মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন
আলো (নিজস্ব প্রতিবেদক)
মো. তাজুল ইসলাম, (স্থানীয় সরকার, পল্লী ও উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী) বলেন জাতির পিতার সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ভিশন-২০৪১ নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাসহ সরকার দীর্ঘ মেয়াদী সকল পরিকল্পনায় যোগাযোগ, খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ সহ সর্বক্ষেত্রেই আমূল পরিবর্তন করে যাচ্ছে, যার জন্য বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের গর্বিত নাগরিক হবে।’
গত ২৮ মে ২০২৪ ইং মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আরবান্ আইএনজিও ফোরাম এবং ডিপার্টমেন্ট অব ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ অষ্টম আরবান্ ডায়লগ ২০২৪ ইং
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত
“রেজিলিয়েন্ট সিটিজ টোয়ার্ডস্ এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন” এই শিরোনামে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ,এস,এম মাকসুদ কামাল।
এসাময় সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আরও বলেন দেশে দীর্ঘ সময় সামরিক শাসনা আমলের শোষণ বঞ্চনায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য, খাদ্য, শিক্ষাসহ সর্ব-ক্ষেত্রেই ছিল করুণ অবস্থা। খাদ্য ঘাটতি ছিল প্রকট।
মন্ত্রী আরও বলেন ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতা আসার সাড়ে তিন বছরের মাথায় বাংলাদেশর খাদ্য ঘাটতি পূরণ করে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে। যা অতীতে ছিল কল্পনার বাহিরে ।
মন্ত্রী আরও বলেন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক গঠনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা এবং জনগণের পুষ্টির মান উন্নত হয়
সে ব্যপার ব্যাপক কাজ করেন।
দেশের শিক্ষাখাত সহ গ্রামের অবকাঠামোয় আনেন উল্লেখযোগ্য উন্নতি। ২০০৯ সালের পর থেকে বাংলাদেশের চলমান অর্থনৈতিক যে অগ্রযাত্রার হয়েছে, এতে বাংলাদেশর নিয়ে পুরো বিশ্বের কাছে ধারণা বদলে গেছে।
মন্ত্রী বলেন, আমরা উন্নত হবো, আমাদের উন্নত বাংলাদেশ হবে, একটি মজবুত অর্থনীতি। সবাই যে অর্থনীতিতে সাক্ষী হবে। পিছিয়ে থাকবে না কেউ,
তিনি আরও বলেন, এমডিজির লক্ষ্য বাস্তবায়নে ঈর্ষণীয় সাফল্যের পর বাংলাদেশ সরকার এখন এসডিজির লক্ষ্য পূরণে নিরলসভাবে কাজ করছে । আমাদের দীর্ঘমেয়াদে একটি সুখী টেকসই স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে নেদারল্যান্ড সরকারের সহায়তায় প্রনয়ণ করা হয়েছে, ২০২১- বদ্বীপ পরিকল্পনা।
ডিজিটালাইজেশন’ ইন্টারনেট’ সাবমেরিন ক্যাবল ও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ব্যবহার মাধ্যমে বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এসেছে গতি।
মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের অর্থনৈতিক উন্নতি এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন যেমন, বেশি সাধারণ মানুষকে উন্নয়নের স্রোতে সামিল করেছে, তেমনি করেই নগরায়নে তৈরি করছে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ।
সরকার ঘনবসতি ও স্বল্প জায়গার কারণে উদ্ভুত সমস্যা মোকাবিলায় বহুমুখী এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ।