শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন

শিরোনাম
ক্রীড়াঙ্গনে কাজের প্রস্তাব ফেনীর সেই শিক্ষিকাকে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে খোঁজ নিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী: ঈদের জামাতে হাজারো মুসল্লির সঙ্গে নামাজ আদায় করলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বাউনিয়াবাদে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা, পুনর্বাসনের আশ্বাস দিলেন আমিনুল হক মাগুরায় নতুন কুড়ি স্বর্ণপদক জয়ী অ্যাথলেট ইয়াসমিনকে শ্রীপুরে জমকালো সংবর্ধনা ধর্ষক জনতার হাতে আটক ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল নবীগঞ্জে ৩য় শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষিত মাগুরায় ট্রাক ড্রাইভারের হত্যার ঘটনায় পুলিশ সুপারের সংবাদ সম্মেলন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সেই সংগীতশিল্পী পরিবারকে অর্থ সহায়তা দিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। মাগুরায় অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত মাগুরায় ব্যাংক লুটেরা এস আলমের প্রত্যাবর্তনের চক্রান্তের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশঅনুষ্ঠিত

সুপ্রিয় আবদুল হাইকে হারালাম—অধ্যাপক এম এ বার্ণিক

সংবাদদাতা / ১৬৮ বার ভিউ
সময়ঃ শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন

*সুপ্রিয় আবদুল হাইকে হারালাম*
*—অধ্যাপক এম এ বার্ণিক*
কিছু মানুষের প্রস্থান কেবল একজন মানুষকে হারানো নয়—একটি স ময়, একটি স্মৃতি, একটি নীরব আলোকবর্তিকার নিভে যাওয়া। লালমোহন উচ্চবালিকা বিদ্যালয়ের সুপ্রিয় প্রধানশিক্ষক মরহুম আবদুল হাইয়ের মৃত্যু সংবাদ শুনে হৃদয়টা যেন হঠাৎ শূন্য হয়ে গেল।


শৈশবের সেই দিনগুলো আজও চোখে ভাসে—প্রথম শ্রেণির সরলতা থেকে দশম শ্রেণির কৈশোরে পৌঁছানো পর্যন্ত আমাদের পথচলা ছিল পাশাপাশি। আমি এক ক্লাস উপরে হলেও, সে ছিল আমার আপনজনের মতোই কাছের। পড়াশোনার টেবিলে, খাতার পাতায়, কিংবা বিকেলের আড্ডায়—সে ছিল এক আন্তরিক উপস্থিতি। আমার কাছেই প্রাইভেট পড়তো, অথচ কখন যে সে ছাত্র থেকে আপন হয়ে উঠেছিল, তা টের পাইনি।
তার পিতা মৌলবি হাবিবউল্লাহ ছিলেন আমার জীবনের প্রথম ধর্মীয় শিক্ষক—যার কণ্ঠে আমি প্রথম সত্যের বাণী শুনেছি। সেই পরিবারেরই সন্তান আবদুল হাই—নম্রতা, জ্ঞান আর মানবিকতার এক অপূর্ব সমন্বয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জিয়োগ্রাফিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে, শিক্ষক প্রশিক্ষণ নিয়ে তিনি নিজেকে গড়ে তুলেছিলেন এক আদর্শ শিক্ষকে। তাঁর শিক্ষাদান ছিল শুধু পেশা নয়, ছিল এক প্রকার সাধনা।
পারিবারিক জীবনেও তিনি ছিলেন সুসংযুক্ত— সাবেক এমপি মেজর (অব.) জসিম উদ্দীনের বোনের জীবনসঙ্গী হিসেবে, একজন দায়িত্ববান স্বামী ও আত্মীয়। তাঁর ভাই ছালমত উল্লাহ আমাদের এলাকার আল-ফালাহ মসজিদের খতিব ছিলেন—ধর্মীয় ও সামাজিক বন্ধনে আবদ্ধ ছিল এই পরিবার।
আজ তিনি নেই—তবুও তার স্মৃতি আছে, তার শিক্ষা আছে, তার রেখে যাওয়া আলোকরেখা আছে। এমন মানুষ কখনো পুরোপুরি হারিয়ে যান না; তারা থেকে যান মানুষের ভালোবাসায়, শ্রদ্ধায়, আর অমলিন স্মৃতিতে।
মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তৌফিক দিন।

*ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।*


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]