রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম
War or Peace : The Entire World Looks to the Face of a Field Marshal* *—-Professor M A Barnik মাগুরায় সেলুনে আগে চুল কাটানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে! আহত-৬ *যুদ্ধ-না-শান্তি : এক ফিল্ড মার্শালের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে সারাবিশ্ব* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* *১. অস্থিরতার প্রেক্ষাপট— এক অগ্নিগোলকের পৃথিবী*: সময়ের এই অধ্যায়ে পৃথিবী যেন আগ্নেয়গিরির কিনারায় দাঁড়িয়ে— যেখানে প্রতিটি রাষ্ট্র, প্রতিটি জোট, প্রতিটি সিদ্ধান্ত একটি সম্ভাব্য বিস্ফোরণের পূর্বাভাস বহন করছে। যুক্তরাষ্ট্র-এর কৌশলগত আধিপত্য, ইসরায়েল-এর নিরাপত্তা-কেন্দ্রিক অবস্থান, ইরান-এর প্রতিরোধী মনোভাব— সব মিলিয়ে বিশ্ব এখন এক জটিল দ্বন্দ্বের গোলকধাঁধায় বন্দি। এই অস্থির সময়েই বিশ্বমানবতার দৃষ্টি গিয়ে থামে এক ব্যক্তির উপর— ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। *২. একজন মানুষের উত্থান*: সেনাপ্রধান থেকে বৈশ্বিক মধ্যস্থতাকারী ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির— নামটি এখন শুধু একটি দেশের সামরিক নেতৃত্বের প্রতীক নয়, বরং একটি সম্ভাব্য বৈশ্বিক সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু। পাকিস্তান-এর সেনাপ্রধান হয়েও তিনি নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। তিনি হয়ে উঠেছেন এক অদৃশ্য সেতু— যেখানে বিরোধী শক্তিগুলো অন্তত কথোপকথনের টেবিলে বসতে রাজি হয়। *৩. ব্যর্থতার ভেতর সম্ভাবনার বীজ*: গত ১১–১২ এপ্রিলের শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে— এটি নিঃসন্দেহে বাস্তবতা। কিন্তু এই ব্যর্থতা কি শেষ? নাকি এটি একটি বৃহত্তর সফলতার প্রস্তুতি? বিশ্লেষণ বলছে— এই প্রথম দফার আলোচনা ছিল অবস্থান যাচাইয়ের মঞ্চ। যুক্তরাষ্ট্র তার সীমা দেখিয়েছে, ইরান তার শর্ত স্পষ্ট করেছে, ইসরায়েল তার নিরাপত্তা-রেখা টেনে দিয়েছে। আর এই সবকিছুই ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির-এর জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ কৌশল তৈরির উপাদান হয়ে উঠেছে। *৪. কূটনৈতিক কৌশল– যুক্তির ছুরিতে শর্তের অবসান* তার সবচেয়ে বড় শক্তি— তিনি চাপ প্রয়োগ করেন না, তিনি পরিস্থিতিকে এমনভাবে সাজান, যাতে প্রতিপক্ষ নিজের অবস্থান থেকেই নরম হতে বাধ্য হয়। ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য— এই ইউরোপীয় শক্তিগুলোর সাথে তার সমঝোতা তৈরি করছে একটি সমর্থন কাঠামো। অন্যদিকে চীন ও রাশিয়া— তাদের সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক তাকে দিয়েছে কৌশলগত গভীরতা। এই বহুমাত্রিক কূটনীতি তার প্রচেষ্টাকে করেছে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর। ৫. সম্ভাবনার দিগন্ত: কেন সফল হতে পারেন? এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন— ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির