সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
চট্টগ্রাম জেলার বিশেষ পুরস্কার পেলেন চন্দনাইশ থানার ওসি এস.এম দিদারুল ইসলাম সিকদার স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ঘোষনার পর পর নির্বাচনী হাওয়া চন্দনাইশে ভোটের মাঠে প্রস্তুত বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা মাগুরায় জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত মাগুরা শ্রীপুরের খামারপাড়া বাজারে দূর্ধর্ষ চুরি সংগঠিত মাগুরার বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব প্রয়াত জায়েদ বিন কবির ও আশীষ রায় স্মরণে নাগরিক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত মাগুরার শ্রীপুরে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে ভুক্তভোগী নারী ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির সংবাদ সম্মেলন! নাশকতা ও অগ্নিসংযোগ প্রতিরোধে ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের মতবিনিময় সভা যুবলীগের ‘শাটডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে বিমানবন্দরে পরিবহন শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও স্যালাইন বিতরণ নবীনগরে এতিমখানা পরিদর্শনে ইউএনও ও শিক্ষা কর্মকর্তা, শিশুদের মাঝে হাইজিন কিট বিতরণ বাঙ্গরায় গ্রামীণ অবকাঠামো প্রকল্পে সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন

মাগুরার শ্রীপুরে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে ভুক্তভোগী নারী ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির সংবাদ সম্মেলন!

সংবাদদাতা / ৬ বার ভিউ
সময়ঃ সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন

মোঃ সাইফুল্লাহ, মাগুরা প্রতিনিধি //

মাগুরা শ্রীপুরের মহেশপুর গ্রামের সিমু খাতুন নামের এক নারীর বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগে সাংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগীরা। এ সময় একই বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচার চালানোর প্রতিবাদে উপজেলার দ্বারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম প্রদীপও সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। গতকাল দুপুরে শ্রীপুর মহিলা কলেজ সংলগ্ন উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

মহেশপুর গ্রামের ভুক্তভোগী নারী সিমু খাতুন বলেন, মহেশপুর গ্রামের নাজমা খাতুন জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া স্ট্যাম্প বানিয়ে আমার নামে ১০ লাখ টাকার মামলা করে এবং সেই স্ট্যাম্প মহেশপুর গ্রামের কামাল মৃধার কাছে গচ্ছিত রাখে। কামাল মৃধা কিছু টাকার বিনিময়ে সেই স্ট্যাম্প নাজমার কাছে বিক্রি করে দেয়। পরে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে আমার ও আমার স্বামী কামাল মৃধার নামে ২৫ লাখ টাকার মামলা করে। আর এসব ঘটনার সাথে দ্বারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম প্রদীপ ভাইয়ের জড়ানোর চেষ্টা করে। কিন্তু সে এর সাথে জড়িত না।
দারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম প্রদীপ বলেন, ২ বছর আগে শীতের সময় জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে নাজমা খাতুন ও তাদের পারিবারিক একটি সালিশ হয়। সেখানে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে সালিশটি মিমাংসা হয়। ওই টাকাটা আমার দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রোকনের কাছে গচ্ছিত থাকে। আমার বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার একটা ভিডিও ফেসবুকে দেখলাম। ভিডিওতে তিনি অভিযোগ করেছেন, আমি নাকি তার কাছ থেকে টাকা নিয়েছি। আমি কোন অবৈধ কাজ কামের সাথে জড়িত না। আমার বিরুদ্ধে যে বা যারা অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছি। জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যদি দ্বারিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমাকে মনোনয়ন দেয়,তবে আমি প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবো। এ কারণে আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র ও হেয় করার চেষ্টা হচ্ছে। আমি বিএনপির নির্বাচিত সভাপতি। ইউনিয়নবাসী প্রমাণ করেছে আমি কেমন মানুষ। চাঁদাবাজি বা চরিত্র হনন করে কোন লাভ হবে না।

মোঃ সাইফুল্লাহ, মাগুরা।

তাং ২০/৯/২০২৬ইং


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]