শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম
মাগুরার শ্রীপুর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের দেড় মাস যাবৎ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন, রোগীদের দুর্ভোগ চরমে! খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক মাগুরার শ্রীপুরে স্কুল ফিডিংয়ের বনরুটিতে ব্লেড! অভিভাবকদের ক্ষোভ! RAW Chief in Dhaka: The Suitcase Enigma** *—Professor M. A. Barnik* ঢাকায় RAW প্রধান: স্যুটকেসের রহস্য* *—অধ্যাপক এম. এ. বার্ণিক* মহম্মদপুরে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ রায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান ১০ হাজার টাকা জরিমানা এস. আলম ইসরাৎ পুনরায় বনাইদ বাবু মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক সভাপতি মনোনীত ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নবীগঞ্জে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে ৩ জন নিহত এসএসসিতে প্যারাডাইজ ইন্টারন্যাশনাল হাই স্কুলের গৌরবময় সাফল্য

খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

সংবাদদাতা / ৮ বার ভিউ
সময়ঃ শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ন

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, খেলাধুলাকে শুধু বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে নয়, পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সরকার যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিচ্ছে। সুস্থ জাতি গঠন, মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জাতীয় পর্যায়ে তুলে আনতে সরকার কাজ করছে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে ময়মনসিংহ অফিসার্স ক্লাবে শহরের প্রথম আন্তর্জাতিক মানের টার্ফ ফুটবল মাঠ ‘দি স্পোর্টিভা’র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমিনুল হক বলেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিশু-কিশোরদের ডিভাইসের প্রতি আসক্তি কমানো এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে জাতীয় পর্যায়ে তুলে আনার কার্যক্রমের প্রথম আসর সফলভাবে শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় আসরের অনলাইন নিবন্ধন চলছে। এবার ১০টি ইভেন্টে ইউনিয়ন পর্যায় থেকে দল গঠন করা হবে। আগামী অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে।

পাঁচ বছরে প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ

দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন নতুন অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি বিদ্যমান ক্রীড়া স্থাপনাগুলোকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে।

তিনি বলেন, আট বিঘা জমি না পেলেও ছোট পরিসরের উপযুক্ত জায়গাকে খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ৬৪ জেলায় ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রায় ৫০৩ উপজেলায় মিনি স্টেডিয়ামের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

ময়মনসিংহের ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা কামনা করে আমিনুল হক বলেন, নদীর ওপারে থাকা প্রায় ৩৫ একর জায়গাকেও ক্রীড়া কার্যক্রমে ব্যবহারের পরিকল্পনা করা যেতে পারে।

অলিম্পিকে পদকের লক্ষ্য

আমিনুল হক বলেন, আগামী পাঁচ বছর পর অলিম্পিকের সর্বোচ্চ আসরে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি পদকের জন্য লড়াই করার মতো খেলোয়াড় তৈরি করতে সরকার কাজ করছে।

প্রতিবন্ধী শিশুদের খেলাধুলায় যুক্ত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তাঁদের অবহেলা না করে ক্রীড়াক্ষেত্রে সুযোগ দিতে হবে। তাঁদের মধ্য থেকেও অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিকে পদক জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে প্যারা ক্রীড়াবিদদের ক্রীড়া ভাতার আওতায় আনা হয়েছে।

ময়মনসিংহের সুইমিং পুল আধুনিকায়ন

ময়মনসিংহের ক্রীড়া অবকাঠামো প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ২২টি জেলার সুইমিং পুলকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ময়মনসিংহের সুইমিং পুলের প্রয়োজনীয় সংস্কার ও আধুনিকায়নের কাজও এগিয়ে নেওয়া হবে। শিশুদের সাঁতার শেখানোর মাধ্যমে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি পানিতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও তীব্র গরম থেকে মানুষকে সুরক্ষা দিতে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এ সময় তিনি প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, ময়মনসিংহ-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাকির হোসেন বাবুল, ময়মনসিংহ-১১ আসনের সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু, ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকনুজ্জামান রোকন এবং দি স্পোর্টিভার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম ফেরদৌস।

পরে টার্ফ ফুটবল মাঠে ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদকজয়ী দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচে অংশ নেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]