।
শাসনের অলঙ্কার যদি বৈধতার শিলায় দাঁড়ানো না থাকে, তবে তা মরুভূমির মরীচিকা ছাড়া আর কিছু নয়।
ইউনূস সরকারের কাহিনি তাই আজ এক শিক্ষা—
আশার নক্ষত্রকে যদি মেঘে লুকানো হয়, তবে তা আর আলো দেয় না।
ন্যায়বিচারের সূর্য একদিন না একদিন মেঘ ভেদ করে ওঠে, আর তখন মুঠো ভরা ক্ষমতা ধুলো হয়ে যায়। সবকিছুই তার নিজের হাতের কামাই। কারণ, নিজকে রক্ষার্থে তিনি গণ-অভ্যুত্থানের নায়কদের কোনো পরামর্শই কর্নপাত করেননি! নিজের বৈধতা না-দিয়ে, নির্বাচন দেয়ার খেসারত দিতে হবে, তাকে এবং তার অন্তর্বর্তী সরকারের সকলকে। জুলাইযোদ্ধাদের কপালে কী আছে কে জানে?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]