শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
আজকের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ – মাগুরায় কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নূরুল ইসলাম সাদ্দাম Macca Defence Pact: A Severe Setback to India’s Strategic Calculations* *— Professor MA Barnik *মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি : ভারতের স্ট্র্যাটেজিক হিসাব-নিকাশে বড় ধরনের ধাক্কা— অধ্যাপক এম এ বার্ণিক মাগুরার শ্রীপুরে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক যুবকের মৃত্যু, আহত আরো -২জন চাটমোহরে তেল-জেলিতে তৈরি হচ্ছিল নকল দুধ, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড ও জরিমানা The Mecca Defence Pact: India’s Concerns, the Positions of Major Powers, and Bangladesh’s Potential Gains and Losses* *–Professor M. A. Barnik মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: ভারতের উদ্বেগ, পরাশক্তিদের অবস্থান এবং বাংলাদেশের সম্ভাব্য লাভ-ক্ষতি* *—অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* কেন্দ্রীয় যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি পলের রোগমুক্তিতে এস. আলম ইসরাৎ এর উদ্যোগে দোয়া আন্দালিব রহমান পার্থকে তথ্যমন্ত্রী করায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দকে মিষ্টিমুখ করালো বিজেপি ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) উদযাপন

“এনসিপি-কে কলি দিয়ে ইসি নিজেই বলি হয়ে গেল!” — অধ্যাপক এম এ বার্ণিক

সংবাদদাতা / ২৩৫ বার ভিউ
সময়ঃ শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন

১. প্রেক্ষাপট:

বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও নতুন রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল কনসেনসাস পার্টি (এনসিপি)–এর মধ্যে প্রতীক নিয়ে যে দ্বন্দ্ব চলছে, তা ইতোমধ্যেই জনমনে গভীর প্রশ্ন ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। “শাপলা” প্রতীক দাবিতে অনড় এনসিপি’কে ঘিরে এক জটিল পরিস্থিতি তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশনের আচরণ।

২. শাপলা প্রতীকের দাবি ও ইসির অস্বীকৃতি:

এনসিপি প্রথম থেকেই জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে “শাপলা” চিহ্ন বরাদ্দের দাবি জানায়। দলটির মতে, এই প্রতীক বাংলাদেশের স্বাধীনতা, শান্তি ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক— যা দেশের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

কিন্তু নির্বাচন কমিশন বারবার জানায়, “আইনগত ও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা”র কারণে শাপলা প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব নয়। তবে, আশ্চর্যের বিষয়— ইসি কখনোই সেই নির্দিষ্ট আইন বা ধারা দেখাতে পারেনি। বরং কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, “আইন দেখাতে আমরা বাধ্য নই”— যা প্রশাসনিক নৈতিকতা ও স্বচ্ছতার পরিপন্থী এক অবস্থান।

৩. অশোভন প্রতীকের প্রস্তাব:

ইসির পক্ষ থেকে এনসিপিকে “বেগুন”, “থালা”, “বাটি” প্রভৃতি প্রতীক বেছে নিতে বলা হয়— যা রাজনৈতিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী ও অবমাননাকর বলে মনে করে দলটি।
১৯ অক্টোবর পর্যন্ত এই বিকল্পগুলোর একটি গ্রহণ না করলে, ইসি স্বেচ্ছায় একটি প্রতীক চাপিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দেয়।

তবুও এনসিপি তার মূল প্রতীক— “শাপলা” নিয়েই অনড় থাকে, যা তাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকারের দৃঢ়তার পরিচায়ক।

৪. নতুন প্রস্তাব: ‘শাপলা কলি’ — নাকি একটি রাজনৈতিক নাটক?

অবশেষে, ২৯ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন এনসিপিকে “শাপলা কলি” প্রতীক বরাদ্দের প্রস্তাব দেয়।
এখানেই প্রশ্ন— যদি সত্যিই আইনগত বাধা থেকেই শাপলা দেওয়া সম্ভব না হয়, তবে “শাপলা কলি” দিতে কোন আইনি ব্যাখ্যা প্রযোজ্য হলো?
একজন বিশ্লষকন মন্তব্য করেছেন:

> “যদি আইনের কারণে শাপলা দেওয়া না যায়, তবে শাপলা কলি বরাদ্দ দেয়ার আইনি ভিত্তি কী? নিশ্চয়ই নির্বাচন কমিশনের পেছনে কোনো অদৃশ্য রাজনৈতিক চাপ কাজ করছে। এই কলি বরাদ্দের মধ্য দিয়ে ইসি প্রকৃতপক্ষে বলি হয়ে গেছে।”

৫. অদৃশ্য চাপ ও গণতান্ত্রিক সংকট:

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন কমিশনের এই অবস্থান স্পষ্টতই একটি দলের স্বার্থরক্ষায় পরিচালিত। কমিশনের এই নরম-গরম অবস্থান ইঙ্গিত করে, রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা এখানে বিলুপ্ত হয়েছে।
একজনন পর্যবেক্ষেকের অভিমত:

> “নির্বাচন কমিশন একটি দলের প্রতি আনুগত্য দেখিয়ে নিজের স্বাধীন সত্তাকে বলি দিয়েছে। তাই এখন এনসিপির উচিত ইসির দেওয়া প্রতীক গ্রহণ না করে, গণআন্দোলনের মাধ্যমে একটি নতুন, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের দাবি তোলা।”

৬. উপসংহার:

“শাপলা” প্রতীকের দাবিতে এনসিপির অবস্থান আজ শুধু একটি প্রতীকের লড়াই নয়— এটি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, ন্যায্যতা ও গণতন্ত্রের মর্যাদা রক্ষার প্রশ্ন।
একদিকে ইসির অদ্ভুত সিদ্ধান্ত ও হুমকি, অন্যদিকে এনসিপির নীতিগত দৃঢ়তা— এই সংঘাত এখন প্রতীকের গণ্ডি ছাড়িয়ে রাষ্ট্রীয় ন্যায়বোধ ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যতের প্রতীকী যুদ্ধে পরিণত হয়েছে। এতোদিন পর এনসিপি’কে কলি প্রতীক বরাদ্দ দিতে গিয়ে ইসি নিজেই বলি হয়ে গেছেন![


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]