কি সত্যিই সফল হতে পারেন? বিশ্লেষণে কয়েকটি কারণ স্পষ্ট হয়ে ওঠে— (১) *নিরপেক্ষতার সুবিধা*: পাকিস্তান সরাসরি এই সংঘাতের মূল পক্ষ নয়, তাই তার মধ্যস্থতা তুলনামূলকভাবে গ্রহণযোগ্য। (২) *বহুমুখী সম্পর্ক*: পূর্ব ও পশ্চিম—দুই ব্লকের সাথেই যোগাযোগ রক্ষা করার সক্ষমতা তাকে একটি অনন্য অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে। (৩) *সামরিক ও কূটনৈতিক ভারসাম্য*: তিনি শুধু কূটনীতিক নন, একজন সামরিক কৌশলবিদও— যা তাকে বাস্তবতার মাটিতে দাঁড়িয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। (৪) *ব্যর্থতা থেকে শেখার সক্ষমতা*: প্রথম দফার ব্যর্থতা তাকে দুর্বল করেনি, বরং আরও প্রস্তুত করেছে। *৬. ঝুঁকি ও সীমাবদ্ধতা*: পথ এত সহজ নয়; তবে বাস্তবতা কঠিন— যুক্তরাষ্ট্র তার বৈশ্বিক প্রভাব ছাড়তে চাইবে না, ইরান নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া আপস করবে না, ইসরায়েল অস্তিত্বের প্রশ্নে আপসহীন। এই ত্রিমুখী জটিলতা যেকোনো উদ্যোগকেই ব্যর্থ করে দিতে পারে। *৭. বিশ্বমানবতার প্রত্যাশা ও শেষ আশ্রয়* আজ পৃথিবী এক অদ্ভুত বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে— যেখানে একটি মানুষের প্রচেষ্টাকে “শেষ আশার আলো” হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সফল হলে— একটি নতুন শান্তির অধ্যায় শুরু হতে পারে। ব্যর্থ হলে— পারমাণবিক সংঘাতের সম্ভাবনা আর কল্পনা থাকবে না, তা হয়ে উঠতে পারে নির্মম বাস্তবতা। *৮. বিশ্ববর্বতার ধ্বংসস্তুপে একটি মানুষ দাঁড়িয়ে* ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নগুলো সবসময় সহজ মানুষের কাছে আসে না— এসে পড়ে সেই মানুষের কাঁধে, যিনি তা বহন করতে সক্ষম। ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এখন সেই অবস্থানে— যেখানে তার প্রতিটি পদক্ষেপ মানবতার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে। ধ্বংসস্তুপের মধ্যেই আজ যেন পৃথিবী অপেক্ষা করছে, পারমাণবিক অস্ত্রের বীভিষিকায় কী সব ধ্বংস হয়ে যাবে, নাকি পৃথিবী শান্তির পথে হাঁটবে? শান্তি অন্বেষার সেই প্রশ্নের সমাধানে ভার নিজের কাঁধে নিয়ে সাঁতারি যাচ্ছেন, বিপদগ্রস্ত মানুষের এক ত্রাণকর্তা, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। শান্তির নিশান তাঁর হাতেই হয়তো পতপত করে উড়ার অপেক্ষায় আছে, আর অপেক্ষায় আছে বিশ্বের তাবৎ প্রাণীকুল ও মানবতা… মাগুরার শ্রীপুরে পাম্পে ড্রামে তেল দেওয়ার ভিডিও ধারণ,সাংবাদিককে মারধর করলো পুলিশ! উক্ত পুলিশ ক্লোজ! *ফিল্ড মার্শালের ইটে-ইটে গড়া শান্তির দেয়াল* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় জেলা পর্যায়ে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন মাগুরার খামারপাড়া এস এ আই সিনিয়র মাদ্রাসায় বিদায় সংর্বধণা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মাগুরায় সুমন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন! বিস্তারিত জানালেন পুলিশ সুপার মাগুরায় লক্ষাধিক শিশুকে হাম রুবেলার টিকা দেয়া হবে

