মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
নোয়াখালী-১ আসনে ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের বিজয়ে সুশীল ফোরামের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রাজউক কর্মকর্তা গ্রেফতার: নারী সাংবাদিক হেনস্তা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা মাগুরায় সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের স্টেক হোল্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত মাগুরায় সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের স্টেক হোল্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত মাগুরায় জামায়াতের উদ্যোগে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠিত Without Classrooms, Education Remains Incomplete* *—-Professor M A Barnik শ্রেণিকক্ষের দরজা বন্ধ করে দিয়ে প্রকৃত মানুষ তৈরি অসম্ভব* *—–অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* A Voice of Principle in Parliament Barrister Nowshad Zamir—Professor M. A. Barnik ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের এক নতুন রাজনৈতিক বার্তা –অধ্যাপক এম এ বার্ণিক*

মাগুরায় তীব্র শীতে কাঁপছে মানুষ! ভীড় বাড়ছে পুরাতন গরম কাপড়ের দোকানে!

সংবাদদাতা / ৯২ বার ভিউ
সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ন

মোঃ সাইফুল্লাহ,

মাগুরা প্রতিনিধি /

মাগুরায় যতই শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে! সেই সাথে ভীড় বাড়ছে পুরাতন গরম কাপড়ের দোকানে । আবার নতুন করে শুরু হয়েছে শৈত প্রবাহ, কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে জনজীবন হচ্ছে বিপর্যস্ত। গত দু সপ্তাহ ধরে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় মানুষ পড়েছে মহা বিপাকে। সকাল থেকে শুরু হয় শৈত প্রবাহ, তীব্র কুয়াশায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা। সকাল থেকেই মিলছে না সূর্যের দেখা।

তবুও ভোর হতেই কিছু কর্মকান্ত মানুষ বেরিয়ে পড়েছে কাজের সন্ধানে। শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় মাগুরার বিভিন্ন সড়কে ভোর হতেই মানুষের তেমন আনাগোনা নেই। ভোর থেকে মাগুরা একতা কাঁচা বাজারে সবজি বোঝাই করে বিভিন্ন নসিমন চলাচল করতে দেখা গেছে। এইসব নছিমনে শীতের সবজি ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন শিম বহন করতে দেখা যায়। নসিমনের চালকরা তীব্র শীত উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন। কুয়াশা আর শৈত প্রবাহের কারণে সড়কের বিভিন্ন জায়গায় ঘটছে দুর্ঘটনা। দুপুর গড়িয়ে বিকাল হয়ে গেলে সূর্যের উকিঝুকি চোখে দেখা যাচ্ছেনা। সূর্যের আলো না থাকায় বেড়ে যায় আরো শীত।

রিক্সা চালক হাসানুর বলেন, তীব্র শীতে গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হতে পারছি না। পরিবার পরিজনের কথা চিন্তা করে সড়কে তীব্র শীত উপেক্ষা করে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। সকালে তেমন যাত্রী পাওয়া যায় না। বেলা বাড়ার সাথে সাথে সড়কে কিছু লোক বের হলেও রিকশায় উঠতে চায় না। তাই তীব্র শীতে পরিবার পরিজন নিয়ে বিপাকে আছি।
নির্মাণ শ্রমিক মতিয়ার রহমান বলেন, গত চারদিন হল সূর্যের দেখা মিলছে না। তীব্র শীত উপেক্ষা করে কাজে আসতে চায় না শ্রমিকরা। তবুও পারিবারিক আর্থিক অভাব অনাটনের কারণে তাদের কাজ করতে হয়। ইট, বালি, সিমেন্ট নিয়ে তাদের কাজ থেমে নেই।
বেলা বাড়ার সাথে সাথে তীব্র শীত উপেক্ষা করে কর্মক্লান্ত মানুষকে অফিস আদালতে যেতে দেখা যায়। বার্ষিক পরীক্ষা শেষে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সমাগম নেই।
এদিকে তীব্র শীত বেড়ে যাওয়ায় শীতের গরম কাপড়ের দোকানে ভিড় বেড়েছে। মানুষ শীত থেকে বাচতে কম্বল ছেড়ে একটু স্বস্তির আশায় লেপতোষক বানানোর ব্যস্ততার সময় পার করছেন।
শীত বেড়ে যাওয়ায় শহরের ফুটপাতের দোকান গুলোতে শীতের কাপড় কিনতে নানা বয়সী মানুষের ভিড় বাড়ছে। নিম্ন আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত, উচ্চ মধ্যবিত্ত মানুষেরা শীতের কাপড় কিনতে ভিড় করছেন শহরের ফুটপাতে দোকান গুলোতে।
অন্যদিকে, শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় মাগুরা ২৫০ শর্য্যার হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে ঠান্ডা জনিত রোগে শিশু রোগির সংখ্যা বেড়েছে অত্যাধিক। তাছাড়া ছিন্নমূল মানুষ পড়েছে মহা সমস্যায়। তাদের শীতবস্ত্র না থাকায় এবং সরকারি ভাবে কোন শীতবস্ত্র বিতরণ না করায় শীতে কষ্ট পাচ্ছে তারা। অবিলম্বে দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা জরুরী হয়ে পড়েছে। সরকারি ভাবে বরাদ্দকৃত কম্বল শুধুমাত্র মাদ্রসার ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে বন্টন করা হবে বলে জানা গেছে। তবে বেসরকারি উদ্যোগে কিছু কিছু এলাকায় শীতবস্ত্র বিতরণ করার খবর পাওয়া যাচ্ছে!

মোঃ সাইফুল্লাহ, মাগুরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]