মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন
মোঃ সাইফুল্লাহ, মাগুরা প্রতিনিধি//
মাগুরায় কারাগারে থেকেই আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাগুরা-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন শ্রীপুর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি কুতুবুল্লাহ হোসেন মিয়া কুটি।
২৯ ডিসেম্বর সোমবার মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার শেষ দিনে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে তার পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।
১৫ ডিসেম্বর মাগুরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র কেনার পর বাড়ি ফেরার পথে গ্রেফতার হন শ্রীকোল ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান কুতুবুল্লাহ হোসেন মিঞা কুটি। তিনি মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন মিঞার দ্বিতীয় পুত্র।
কুতুবুল্লাহ কুটির ছোট ভাই শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শরিয়ত উল্লাহ হোসেন মিয়া রাজন বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে নির্বাচন সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ হবে- এমন প্রত্যাশা নিয়ে আমরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলাম; কিন্তু বাড়ি ফেরার পথে পুলিশ কোনো মামলা ছাড়াই ভাইকে গ্রেফতার করেছে। যে কারণে সোমবার অতি গোপনে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়েছে।
পরিবারের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার প্রশ্নে তিনি বলেন, বাবা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। ভাই ২০০৮ সালের আগপর্যন্ত যুবলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও প্রায় দেড়যুগ আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। বরং বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের দ্বারা আমি নির্যাতিত হয়েছি।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভাই মাগুরা-১ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী প্রফেসর ডাক্তার সিরাজুল আকবরের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন। তখন জনগণ আমাদের পক্ষে রায় দিলেও নৌকা মার্কার প্রার্থীর পক্ষে ঘোষণা দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, আমাদের পারিবারিক গ্রহণযোগ্যতার কারণে আমি আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হয়েছি। আমার বড় ভাইও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা না থাকলেও আমাদের নামে গত বছর মামলা দেওয়া হয়েছে। সেসব মামলায় জামিন পেয়েছি। তারপরও অন্যায়ভাবে ভাইকে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে।
নির্বাচন সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ হলে অতীতের মতোই নির্বাচনি এলাকার মানুষ আমাদের পাশে থাকবে বলে আমরা মনে করি।
মোঃ সাইফুল্লাহ, মাগুরা।
তাং ৩০/১২/২০২৫ইং