বিএনপি, সরকার গঠন করলে, মসজিদের ইমামগণ কুরআন, সত্য ও হক কথা স্বাধীন ভাবে এবং সকলের জন্য দোয়া করতে পারবেন – আমিনুল হক

সংবাদদাতা / ১৪০ বার ভিউ
সময়ঃ রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৫ অপরাহ্ন
filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; hdrForward: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: video;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 0;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: off;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 36;

এ এইচ মোবারক
আলো, স্টাফ রিপোটারঃ

রাজধানীর রূপনগরে দুয়ারীপড়া ও আনুবিক শক্তি আবাসিক এলাকা বাসীর উদ্যোগ মতবিনিময় উক্ত  সভায় জনাব আমজাদ হোসেন মোল্লা (সাবেক সদস্য ঢাঃমঃউ বিএনপি) সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আমিনুল হক, আহ্বায়ক, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি।

গত ৭ জুলাই ২০২৫ ইং +সোমবার) বাদ মাগরিব, রাজধানীর মিরপুরের রূপনগরে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠনটি দুয়ারীপড়া ও আনুবিক শক্তি আবাসিক এলাকা বাসীর উদ্যোগ উক্ত  মতবিনিময় সভায় মিরপুরের ঐতিহ্যবাহি মোল্লা পরিবারের কৃতি সন্তান আলহাজ্ব  আমজাদ হোসেন মোল্লা (সাবেক সদস্য আহবায়ক কমিটি, ঢাঃমঃউ বিএনপি) এর  সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব  আমিনুল হক আহ্বায়ক, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি এবং বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক।ঢাকা ১৬ সংসদীয় আসনে (রূপনগর- পল্লবী) বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের  প্রার্থী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমিনুল হক বলেন, গত ১৭ বছর আমরা একটি দুঃসময় পার করেছি, ১৭ বছর আমরা কেউ স্বাধীন ভাবে কথা বলতে পারি নাই,  এইভাবে বসে কথা পারি নাই, সত্য কথা বলতে পরি নাই, যদি কেউ বল’তো তাঁর বিরুদ্ধে অকথ্য নির্যাতন, আহত, মামলা, হামলা দেওয়া হয়েছে, কখনো কখনো তাঁর পরিবার সহ নির্যাতন শিকার হয়েছেন।

স্থানীয় মসজিদের ইমাম সাহেবের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, গত ১৭ বছর মসজিদের ইমাম সাহেবেরা আল- কুরআনের কথা, হক কথা, সত্য কথা, ইসলামের কথা, সঠিকভাবে বলতে পারেন নাই। এমনকি  কার জন্য দোয়া করা যাবে, কার জন্য দোয় করা যাবে না, এই গুলো ঠিক করে দেওয়া হতো।
তারপরেও যদি কোন ইমাম সাহেব সত্য কথা বলেছেন তাহলে তাঁর উপর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ও তার দোসরদের অত্যাচার, শারীরিক নির্যাতনের শিকার, জংঙ্গী নাটক এ ফাঁসানো, মামলা হামলা ইত্যাদি ধারা হেনস্থা করা হতো।

ইনশা-আল্লাহ, আমারা (বিএনপি) আগামী নির্বচনে ( জনগণ যদি চায়) সরকার গঠন করতে পারি তা হলে ইমাম সাহেব গণ সত্য কথা, হক কথা, ন্যায্য কথা, আল- কুরআন এবং ইসলামের কথা স্বাধীন ভাবে বলতে পারবেন এবং সকলের জন্য দোয়া করতে পরবেন।

দলীয় বা প্রশাসনিক ভাবে বাধা দেওয়া হবে না, যদি কেউ বাধাদেয় আমাকে জানাবেন ততক্ষণিক উপযুক্ত ব্যবস্থা গহণ করবো সাংগঠনিক ও আইন গত প্রশাসনিক।

আমাদের কে গত ১৭ বছর বারংবার কি ভাবে নির্যাতন, মামলা, হামলা আহত ও হয়রানির শিকার করা হয়েছে আপনার অবগত রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন আমাদের শত শত নেতা কর্মীদের জেল খানায় নিয়ে এবং ডিবি অফিসে নিয়ে কি! অমানুষিক শারিরীক নির্যাতন করেছে এই ফ্যাসিস্ট সৈরাচার সরকার।

এর কারণ তার জোর করে ক্ষমতা দখল করে বসে থাকতে চেয়েছিল। তার জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতা ব্যবহার করে গত ১৫ বছর কোন কোন ভাবে সফল হয়েছে।

তিনি আরও বলেন,  ২৪ শের যে গণঅভ্যুত্থানের  ফলে স্বাধীনভাবে আপনারা এখানে বসে আছেন এবং স্বাধীনভাবে মন খুলে এখানে কথা বলতে পারছেন, আগামীতেও আপনারা স্বাধীন ভাবে চলতে পারবেন।  – ইনশাআল্লাহ

এই আন্তরিকতা, এই আহবান এই সহানূভতি এই ধর্য্যশীলতার মাধ্যমে আমরা যাতে আপনাদের যে পরামর্শ দিয়েছেন, মতামত গুলো প্রদান করেছেন, আমি চেষ্টা করবো, আমার জায়গায় থেকে তাত্ক্ষণিক ভাবে সমাধান করে দিতে পারি তা করে দিবো, আর যেটা এখন আমরা পারবো না, যেহেতু আমরা তো ক্ষমতা নাই, আমি কথা দিচ্ছি, আগামীতে বিএনপি ক্ষমতা আসলে আপনাদের আস্থা উপর, বিশ্বাস সমুন্নত রেখে আপনার আমাদের আস্থা উপর, বিশ্বাস করে পরশপর পরামর্শের ভিত্তিতে এক একটি এ সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবো।- ইনশাআল্লাহ

