শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম
ক্রীড়াঙ্গনে কাজের প্রস্তাব ফেনীর সেই শিক্ষিকাকে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে খোঁজ নিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী: ঈদের জামাতে হাজারো মুসল্লির সঙ্গে নামাজ আদায় করলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বাউনিয়াবাদে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা, পুনর্বাসনের আশ্বাস দিলেন আমিনুল হক মাগুরায় নতুন কুড়ি স্বর্ণপদক জয়ী অ্যাথলেট ইয়াসমিনকে শ্রীপুরে জমকালো সংবর্ধনা ধর্ষক জনতার হাতে আটক ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল নবীগঞ্জে ৩য় শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষিত মাগুরায় ট্রাক ড্রাইভারের হত্যার ঘটনায় পুলিশ সুপারের সংবাদ সম্মেলন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সেই সংগীতশিল্পী পরিবারকে অর্থ সহায়তা দিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। মাগুরায় অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত মাগুরায় ব্যাংক লুটেরা এস আলমের প্রত্যাবর্তনের চক্রান্তের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশঅনুষ্ঠিত

আজ মাগুরা মুক্ত দিবস

সংবাদদাতা / ১৫৯ বার ভিউ
সময়ঃ শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন

মোঃ সাইফুল্লাহ, মাগুরা প্রতিনিধি ॥

আজ ৭ ডিসেম্বর। মাগুরা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মাগুরা
পাক হানাদার মুক্ত হয়। এদিন মুক্তিযোদ্ধারা গোটা শহরের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণভার
গ্রহণ করে। উড়তে থাকে স্বাধীন দেশের মানচিত্র খচিত বিজয় পতাকা। দিনটি
যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে
দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
১৯৭১’র ৭মার্চে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের পরপরই দেশের অন্যান্য স্থানের মত
মাগুরায় সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহন করে। প্রাথমিক ভাবে মাগুরা শহরের
নোমানী ময়দান ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার ক্যাম্প ও ওয়াপদা ভবনে মুক্তিযোদ্ধারা
সংগঠিত হয়। এখান থেকেই সমগ্র মাগুরার প্রতিরোধযুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ হতে থাকে।
পরবর্তীতে অত্যাধুনিক অস্ত্রসজ্জিত পাক সেনারা মাগুরায় পৌঁছালে
মুক্তিযোদ্ধারা শহর ছেড়ে মাগুরার বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। মাগুরা শহরের পিটিআই
ভবন, ওয়াপদা ভবন, সরকারি হাইস্কুল, সরকারি কলেজে, আনসার ক্যাম্পে পাকসেনারা
ঘাটি স্থাপন করে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও নির্যাতন চালায়।
মুক্তিযোদ্ধারা মাগুরার শ্রীপুর,বিনোদপুরসহ বিভিন্ন স্থানে হানাদার বাহিনীর
বিরুদ্ধে বীরোচিত যুদ্ধ করে। শ্রীপুর ও শৈলকুপা থানা দখল করে নেয়। তারা একাধিক
সম্মুখ যুুদ্ধে পাকসেনা ও রাজাকারদের হতাহত করে।
১৯৭১ এর ৬ ডিসেম্বর আকাশ পথে মিত্র বাহিনীর বিমান হামলা এবং স্থলপথে
মুক্তিবাহিনীর চাপে পাক সেনারা মাগুরায় টিকতে না পেরে ফরিদপুর হয়ে ঢাকার দিকে
পালাতে শুরু করে।
৭ ডিসেম্বর ভোরে মুক্তি বাহিনী বিজয়ের বেশে শত্রুমুক্ত মাগুরা শহরে প্রবেশ করে
পাকসেনাদের বিভিন্ন ক্যাম্প ও গোলা বারুদ দখল করে নেয়। পরে মিত্রবাহিনী মাগুরায়
এসে পৌছালে তাদের সাথে যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে পলায়নপর পাক সেনাদের মাগুরার
পার্শ্ববর্তী কামারখালী গড়াই ও মধুমতি নদী পার হয়ে যেতে বাধ্য করে। পরে পাক
সেনারা ঢাকার পথে ফরিদপুরের দিকে চলে যায়।
৭ ডিসেম্বর সকাল থেকেই মাগুরায় মুক্তিবাহিনী’র কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
গোটা শহরে উড়তে থাকে স্বাধীন দেশের পতাকা। হানাদার মুক্ত হওয়ার আনন্দে মুক্তিকামী
মানুষের ঢল নামে সারা শহরে। ‘জয় বাংল’া শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা মাগুরা
এলাকা।
মাগুরামুক্ত দিবস পালন উপলক্ষে মাগুরা জেলা প্রশাসন নানা কর্মসূচি গ্রহণ
করেছে। ৭ ডিসেম্বর মাগুরা মুক্ত দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালন উপলক্ষে জেলা প্রশাসন সকাল সাড়ে ১০ টায় বিজয় র‌্যালী, পরবর্তিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। মোঃ সাইফুল্লাহ ,মাগুরা। ০৬.১২.২০২৫ ইং


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]