মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বাংলাদেশের জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল একুশে টিভি’র ২৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সুশীল ফোরামের শুভেচ্ছা In Reverence and Remembrance ‘Abdul Hye—Professor M A Barnik সুপ্রিয় আবদুল হাইকে হারালাম—অধ্যাপক এম এ বার্ণিক নোয়াখালী-১ আসনে ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের বিজয়ে সুশীল ফোরামের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রাজউক কর্মকর্তা গ্রেফতার: নারী সাংবাদিক হেনস্তা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা মাগুরায় সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের স্টেক হোল্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত মাগুরায় সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের স্টেক হোল্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত মাগুরায় জামায়াতের উদ্যোগে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠিত Without Classrooms, Education Remains Incomplete* *—-Professor M A Barnik

বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদে বিদ্যুৎ থাকবে না অথচ বঙ্গভবনে বিদ্যুৎ থাকবে এটা হতে পারে না! — শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান

সংবাদদাতা / ১২০ বার ভিউ
সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন

লেখকঃ মোঃ শাহজালাল আহম্মেদ

জিয়াউর রহমান উনার দৈনন্দিন কাজ শেষে বঙ্গভবন থেকে রাতের বেলায় ক্যান্টনমেন্টে তার বাসায় যাচ্ছেন। তার গাড়ি বহর বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ দিয়ে যাবার সময় তিনি লক্ষ্য করলেন বায়তুল মোকাররম অন্ধকারাচ্ছন্ন।

­

তিনি তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে গাড়ি থেকে নেমে গেলেন এবং সরাসরি মসজিদে প্রবেশ করে গেলেন। মসজিদের ভেতর ঠিক ঐ সময়ে তেমন কোন লোকজন ছিলেন না। কিন্তু শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মসজিদে প্রবেশ করেই জিজ্ঞাসা করলেন যে, মসজিদটি অন্ধকার কেন?

তখন তিনি জানতে পারলেন, লোডশেডিং চলছে তাই মসজিদে বিদ্যুৎ নাই। তখন তিনি বললেন, বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদে বিদ্যুৎ থাকবে না অথচ বঙ্গভবনে  বিদ্যুৎ থাকবে এটা হতে পারে না! অতঃপর বঙ্গভবনে  নিরবিচ্ছিন্নভাবে যে বিদ্যুতের লাইন দেওয়া হয়েছে সেই লাইনের এক্সটেনশন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদেও দিতে হবে। প্রেসিডেন্ট সাহেবের যেমন কথা তেমন কাজ।

পরবর্তীতে বঙ্গভবনের লাইনের সাথে জাতীয় মসজিদের বিদ্যুৎ লাইন সংযোগ করে দেওয়া হয় এবং সেই থেকে জাতীয় মসজিদে আর বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটতো না। তবে পরবর্তীতে ওই বিদ্যুৎ লাইন বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেট থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

ঠিক ঐ দিন জিয়াউর রহমান মসজিদের যখন মূল হলের ভিতর প্রবেশ করেন এবং উপরের দিকে তাকিয়ে বললেন যে, এখানে একটি সুন্দর ঝাড়বাতি দিতে হবে। তারপরে সেখানে একটা সুন্দর ঝাঁড় বাতি দেওয়া হয়।

আপনারা যারাই বর্তমানে বায়তুল মোকাররম মসজিদে যাবেন এবং যেখানে ইমাম সাহেব ইমামতি করেন ওই মূল ঘরে প্রবেশ করে উপরে দেখতে পাবেন যে ওই ঘরের মধ্যিখানে একটি সাদা সুন্দর ঝাড়বাতি ঝুলছে। এটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাহেব লাগিয়েছিলেন।

তাছাড়া এই মূল কামরার ঠিক বাইরে এসেই কাঠের দরজার উপরে দেখবেন কাবা শরীফের এক টুকরো গিলাভের অংশ লাগানো আছে এটিও তখনকার সৌদি বাদশা কিং খালেদ বিন আব্দুল আজিজ জিয়াউর রহমান সাহেবকে উপহার দিয়েছিলেন।

জিয়াউর রহমান যখন ওমরা পালন করতে যান তখন তিনি কাবা শরীফের ভেতরে প্রবেশ করে কাবা শরীফের ভেতর ধৌত করেছিলেন। এটি তার অভিপ্রায় ছিল এবং বাদশা তার অভিপ্রায় পূরণ করেন।

সৌদি বাদশা কিং খালেদ বিন আব্দুল আজিজের সাথে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রচন্ড সখ্যতা সৃষ্টি হয় এবং কিং ফাহাদ বাংলাদেশের উন্নয়নে উদার হস্তে টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

তাই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশে ফিরে এসে বলতে লাগলেন যে, আপনারা নতুন নতুন প্রকল্প দেন, “Money is no problem”।

#collected


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]