আমি এই এলাকার সন্তান হিসাবে এই সামনের মাঠে খেলা ধুলা করেছি আজ যেখানে বাজার হয়েছে, আমি যেহেতু ক্রিয়াঙ্গনের মানুষ, অবশ্যই প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে একটি করে মাঠ খেলার মাঠ তৈরি করব। ইনশাআল্লাহ

আপনারা যে সকল সমস্যার কথা বললেন প্রত্যেকটি আমরা একক ভাবে সমাধান করতে পারবো না, এতে আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন হবে।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা ১৬ রূপনগর ও পল্লবী আসনে আমি আপনাদের সন্তান হিসাবে, বন্ধু হিসাবে, ভাই হিসেবে, বিএনপির কর্মী হিসাবে, ধানের শীষের প্রার্থী হিসাবে আজ আপনাদের কাছে এসেছি। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আমাকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এসময় মোঃ নাসির উদ্দিন রাজু’র( যুগ্ন- আহ্বায়ক রূপনগর থানা) সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাহবুব আলম মন্টু, যুগ্ম- আহ্বায়ক, উত্তর বিএনপি। জহিরুল হক, আহ্বায়ক,রূপনগর থানা। ইঞ্জিঃ মোঃ মজিবুল হক সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক রূপনগর থানা বিএনপি।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম-আহবায়ক রূপনগর থানা বিএনপি, মোঃ শিপু মোল্লা, এ টি এম অলিউল হাসানাত তুহিন মাষ্টার,মোঃ হাবিবুর রহমান, আলামগীর হোসেন তালুকদার। ৯২ নং ওয়ার্ড সভাপতি নবী হোসেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ নিজাম, ৬ নং ওয়র্ড (আঃ) রূপনগর, বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি ডাঃ আল হাসান মোবারক, সাধারণ সম্পাদক মোঃ লুৎফর আহাসান রনি। ছাত্রদল রূপনগর থানা বিএনপির, আহবায়ক-মোঃ মেহেদী হাসান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]

