মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন
আলো নিউজ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অমর একুশে গ্রন্থমেলা উদ্বোধন করলেন । ১ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪ টায় এবং ১৬ জন লেখক কে বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রদান ও বক্তব্যের পর বইমেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘অনেকের ঘুম না আসলে ঘুমের ওষুধ খান আপনারা । ঘুমের ওষুধ না খেয়ে ঘুমানোর আগে একটু বই পড়ুন, বই একটু হাতে নিলে দেখবেন ঘুম চলে আসবে, আমি প্রায়ই অনুসরণ করি।
২০২৪ এর বইমেলার প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘পড়ো বই, গড়ো দেশ: বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ।’

বই মেলায় সর্বমোট ৬৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯৩৭টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি মাঠে ১২০টি প্রতিষ্ঠানকে ১৭৩টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৫১৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৬৪ টি স্টল বরাদ্দ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ এবং বইমেলায় মোট ৩৭টি প্যাভিলিয়নও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বই মেলা উদ্বোধনের পর বাংলা একাডেমি প্রকাশিত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগৃহীত রচনা দ্বিতীয় খণ্ড সহ কয়েকটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।
বহুল কাঙ্ক্ষিত বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৩ পেলেন ১৬ জন লেখক।
কবিতায় শামীম আজাদ, কথাসাহিত্যে নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীর ও সালমা বাণী, প্রবন্ধ-গবেষণায় জুলফিকার মতিন।
অনুবাদে সালেহা চৌধুরী,
নাটক ও নাট্যসাহিত্যে (যাত্রা, পালা নাটক, সাহিত্য নির্ভর আর্টফিল্ম বা নান্দনিক চলচ্চিত্র) মৃত্তিকা চাকমা ও মাসুদ পথিক।
শিশুসাহিত্যে তপংকর চক্রবর্তী, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় আফরোজা পারভীন ও আসাদুজ্জামান আসাদ।
বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণায় সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল ও মো. মজিবুর রহমান, বিজ্ঞান-কল্পবিজ্ঞান-পরিবেশবিজ্ঞানে ইনাম আল হক, আত্মজীবনী-স্মৃতিকথা-ভ্রমণকাহিনী-মুক্তগদ্যে ইসহাক খান এবং ফোকলোরে তপন বাগচী ও সুমনকুমার দাশ।
মেলা প্রাঙ্গনসহ আশে-পাশের এলাকার প্রতিটি ইঞ্চি সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি পর্যাপ্ত সংখ্যক পোশাকধারী সদস্য মোতায়েন থাকবে। মেলার আশে-পাশে মোটরসাইকেল ও গাড়ি টহল থাকবে। এছাড়া আশেপাশের এলাকায় নিরপত্তর চাদরে ঢাকা থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।