মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম
ডা. মো. আজিজুল হোসেন নবীনগরের উজ্জ্বল নক্ষত্র, বাংলাদেশের গর্ব মাগুরায় জুলাই শহীদ দিবস ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত 35 Thermonuclear Bombs in Iran’s Possession: Russia’s Claim Sends Shockwaves Through Global Politics— Professor M. A. Barnik ব্যাংক ম্যানেজারের উপর হামলা ও হত্যার প্রতিবাদে নবীনগরে মানববন্ধন  মাগুরার শ্রীপুরে রাস্তার বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে! ইরানের হাতে ৩৫টি থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা: রাশিয়ার দাবিতে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন ভূমিকম্প—অধ্যাপক এম এ বার্ণিক মাগুরায় অনলাইন জুয়া চক্রের মাস্টার মাইন্ড আমিনুল গ্রেফতার! মাগুরায় কৃষি কর্মকর্তাকে ঝুলিয়ে পেটানোর হুমকি! যুবদল নেতা বহিস্কার! বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে বাংলাদেশ সুশীল ফোরামের শোক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই-(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।)

জুলাইযোদ্ধাদের রক্তে ঝরিয়ে সনদ স্বাক্ষরের নামে কলঙ্কজনক অধ্যায়ের জন্ম —-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক

সংবাদদাতা / ১৩৮ বার ভিউ
সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন

২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর, জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত “জুলাই সনদ স্বাক্ষর” অনুষ্ঠানটি একটি বহুল আলোচিত আয়োজন হয়ে উঠেছে। কিন্তু এই অনুষ্ঠানের পেছনের করুণ ও লজ্জাজনক বাস্তবতা অনেককেই নাড়া দিয়েছে।

যেখানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ঘটা করে দাওয়াত দেয়া হয়, সেখানে এই দেশের জন্য রক্ত ঝরানো, অঙ্গহানির শিকার হওয়া ‘জুলাইযোদ্ধা’দের একজনকেও দাওয়াত জানানো হয়নি। যারা ২০৪১ সালের জাতির উত্তরণের পথে, অতীতে এক দুঃসাহসী ভূমিকা পালন করেছিলেন — তারাই আজ অবহেলিত, লাঞ্ছিত।

দাওয়াত না পেয়েও তারা কিছুজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত হন অনুষ্ঠানে, দেশের প্রতি তাদের দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে। কিন্তু উপস্থিত হয়েই দেখতে পান, রাষ্ট্র তাদের জন্য নয়, রাষ্ট্র এখন নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগীর। শান্তিপূর্ণভাবে উপস্থিত হওয়া ওই গুটিকয়েক জুলাইযোদ্ধাকে পুলিশ দিয়ে পেটানো হয়। আহত হন কেউ হাতহারা, কেউ পা-হারা, কেউবা চোখহারা যোদ্ধারা — যারা এক সময় জাতির জন্য নিজেদের শরীর উৎসর্গ করেছিলেন।

এই পৈশাচিক ঘটনার মাধ্যমে ১৭ অক্টোবর হয়ে উঠেছে জাতীয় জীবনের এক কলঙ্কময় অধ্যায়। ‘জুলাই সনদ’, যেটি ইতিহাসের মোড় ঘোরানোর একটি সম্ভাব্য দলিল হয়ে উঠতে পারত, সেটিই এখন রক্তমাখা একটি প্রতীক — অবিচার ও অবহেলার প্রতীক।

ড. মুহম্মদ ইউনুস, যিনি ছিলেন এই সনদের অন্যতম নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তি, তাকেও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। জুলাইযোদ্ধাদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে এই সনদে স্বাক্ষর করে তিনি নিজেকে এক কলঙ্কের অংশীদার করেছেন — এমনটাই বলছেন অনেক বিশ্লেষক।

সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে নাগরিক সমাজের অনেকে বলছেন — যে সনদ যোদ্ধাদের উপেক্ষা করে, তাদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত মূল্যবোধকে পিষে দেয়, তা টয়লেট পেপার ছাড়া আর কিছু নয়।

শেষ কথা:
১৭ অক্টোবর ২০২৫ — এই তারিখটি এখন আর কোনো আশার প্রতীক নয়। এটি এখন এক নির্মম সত্যের দিন, যেখানে জাতির যোদ্ধারা নিগৃহীত, আর তাদের বুকে লাথি মেরে উৎসব করে একদল সুবিধাভোগী। ইতিহাস এ ঘটনাকে ক্ষমা করবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]