*যুদ্ধ-না-শান্তি : এক ফিল্ড মার্শালের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে সারাবিশ্ব* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* *১. অস্থিরতার প্রেক্ষাপট— এক অগ্নিগোলকের পৃথিবী*: সময়ের এই অধ্যায়ে পৃথিবী যেন আগ্নেয়গিরির কিনারায় দাঁড়িয়ে— যেখানে প্রতিটি রাষ্ট্র, প্রতিটি জোট, প্রতিটি সিদ্ধান্ত একটি সম্ভাব্য বিস্ফোরণের পূর্বাভাস বহন করছে। যুক্তরাষ্ট্র-এর কৌশলগত আধিপত্য, ইসরায়েল-এর নিরাপত্তা-কেন্দ্রিক অবস্থান, ইরান-এর প্রতিরোধী মনোভাব— সব মিলিয়ে বিশ্ব এখন এক জটিল দ্বন্দ্বের গোলকধাঁধায় বন্দি। এই অস্থির সময়েই বিশ্বমানবতার দৃষ্টি গিয়ে থামে এক ব্যক্তির উপর— ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। *২. একজন মানুষের উত্থান*: সেনাপ্রধান থেকে বৈশ্বিক মধ্যস্থতাকারী ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির— নামটি এখন শুধু একটি দেশের সামরিক নেতৃত্বের প্রতীক নয়, বরং একটি সম্ভাব্য বৈশ্বিক সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু। পাকিস্তান-এর সেনাপ্রধান হয়েও তিনি নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। তিনি হয়ে উঠেছেন এক অদৃশ্য সেতু— যেখানে বিরোধী শক্তিগুলো অন্তত কথোপকথনের টেবিলে বসতে রাজি হয়। *৩. ব্যর্থতার ভেতর সম্ভাবনার বীজ*: গত ১১–১২ এপ্রিলের শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে— এটি নিঃসন্দেহে বাস্তবতা। কিন্তু এই ব্যর্থতা কি শেষ? নাকি এটি একটি বৃহত্তর সফলতার প্রস্তুতি? বিশ্লেষণ বলছে— এই প্রথম দফার আলোচনা ছিল অবস্থান যাচাইয়ের মঞ্চ। যুক্তরাষ্ট্র তার সীমা দেখিয়েছে, ইরান তার শর্ত স্পষ্ট করেছে, ইসরায়েল তার নিরাপত্তা-রেখা টেনে দিয়েছে। আর এই সবকিছুই ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির-এর জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ কৌশল তৈরির উপাদান হয়ে উঠেছে। *৪. কূটনৈতিক কৌশল– যুক্তির ছুরিতে শর্তের অবসান* তার সবচেয়ে বড় শক্তি— তিনি চাপ প্রয়োগ করেন না, তিনি পরিস্থিতিকে এমনভাবে সাজান, যাতে প্রতিপক্ষ নিজের অবস্থান থেকেই নরম হতে বাধ্য হয়। ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য— এই ইউরোপীয় শক্তিগুলোর সাথে তার সমঝোতা তৈরি করছে একটি সমর্থন কাঠামো। অন্যদিকে চীন ও রাশিয়া— তাদের সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক তাকে দিয়েছে কৌশলগত গভীরতা। এই বহুমাত্রিক কূটনীতি তার প্রচেষ্টাকে করেছে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর। ৫. সম্ভাবনার দিগন্ত: কেন সফল হতে পারেন? এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন— ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির কি সত্যিই সফল হতে পারেন? বিশ্লেষণে কয়েকটি কারণ স্পষ্ট হয়ে ওঠে— (১) *নিরপেক্ষতার সুবিধা*: পাকিস্তান সরাসরি এই সংঘাতের মূল পক্ষ নয়, তাই তার মধ্যস্থতা তুলনামূলকভাবে গ্রহণযোগ্য। (২) *বহুমুখী সম্পর্ক*: পূর্ব ও পশ্চিম—দুই ব্লকের সাথেই যোগাযোগ রক্ষা করার সক্ষমতা তাকে একটি অনন্য অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে। (৩) *সামরিক ও কূটনৈতিক ভারসাম্য*: তিনি শুধু কূটনীতিক নন, একজন সামরিক কৌশলবিদও— যা তাকে বাস্তবতার মাটিতে দাঁড়িয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। (৪) *ব্যর্থতা থেকে শেখার সক্ষমতা*: প্রথম দফার ব্যর্থতা তাকে দুর্বল করেনি, বরং আরও প্রস্তুত করেছে। *৬. ঝুঁকি ও সীমাবদ্ধতা*: পথ এত সহজ নয়; তবে বাস্তবতা কঠিন— যুক্তরাষ্ট্র তার বৈশ্বিক প্রভাব ছাড়তে চাইবে না, ইরান নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া আপস করবে না, ইসরায়েল অস্তিত্বের প্রশ্নে আপসহীন। এই ত্রিমুখী জটিলতা যেকোনো উদ্যোগকেই ব্যর্থ করে দিতে পারে। *৭. বিশ্বমানবতার প্রত্যাশা ও শেষ আশ্রয়* আজ পৃথিবী এক অদ্ভুত বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে— যেখানে একটি মানুষের প্রচেষ্টাকে “শেষ আশার আলো” হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সফল হলে— একটি নতুন শান্তির অধ্যায় শুরু হতে পারে। ব্যর্থ হলে— পারমাণবিক সংঘাতের সম্ভাবনা আর কল্পনা থাকবে না, তা হয়ে উঠতে পারে নির্মম বাস্তবতা। *৮. বিশ্ববর্বতার ধ্বংসস্তুপে একটি মানুষ দাঁড়িয়ে* ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নগুলো সবসময় সহজ মানুষের কাছে আসে না— এসে পড়ে সেই মানুষের কাঁধে, যিনি তা বহন করতে সক্ষম। ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এখন সেই অবস্থানে— যেখানে তার প্রতিটি পদক্ষেপ মানবতার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে। ধ্বংসস্তুপের মধ্যেই আজ যেন পৃথিবী অপেক্ষা করছে, পারমাণবিক অস্ত্রের বীভিষিকায় কী সব ধ্বংস হয়ে যাবে, নাকি পৃথিবী শান্তির পথে হাঁটবে? শান্তি অন্বেষার সেই প্রশ্নের সমাধানে ভার নিজের কাঁধে নিয়ে সাঁতারি যাচ্ছেন, বিপদগ্রস্ত মানুষের এক ত্রাণকর্তা, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। শান্তির নিশান তাঁর হাতেই হয়তো পতপত করে উড়ার অপেক্ষায় আছে, আর অপেক্ষায় আছে বিশ্বের তাবৎ প্রাণীকুল ও মানবতা…